Malda: মালদার মহিষবাথানিতে তৃণমূল থেকে কংগ্রেসে যােগ দিলেন শতাধিক কর্মী
Malda News: ঈশা খান চৌধুরী ও প্রদেশ কংগ্রেসের সহ সভাপতি তথা প্রাক্তন বিধায়ক ভূপেন্দ্রনাথ হালদারের হাত থেকে কংগ্রেসের পতাকা তুলে নেন যোগদানকারীরা। কর্মসূচিকে ঘিরে ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো।

অভিজিৎ চৌধুরী, মালদা: একসময় কংগ্রেসের শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত ছিল পুরনো মালদার মহিষবাথানি অঞ্চল। দীর্ঘদিন পর সেই এলাকায় ফের সংগঠন শক্তিশালী করার দাবি কংগ্রেসের। রবিবার মহিষবাথানী অঞ্চলের বলরামপুরে এক মেগা যোগদান কর্মসূচিতে তৃণমূল কংগ্রেসের ১৩ জন পঞ্চায়েত সদস্য, একজন পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য, সংশ্লিষ্ট অঞ্চলের তৃণমূল অঞ্চল সভাপতি, ব্লকের সহ সভাপতি সহ শতাধিক তৃণমূল কর্মী কংগ্রেসে যোগদান করেন। এদিন মালদা জেলা কংগ্রেসের সভাপতি ঈশা খান চৌধুরী ও প্রদেশ কংগ্রেসের সহ সভাপতি তথা প্রাক্তন বিধায়ক ভূপেন্দ্রনাথ হালদারের হাত থেকে কংগ্রেসের পতাকা তুলে নেন যোগদানকারীরা। কর্মসূচিকে ঘিরে ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো।
যোগদানের সময় উপস্থিত কংগ্রেস কর্মী-সমর্থকদের করতালিতে মুখরিত হয়ে ওঠে সভাস্থল। সভায় ঈশা খান চৌধুরী ও ভূপেন্দ্রনাথ হালদার ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন মানিকচকের প্রাক্তন বিধায়ক মোত্তাকিম আলম, পুরাতন মালদা ব্লক কংগ্রেস সভাপতি গোপাল সরকার, সংশ্লিষ্ট এলাকার কংগ্রেস নেতা উদয় মণ্ডল সহ অন্যান্য নেতৃত্ব।কংগ্রেস নেতৃত্বের দাবী, মহিষবাথানী একসময় কংগ্রেসের শক্ত ঘাঁটি ছিল। দীর্ঘদিন সেই সংগঠন হাতছাড়া থাকলেও এবার মানুষ ফের কংগ্রেসের সঙ্গে ফিরতে শুরু করেছেন। অন্যদিকে, তৃণমূল ছেড়ে কংগ্রেসে যোগ দেওয়া সারাফত আলী বলেন, বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে আঞ্চলিক দল হিসেবে তৃণমূলের পক্ষে বিজেপির বিরুদ্ধে কার্যকর লড়াই করা সম্ভব নয়। বিজেপির বিরুদ্ধে চোখে চোখ রেখে লড়াই করতেই কংগ্রেসের ছত্রছায়ায় এসেছেন বলে জানান তিনি।
মুর্শিদাবাদে কংগ্রেস কর্মীর ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছিল কিছুদিন আগে। যার ফলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয়েছিল সেই কংগ্রেস কর্মীর। মুর্শিদাবাদের ইসলামপুরে রাজনৈতিক বিবাদ ঘিরে হামলার অভিযোগ উঠেছিল। কংগ্রেস কর্মীর উপর হামলার অভিযোগ NCPI কর্মীদের বিরুদ্ধে মৃত কংগ্রেস কর্মীর নাম জিয়াউর রহমান পিন্টু। কংগ্রেস করার কারণে ওই ব্যক্তিকে হুমকি দেওয়া হচ্ছিল, অভিযোগ পরিবারের। কংগ্রেস কর্মীর মৃত্যুর খবর পেয়ে মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজে রানিনগরের বিধায়ক জুলফিকার আলি। কংগ্রেস কর্মীর মৃত্যুর পর এলাকায় উত্তেজনা, তদন্ত শুরু পুলিশের।
আর কিছুদিন পরেই নন্দীগ্রামে উপ নির্বাচন। তার আগে কংগ্রেস প্রার্থী নন্দীগ্রামের কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধানকে মনোনয়ন তুলে নিতে চাপ দিয়েছিল পুলিশ। চাঞ্চল্যকর অভিযোগ করেছিলেন প্রদেশ কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক শুভাশিস ভট্টাচার্য। তাঁর দাবি, ঘটনার দিন মিলন প্রধানের সঙ্গে তাঁকেও তুলে নিয়ে যায় পুলিশ। যদিও কংগ্রেসের তোলা মনোনয়ন প্রত্যাহারে চাপ দেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করেছে বিজেপি।
Before You Go
Suvendu Adhikari: "মোদিজির কথায় ডবল ইঞ্জিন মুখ্যমন্ত্রীর কথায় ট্রিপল ইঞ্জিন", কী বললেন মুখ্যমন্ত্রী?






















