Mamata Banerjee: 'বেতন নিয়ে ভাবতে হবে না, আপনারা স্কুলে ফিরুন, নিশ্চিন্তে ক্লাস করান', চাকরিহারাদের ফের বার্তা মমতার
Mamata Banerjee SSC Teachers Protest: এই প্রেক্ষাপটে এদিন মেদিনীপুর থেকে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ' শিক্ষক-শিক্ষিকারা কেন সারারাত বসে আছেন?'

কলকাতা: যোগ্যদের তালিকা না-মিললে ছাঁটাই করতে হবে অযোগ্যদের। তাহলেই চাল থেকে কাঁকর আলাদা হয়ে যাবে। SSC-কে এবার ডেডলাইন বেঁধে দিতে চলেছেন চাকরিহারা শিক্ষক-শিক্ষিকারা। গতকাল রাতটা রাজপথেই খোলা আকাশের নীচে কাটল আন্দোলনকারীদের। সল্টলেকে আচার্য সদনের সামনে অবস্থান চালিয়ে যাচ্ছেন চাকরি হারানো শিক্ষক-শিক্ষিকারা। বেলা যত গড়াচ্ছে ততই বাড়ছে আন্দোলনের ঝাঁঝ। রাতভর দফতরেই আটকে SSC-র চেয়ারম্যান সিদ্ধার্থ মজুমদার-সহ আধিকারিকরা।
এই প্রেক্ষাপটে এদিন মেদিনীপুর থেকে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ' শিক্ষক-শিক্ষিকারা কেন সারারাত বসে আছেন। আমরা রিভিউ পিটিশন করেছিলাম। আমি বলেছিলাম আমরা মাইনে পাবেন। আমরা চাকরি দিই, ওরা চাকরি খায়। যারা চাকরি খেয়েছে তাদের ভরসা করবেন না। গ্রুপ সি, ডি নিয়ে আমরা রিভিউ পিটিশন করব। আইনজীবীদের সঙ্গে পরামর্শ করতে দিন। আপনারা ফিরে যান, নিশ্চিন্তে ক্লাস করান। যারা উস্কানি দিচ্ছে তারা বেতন দেয় না, সরকার দেয়। আপনাদের বেতন নিয়ে ভাবতে হবে না। অবস্থানে অনড় রয়েছেন চাকরিহারারা। আমি কলকাতায় থাকলে সমস্যার সমাধান করে দিতাম'।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এও বলেন, 'আমি কাল রাত থেকে ১০ বার ফোন করেছি। আইনের ঊর্ধ্বে উঠে তোঁ কিছু করতে পারিনা কিন্তু আইনত কী করা যায় সেটার চেষ্টা করছি আমরা। আইন মেনে তো চলতে হবে। আমি চাইব না যে আমার রাজ্যে বেকার বাড়ুক। উত্তরপ্রদেশে ৬৯ হাজার চাকরি গেছে। ত্রিপুরায় ১০ হাজার লোকের চাকরি গেছে। কে যোগ্য, কে অযোগ্য আপনাদের দেখার বিষয় নয়।'
চাকরিহারাদের এও বক্তব্য যে, 'মুখের কথায় আর বিশ্বাস করব না। লিখিত দিন মুখ্যমন্ত্রী। নয়তো পথেই বসে চাকরি আদায় করব আমরা।'
এদিকে, ২১ ঘণ্টা পার, এসএসসি ভবন ঘেরাও চাকরিহারা শিক্ষকদের। রাত পেরিয়ে দিন, আচার্য সদনের সামনে টানা অবস্থানে শিক্ষকরা। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই মন্তব্যর প্রেক্ষিতে এদিন চাকরিহারাদের তরফে বলা হয়, 'যোগ্য অযোগ্য আমরা না দেখলে এই মামলা হাইকোর্ট সুপ্রিম কোর্ট অবধি কেন গেল? কেন আমাদের চাকরি গেল? কেন আমরা অযোগ্যদের সঙ্গে ক্লাস করব? আমরা কোনও উস্কানিতে আসিনি। আমাদের যোগ্যতায় চাকরি পেয়েছিলাম। আজ আমরা রাস্তায় বসেছি। সরকার টাকা দিচ্ছে অবশ্যই, কিন্তু সেই সরকারের জন্যই তো পথে বসলাম আমরা'।






















