Nicco Park Accident: পায়ে ক্ষত, ওয়াটার রাইডে হঠাৎ সংজ্ঞাহীন! নিক্কো পার্কে রহস্যমৃত্যু যুবকের
Nicco Park Accident: বিনোদন পার্কে বীভৎস ঘটনা! বন্ধুর জন্মদিনে নিক্কো পার্কে বেড়াতে গিয়ে, রহস্য়জনকভাবে প্রাণই চলে গেল এক যুবকের!

কলকাতা: নিক্কো পার্কে ফের দুর্ঘটনা। বন্ধুর জন্মদিনের আনন্দ বদলে গেল বিষাদে। ওয়াটার রাইডে হঠাৎ সংজ্ঞাহীন হয়ে পড়লেন যুবক, হাসপাতালে নিয়ে গেলে মৃত ঘোষণা করলেন চিকিৎসকরা। কীভাবে দুর্ঘটনা, কীভাবে মৃত্যু, খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। পার্ক কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে গাফিলতির অভিযোগ করেছেন মৃতের বাবা। অভিযোগ অস্বীকার করেছে কর্তৃপক্ষ।
বিনোদন পার্কে বীভৎস ঘটনা! বন্ধুর জন্মদিনে নিক্কো পার্কে বেড়াতে গিয়ে, রহস্য়জনকভাবে প্রাণই চলে গেল এক যুবকের! সিসিটিভি ফুটেজে ধরা পড়েছে সেই মুহূর্তের ভয়াবহ ছবি! বুধবার দুপুর ১টা ০৯। দেখা যায় চ্যাংদোলা করে এক যুবককে জল থেকে তুলে আনছেন কয়েকজন। CPR দিতে শুরু করেন এক তরুণী। কিছুক্ষণ পর হুইল চেয়ার নিয়ে দৌড়ে এলেন এক কর্মী। পরে অ্যামবুল্য়ান্সে করে সংজ্ঞাহীন যুবককে নিয়ে যাওয়া হয় দ্য় ক্য়ালকাটা হার্ট ক্লিনিকে। কিন্তু, ততক্ষণে সব শেষ! যুবককে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা। মৃত যুবকের নাম, রাহুল দাস। বয়স ১৮। BBA পড়ুয়া রাহুল থাকতেন বাগুইআটিতে।
ঘটনাটি ঘটে দুপুর ১ নাগাদ নিক্কো পার্কের 'নায়াগ্রা ফলসে'র কাছে। পুলিশ সূত্রে খবর, নিক্কো পার্কে নায়াগ্রা ফলসের নীচে দাঁড়িয়ে স্নানের সময় হঠাৎ সংজ্ঞাহীন হয়ে যান তিনি। এই ঘটনার জন্য নিক্কোপার্ক কর্তৃপক্ষকে কাঠগড়ায় তুলেছেন মৃত ছাত্রের বাবা। তাঁর মতে, 'এটা কর্তৃপক্ষের গাফিলতির জন্যই হয়েছে। যিনি সিপিআর দেওয়ার চেষ্টা করছিলেন, তিনি আমার ছেলের বন্ধু হতে পারেন। স্পষ্ট নয়। কিন্তু তারপরে ওর বন্ধুরাই আমায় বলেছে, 'আঙ্কল, ওরা আমাদের ছুঁতে দিচ্ছে না। আমরা অনেকক্ষণ ধরে হেল্প হেল্প করেছি। ওরা অনেকক্ষণ ধরে ফেলে রেখেছিল। তারপরে যখন স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যায়, সেখানেও কোনও অক্সিজেন সাপোর্ট ছিল না। ওরা বলছে, আমার ছেলে নাকি গুরুতর অসুস্থ ছিল। আমার ছেলে যদি অসুস্থ থাকে, তাহলে সে কীভাবে প্রতিদিন ২ থেকে আড়াই ঘণ্টা জিম করত? এখান থেকে কাঁকুড়গাছি হেঁটে যাতায়াত করত। ডায়েট মেনে নিজের খাবার নিজে তৈরি করে খেত। শারীরিকভাবে যথেষ্ট ফিট ছিল ও।' নিহত যুবকের বাবার অভিযোগ, যুবকের বন্ধুরা বহুবার সাহায্য চাইলেও, কোনও সাহায্য পায়নি। স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ডাক্তার ছিল না। জলে কোনও বাউন্সার ছিল না যে জল থেকে তুলে নিতে পারত। নিহত যুবকের বাবা বলছেন, 'আমি থানায় FIR করব। ময়নাতদন্ত না হলে কিছু বোঝা যাবে না। তবে আমি গিয়ে দেখি আমার ছেলের শরীর নীল হয়ে গিয়েছে। আমি চিনতে পারছি না আমার ছেলেকে। চা আর ডিমের পোচ খেয়ে বাড়ি থেকে বেরিয়েছিল। আমি এই ঘটনার পূর্ণ তদন্ত চাই। সব জায়গায় যাব।'
যদিও গাফিলতির অভিযোগ অস্বীকার করেছেন নিক্কো পার্কের ম্যানেজিং ডিরেক্টর। পুলিশ সূত্রে খবর, মৃতের পায়ে একটি ক্ষত ছিল। কীভাবে পুরো ঘটনা ঘটল, মৃতের পায়ের ক্ষত কী করে হল, তা জানতে বন্ধুদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু করেছে বিধাননগর দক্ষিণ থানার পুলিশ। খতিয়ে দেখা হচ্ছে সিসি ক্যামেরার ফুটেজ।






















