PM Modi: প্রধানমন্ত্রীর কুরুচিকর ছবি প্রদর্শনের অভিযোগে গ্রেফতার ছেলে, "সমর্থন করি না..দরকারে পা ধরে ক্ষমা চাইবো", ছলছল চোখে বললেন বাবা
NEET CJP Protest Father Reaction On Son Arrest: প্রধানমন্ত্রীর কুরুচিকর ছবি প্রদর্শনের অভিযোগে গ্রেফতার বারাসাতের বাসিন্দা, ছেলের গ্রেফতারিতে ভেঙে পড়লেন বাবা, সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে যা বললেন..

উত্তর ২৪ পরগনা: প্রধানমন্ত্রীর কুরুচিকর ছবি প্রদর্শনের অভিযোগে, বারাসাতের বাদুর বাসিন্দা সৌমিক চট্টোপাধ্যায়কে গ্রেফতার করা হয়েছে। ইতিমধ্যেই সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে ছেলের হয়ে ক্ষমা চেয়েছেন সৌমিকের বাবা।
আরও পড়ুন, "পড়ুয়াদের বিরুদ্ধে ছররা গুলি, প্রাণঘাতী বলপ্রয়োগের অনুমোদন দিয়েছিলেন ?" শাহকে চিঠি রাহুলের
অভিযুক্ত সৌমিক চট্টোপাধ্যায়ের বাবা সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে জানিয়েছেন, আমার ছেলে অত্যন্ত আপত্তিকর একটা পোস্ট করে ফেলেছে। কেন করেছে ?! আমার ফ্যামিলিতে এই জিনিস কখনও আশা করিনি। ভীষণ দুভার্গ্যজনক। কিন্তু যে পোস্টটা করেছে অত্যন্ত আপত্তিকর। আমাদের দেশের সর্বময় কর্তা, অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ টপ যিনি, তার ..এতে আমি কোনওভাবেই বা আমার পরিবারের কেউ সমর্থন করি না। এখন আইনের হাতে গিয়েছে। আইনের উপর আমার যথেষ্ট ভরসা আছে। আইন ঠিক যেভাবে ব্যবস্থা করবে, আমরা মেনে নেব। আর আমি সমস্ত মানুষের কাছে হাতজোড় করে, দরকার হলে পা ধরে ক্ষমা চাইবো। যেটা করেছে, অত্যন্ত অন্যায়।’
প্রসঙ্গত, গ্রেফতারির পর সামনে আসছে তাঁর একের পর এক ছবি আর রিলস্ ভিডিও। যার একটিতে দেখা যাচ্ছে মেটিয়াবুরুজের তৃণমূল বিধায়ক আব্দুল খালেক মোল্লার নির্বাচনী প্রচারের গাড়িতে উত্তরীয় পরে দাঁড়িয়ে আফরোজ।মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেন,তৃণমূল কংগ্রেস তো জামাতিদের পার্টি, সবাই জানে। তাতে জামাতিদের সঙ্গে যোগ থাকবে, এটা স্বাভাবিক।'যদিও ধৃত আফরোজকে তিনি চেনেন না বলে দাবি করেছেন মেটিয়াবুরুজের বিধায়ক। মেটিয়াবুরুজ বিধায়ক আব্দুল খালেক মোল্লা বলেন, ইলেকশনের সময় অনেকেই হয়তো থাকতে পারে, তার জন্য তো কোনও ব্যাপার নয়। আমার মিটিং থাকলে যে কোনও লোক পাশে থাকতে পারে, আমি তো কাউকে সরিয়ে দিতে পারব না। আমি ওকে (আফরোজ) চিনি না। ওতো (আফরোজ) তৃণমূলের কোনও অ্যাক্টিভ ওয়ার্কার তো নয় এমনি হয়তো সাপোর্টার হতে পারে।
শনিবার বিধানসভায় মুখ্যমন্ত্রীর মুখে শোনা যায় এই আফরোজের নাম। বিধানসভায় মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেন, ৪ জন কুখ্যাত লোকের নাম আমি এখানে বলছি। যাদেরকে আমরা ছাড়ব না। রাজাবাগানের আফরোজ, খিদিরপুরের নাহিদ, একবালপুরের তানভির আর নিজাম, ওয়াটগঞ্জের রাহুল জামাল। বেলেঘাটার বিধায়ক কুণাল ঘোষ বলেন, ভাল তৃণমূলের ভাল ছেলে, ভাল নেতার সঙ্গে দেখা যাচ্ছে, আমাদের ঘাড়ে চাপাচ্ছেন কেন? তাঁরা তো বালিশপন্থী। ওটা তো বালিশদের লোকজন। বালিশদের লোকজন যদি গিয়ে সাংবাদিকদের পিটিয়ে থাকে অত্যন্ত অন্যায় কাজ আমরা পরিষ্কারভাবে বলছি। কিন্তু দয়া করে ওটা, আমাদের ঘাড়ে চাপাবেন না।






















