Panchu On Sujit Bose: 'শুধু রাবার স্ট্যাম্প ছিলাম, সুজিতের হাতেই ছিল কন্ট্রোল' ! ED-র জিজ্ঞাসাবাদে চাঞ্চল্যকর দাবি পাঁচু রায়ের
Municipal Scam ED On Sujit Pachu: সুজিতের জেল হেফাজত চায় ED।

প্রকাশ সিন্হা,কলকাতা: 'শুধু রাবার স্ট্যাম্প ছিলাম, সুজিতের হাতেই ছিল কন্ট্রোল', জিজ্ঞাসাবাদে এমনই জানিয়েছেন পাঁচু রায়, দাবি ED-র। 'অধিকাংশ কাউন্সিলরই ছিলেন সুজিত বসুর লবির। তাই বাধ্য হয়েই অয়ন শীলের সংস্থাকে টেন্ডার। নিয়োগ প্রক্রিয়ায় কোনও বাইরের সংস্থাকে চাইনি। দঃ দমদম পুরসভায় দুর্নীতি নিয়ে দাবি তৎকালীন চেয়ারম্যানের', পুর-নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় কোর্টে চাঞ্চল্যকর দাবি ED-র। পুর নিয়োগে দুর্নীতির সময় দঃ দমদমের পুরপ্রধান ছিলেন পাঁচু রায়। পুর-দুর্নীতির সময় দঃ দমদমের ভাইস চেয়ারম্যান ছিলেন সুজিত বসু। আপাতত হেফাজত নয়, সুজিতের জেল হেফাজত চায় ED।
সুজিত বসু ও দক্ষিণ দমদম পুরসভার একাধিক কাউন্সিলরের যোগসাজশেই ওই পুরসভায় নিয়োগে দুর্নীতি হয়েছে। পুরসভার প্রাক্তন চেয়ারম্যান পাচু রায়ের বয়ান সামনে রেখে আদালতে এমনই দাবি করল ED.সুজিত বসু দক্ষিণ দমদম পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যান থাকাকালীন, সেখানকার চেয়ারম্যান ছিলেন পাচু রায়। এই দক্ষিণ দমদম পুরসভাতেই বেআইনিভাবে সবচেয়ে বেশি চাকরি দেওয়া হয়েছে বলে চার্জশিটে দাবি করেছিল CBI. কেন্দ্রীয় এজেন্সির দাবি, ২০১৪ সালের পর সেখানে ৩২৯ জনের নিয়োগ হয় টাকার বিনিময়ে।
দুর্নীতির মামলায় ইতিমধ্যেই ইডির হাতে গ্রেফতার হয়েছেন প্রাক্তন দমকল মন্ত্রী সুজিত বসু। সূত্রের দাবি, তাঁকে ও প্রাক্তন চেয়ারম্যান পাচু রায়কে মুখোমুখি বসিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করে ED, কেন্দ্রীয় এজেন্সি এদিন আদালতে জানায়, বয়ানে পাচু রায় জানিয়েছেন, তাঁর আপত্তি সত্ত্বেও বেসরকারি সংস্থার হাতে পুরসভার নিয়োগ প্রক্রিয়ার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল।তার জন্য সুজিত বসু, যিনি সেই সময় দক্ষিণ দমদম পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যান ছিলেন এবং কাউন্সিলরদের একটা বড় অংশ হাত মিলিয়েছিলেন।
ED-র দাবি, পাচু রায় জানিয়েছেন, তাঁর আপত্তি শোনা হয়নি। নিয়োগের পরীক্ষা স্বচ্ছ ভাবে হয়নি।সুজিত বসুর আইনজীবী সওয়াল করেন,এই গ্রেফতারি আইন মেনে হয়নি। এটা রাজনৈতিক প্রতিহিংসা।এই মামলায় CBI চার্জশিট, সাপ্লিমেন্টারি চার্জশিট জমা দিয়েছে। সেখানে দক্ষিণ দমদম পুরসভার তৎকালীন চেয়ারম্যান পাচু রায়, অয়ন শীল ও তাঁর সংস্থার নাম রয়েছে। চার্জশিটে কোথাও সুজিত বসুকে অভিযুক্ত বলে উল্লেখ করা হয়নি। ED তিন বছর পরে এই মামলায় গ্রেফতার করছে। এই গ্রেফতারি নিয়েই প্রশ্ন আছে।ED-র আইনজীবী বলেন, নিয়ম মেনেই গ্রেফতার করা হয়েছে সুজিত বসুকে। তাঁর পরিবারকে জানানো হয়েছে।রাজনৈতিক প্রতিহিংসা কেন বলা হচ্ছে? উনি এই অপরাধ থেকে লাভবান হয়েছেন। এখন তো বলার কোনও জায়গা নেই যে উনি শাসকপক্ষের। নির্দিষ্ট তথ্য প্রমাণের ভিত্তিতেই গ্রেফতার করা হয়েছে।























