Malda News: 'লিফট আছে, নেই লিফটম্যান', সরকারি হাসপাতালের লিফটের বাইরে লাগানো আজব নোটিস !
Malda Gajol Hospital: 'আমাদের হাসপাতালে স্বয়ংক্রিয় লিফট। কোনও লিফট চালক নেই। স্বাস্থ্য ভবনে জানানো আছে। লিফট চলাকালীন যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে কোনও দুর্ঘটনা ঘটলে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।'

সোমক লাহিড়ি, মালদা : আর জি কর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের লিফট বিভ্রাটের ভয়ঙ্কর পরিণতির ক্ষত এখনও তাজা। তার মাঝেই আরেক সরকারি হাসপাতালে নজরে এল ভয়ানক দৃশ্য। মালদার গাজোলের স্টেট জেনারেল হাসপাতালের লিফটে নেই লিফটম্যান। লিফটের বাইরে সেঁটে দেওয়া হয়েছে একটি নোটিস। সেখানে লেখা রয়েছে, 'আমাদের হাসপাতালে স্বয়ংক্রিয় লিফট। কোনও লিফট চালক নেই। স্বাস্থ্য ভবনে জানানো আছে। লিফট চলাকালীন যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে কোনও দুর্ঘটনা ঘটলে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।'
হাসপাতালে আসা রোগীর পরিজনদের নিজেদেরই চালাতে হচ্ছে লিফট। সমস্যা হচ্ছে, গাজোল মূলত গ্রামীণ এলাকা। গ্রামের অনেক মানুষই, বিশেষত বয়স্করা সেভাবে এই স্বয়ংক্রিয় লিফটের নিয়ম-কানুনের সঙ্গে পরিচিত নন। আর জি করের ঘটনার পর থেকে সকলের মনেই রয়েছে আতঙ্ক। তাই শরীরে কষ্ট হলেও সিঁড়ি ভেঙেই যাতায়াত করতে হচ্ছে বেশিরভাগ মানুষকে। প্রবল সমস্যায় পড়েছেন রোগীর আত্মীয়, পরিজনরা।
আর জি করে লিফট বিভ্রাট, লিফটে ছিল ত্রুটি, সেখানে ছিল না কোনও লিফটম্যান, লিফটে আটকে বেঘোরে প্রাণ গিয়েছে যুবকের
ছেলেকে চিকিৎসা করাতে আর জি করে নিয়ে গিয়েছিলেন বাবা। সেখানেই তাঁর সঙ্গে ঘটে যায় মর্মান্তিক ঘটনা। লিফটে আটকে মৃত্যু হয় দমদমের বাসিন্দা বছর ৪০- এর অরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের। মৃত্যুর আগের দিন জন্মদিন ছিল অরূপের। হাসপাতালে ছেলেকে সুস্থ করতে এসে লিফটে আটকে প্রাণ হারাতে হয়েছে বাবাকে। আর জি কর মেডিক্যালে লিফট বিপর্যয়ে এখনও পর্যন্ত গ্রেফতার করা হয়েছে ৫ জনকে। তাদের মধ্যে ৩ জন লিফটম্যান ও ২ জন নিরাপত্তারক্ষী।
কয়েকদিন আগেই পূর্ব বর্ধমানের কেতুগ্রামে স্বাস্থ্যকেন্দ্রে চাঙড় ভেঙে মৃত্যু হয়েছে ৪ মাসের শিশুকন্যার
পূর্ব বর্ধমানের কেতুগ্রামের, ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রের কোয়ার্টারের ছাদের চাঙড় খসে ঘুমন্ত অবস্থায় মৃত্যু হয়েছে ৪ মাসের শিশুকন্যার। মৃত শিশুটির মা শিবানী সোরেন কাটোয়া পুরসভার অধীনে একটি স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ল্যাব অ্যাসিস্ট্যান্ট হিসেবে কর্মরত এবং বাবা সানু বেসরা কেতুগ্রামের সীতাহাটি সরকারি স্বাস্থ্যকেন্দ্রের ফার্মাসিস্ট। কর্মসূত্রে এই কোয়ার্টারে থাকত এই পরিবার।
ঘুমন্ত অবস্থায় আচমকা শিশুটির মাথায় ভেঙে পড়ে ছাদের চাঙড়। পরিবারের বাকি সদস্যরা অল্পের জন্য রক্ষা পেলেও গুরুতর জখম হয় বাচ্চাটি। হাসপাতালে নিয়ে গেলে মৃত বলে ঘোষণা করা হয় তাকে। মৃত শিশুর পরিবারের অভিযোগ, কোয়ার্টারের বেহাল দশা নিয়ে একাধিকবার অভিযোগ জানালেও, মেরামতির কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।






















