Suvendu On Mamata: নেবেন না মমতার সরকারের সাহায্য, দিঘায় জগন্নাথ মন্দির উদ্বোধনের দিনই হিন্দু মন্দির সংস্কারের কাজ শুরু করবেন শুভেন্দু !
Suvendu On Jagannath Temple Inauguration: অক্ষয় তৃতীয়ার দিন দিঘায় জগন্নাথ মন্দির উদ্বোধন, ওই একইদিনে কী কর্মসূচি নেবেন বলে জানিয়েছেন শুভেন্দু ?

কলকাতা: অক্ষয় তৃতীয়ার দিন দিঘায় উদ্বোধন হতে চলেছে জগন্নাথ মন্দিরের। দিঘায় জগন্নাথ মন্দির উদ্বোধনের দিন মুর্শিদাবাদে হিন্দু মন্দির সংস্কারের কাজ শুরু করবেন শুভেন্দু অধিকারী।
এক্স হ্যান্ডলে বিরোধী দলনেতা লিখেছেন, 'অক্ষয় তৃতীয়ার দিন মুর্শিদাবাদ জেলার জেহাদিদের আক্রমণে ক্ষতিগ্রস্ত হিন্দু মন্দিরগুলির পুনর্নির্মাণ ও সংস্কার প্রক্রিয়া শুরু করব। বর্তমানে এই মন্দিরগুলি জেহাদিদের ঘৃণ্য, নিন্দনীয় এবং বর্বরোচিত আক্রমণের চিহ্ন বহন করছে। সমস্ত সনাতনী ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান যথাযথভাবে পালন করে শুদ্ধিকরণ এবং সংস্কার প্রক্রিয়া করা হবে। হিন্দু-বিরোধী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারের কাছ থেকে কোনও আর্থিক সাহায্য গ্রহণ করা হবে না। আমি পুনরায় বলছি, সমস্ত খরচ হিন্দুরা নিজেরাই বহন করবে। মুর্শিদাবাদের হিন্দুদের তাঁদের গ্রামের ও পাড়ার মন্দিরে পুজো অধিকার থেকে বঞ্চিত করা যাবে না। এই মন্দিরগুলি আমাদের তীর্থস্থানের মতোই গুরুত্বপূর্ণ', এক্স হ্যান্ডলে পোস্ট করেন শুভেন্দু অধিকারী।
আগামী বুধবার দিঘায় উদ্বোধন হতে চলেছে জগন্নাথ মন্দিরের। প্রবল জল্পনার মাঝে উদ্বোধনের ২ দিন আগেই আমন্ত্রণপত্র হাতে পেলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা। এক্স হ্যান্ডেলে ৫ প্রশ্নে ফের বিতর্ক উসকে দিলেন তিনি। তাঁর অভিযোগ, বুধবার হিনদু ছাড়া অন্য কেউ ক্যাম্পাসে ঢুকলে, তাঁর ছবি মার্ক করে সোশাল মিডিয়ায় ছাড়া হবে। সেই নিয়েও তুঙ্গে উঠেছে রাজনৈতিক তরজা। হাতে মাত্র আর ক'টা দিন। তার পরই, দিঘায় উদ্বোধন হতে চলেছে পুরীর আদলে তৈরি জগন্নাথ মন্দিরের। তার আগেই সেজে উঠেছে দিঘা, তুঙ্গে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি। প্রবল জল্পনার শেষে মন্দিরের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ পেলেন বিরোধী দলনেতা।হিডকোর ভাইস চেয়ারম্যান এইচ কে দ্বিবেদীর তরফে আমন্ত্রণপত্র পান শুভেন্দু অধিকারী। নিজেই এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করেন সেই চিঠি। তবে, এখানেও ৫ প্রশ্নবাণে বিতর্ক উস্কে দিয়েছেন বিরোধী দলনেতা। এক্স হ্যান্ডেলে তিনি লিখেছেন,
১. দিঘায় হিডকো-র সাংস্কৃতিক কেন্দ্র নাকি জগন্নাথ মন্দিরের উদ্বোধন হচ্ছে?
২. হিডকোর চেয়ারম্যান ফিরহাদ হাকিম থাকা সত্ত্বেও কেন আমন্ত্রণ পত্রে ছাপানো হল না তাঁর নাম? তবে কি হিন্দুদের ভুল বোঝাতে এই কাজ করা হয়েছে?
৩. ভবিষ্যতে এখানে ভক্তদের থেকে প্রাপ্য অনুদান কি মন্দিরের সম্পত্তি হিসেবে গণ্য হবে নাকি হিডকোর আয় হিসেবে রাজ্যের কোষাগারে ঢুকবে?
৪. আগামী দিনে কর্মী নিয়োগের দায়িত্ব কার হাতে থাকবে? অহিন্দুরাও কি সেখানে নিয়োগ পাবেন?
সেক্ষেত্রে, মন্দিরের পবিত্রতা বজায় থাকবে কী করে?
৫. একদিকে প্রচার করা হচ্ছে পুরীর জগন্নাথ ধামের আদলেই নাকি তৈরি করা হয়েছে দিঘার জগন্নাথ মন্দির।
সেক্ষেত্রে কি পুরীর নিয়মে, এখানেও হিন্দু ছাড়া বাকি ধর্মাবলম্বীদের প্রবেশে নিষেধা়জ্ঞা থাকবে?
এই সমস্ত প্রশ্নের উত্তর না দিলে এটাই প্রমাণিত হবে যে, রাজ্যের কোটি কোটি হিনদুকে প্রতারণা করছে সরকার। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বলেন যে,'পুরীর জগন্নাথ মন্দিরের গেটে লেখা আছে, হিন্দু ছাড়া সকলের প্রবেশ নিষেধ। বুধবার যদি হিনদু ছাড়া অন্য কেউ ক্যাম্পাসে ঢোকে, তাঁর ছবি মার্ক করে আমি ছাড়ব সোশাল মিডিয়ায়। সে প্রেস মিডিয়া হতে পারে, সে সিকিউরিটি হতে পারে, সরকারি আমলা হতে পারে, মন্ত্রী-নেতা হতে পারে। যাদেরকে ডেকেছে তাঁরা কিন্তু সাবধান।'
(খবরটি সম্প্রতি ব্রেক করা হয়েছে। বিস্তারিত কিছুক্ষণ পরই দেওয়া হচ্ছে। একটু পরে রিফ্রেশ করুন। জেলা থেকে শহর, দেশ, বিদেশ, বিনোদন থেকে খেলা, বিজ্ঞান থেকে প্রযুক্তি সহ অন্যান্য সমস্ত খবরের আপডেটের জন্য দেখতে থাকুন এবিপি আনন্দ ও এবিপি লাইভ)






















