Youth Died: ইছাপুরে পার্কিং-বিবাদ জেরে বচসার জেরে খুন যুবক !
North 24 Pargana News: মারধরের পর আহত যুবককে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়, সেখানেই তাঁর মৃত্যু হয়। ব্যারাকপুর হাসপাতালে আহত যুকের মৃত্যু হয়েছে বলে খবর।

সমীরণ পাল, উত্তর ২৪ পরগনা : ইছাপুরে পার্কিং-বিবাদ ঘিরে বচসার জেরে খুন। খুন করা হয়েছে স্থানীয় যুবক দিলীপ দাসকে। খাবার খেতে এসে গন্ডগোলে জড়িয়ে পড়ে যুবক, খুন করা হয় তাঁকে, অভিযোগ স্থানীয় বাসিন্দাদের। মারধরের পর আহত যুবককে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়, সেখানেই তাঁর মৃত্যু হয়। ব্যারাকপুর হাসপাতালে আহত যুকের মৃত্যু হয়েছে বলে খবর। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। এ হেন মর্মান্তিক ঘটনায় শোকস্তব্ধ এলাকাবাসী। সামান্য বচসা থেকে যে এভাবে কারও মৃত্যু হতে পারে, তা দুঃস্বপ্নেও কল্পনা করেননি কেউ।
বৃহস্পতিবার সাতসকালে মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে গিয়েছে ইছাপুরে। জানা গিয়েছে, স্থানীয় বাসিন্দা সৌভিক রায়ের বাড়ির সামনে গাড়ি দাঁড় করিয়ে কচুরি খেতে গিয়েছিলেন স্থানীয় যুবক দিলীপ দাস। বাড়ির সামনে গাড়ি দেখেই মেজাজ হারান সৌরভ। শুরু হয় তুমুল বচসা। অভিযোগ, দিলীপের গাড়িতে ভাঙচুর করেন সৌরভ। সেই সময় ছুটে আসেন দিলীপ। জিজ্ঞেস করেন কেন তাঁর গাড়িতে এভাবে ভাঙচুর করা হল। সেই সময়েই দিলীপকে মারধর করতে শুরু করেন সৌরভ। অভিযোগ, রাস্তায় ড্রেনের পাশে ফেলে বেধড়ক মারধর করা হয় দিলীপকে। চলতে থাকে, কিল, চড়, লাথি, ঘুষি। রক্তাক্ত অবস্থায় কোনও ভাবে দিলীপকে উদ্ধার করে স্থানীয় পুরসভার হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখান থেকে গুরুতর জখম দিলীপকে স্থানান্তর করা হয় ব্যারাকপুর হাসপাতালে। সেখানেই মৃত্যু হয় তাঁর। খাবার খেতে এসে একজনের বাড়ির সামনে গাড়ি রেখেছিলেন দিলীপ। তাই নিয়েই শুরু হয় পার্কিং সংক্রান্ত সমস্যা। আর এই বচসা, বিবাদের মাঝে দিলীপ নামের ওই যুবককে পিটিয়ে মেরে ফেলার মতো গুরুতর অভিযোগ উঠেছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, এই সৌরভ রায় এর আগেও অনেকের সঙ্গেই এরকম খারাপ ব্যবহার করেছেন। তাঁর বাড়ির সামনে কেউ গাড়ি রাখলেই চূড়ান্ত দুর্ব্যবহার করেন তিনি। ইতিমধ্যেই অভিযুক্ত সৌরভকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তাঁর উপযুক্ত শাস্তির দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা। এলাকাবাসীর অনেকে এও অভিযোগ জানিয়েছেন যে, আজ সৌরভের পাশাপাশি তাঁর ভাই এবং বোনও আক্রমণ করে দিলীপের উপর। তাঁরাও দিলীপকে মারধর করেন। বারংবার সৌরভ রায়ের এ হেন উদ্ধত আচরণের জন্য তাঁর উপযুক্ত শাস্তি পাওয়া উচিত বলে মনে করছেন স্থানীয়রা। ক্ষোভে ফুঁসছে এলাকাবাসী। অভিযুক্তের কড়া শাস্তির দাবি জানিয়েছেন সকলে। জোরকদমে ঘটনার তদন্ত করছে পুলিশ।






















