Dakshineswar News: দক্ষিণেশ্বরে এবার ঠাকুর-দর্শন, গড়ে উঠছে শ্রীরামকৃষ্ণ মন্দির, ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন স্বামী স্মরণানন্দ
Sri Ramakrishna Temple: যে দক্ষিণেশ্বর মন্দিরে সাধন জীবনের প্রায় ৩০ বছর কাটিয়েছেন শ্রীরামকৃষ্ণ, এবার তার পাশেই রামকৃষ্ণ মঠের নতুন শাখা তৈরি হল।

সঞ্চয়ন মিত্র, কলকাতা: মায়ের দর্শন পেতে বছরের পর বছর ধরে দলে দলে ছুটে যান পুণ্যার্থীরা। দক্ষিণেশ্বরে এবার বাড়তি আকর্ষণ যোগ হচ্ছে। সেখানে দক্ষিণেশ্বরে গড়ে তোলা হবে শ্রীরামকৃষ্ণ মন্দির, বুধবার তার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশনের অধ্যক্ষ স্বামী স্মরণানন্দ। এদিনের অনুষ্ঠানের সাক্ষী হতে সকাল থেকে জড়ো হয়েছিলেন অসংখ্য ভক্ত। তাঁদের উপস্থিতিতেই ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপিত হল।
শ্রীরামকৃষ্ণ মন্দিরের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশনের অধ্যক্ষ স্বামী স্মরণানন্দ
কলকাতায় শ্রীরামকৃষ্ণ ও স্বামী বিবেকানন্দর স্মৃতিধন্য বিভিন্ন স্থান রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশনের হাতে এলেও, এতদিন শ্রীরামকৃষ্ণের কর্মভূমি দক্ষিণেশ্বরে তাদের কোনও শাখা ছিল না। এবার সেই খামতি মিটতে চলেছে। বুধবার তার সূচনা ঘটল শ্রীরামকৃষ্ণ মন্দিরের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের মাধ্যমে। এখন থেকেই তাকে ঘিরে আবেগে ভাসছেন ভক্তজনেরা।
যে দক্ষিণেশ্বর মন্দিরে সাধন জীবনের প্রায় ৩০ বছর কাটিয়েছেন শ্রীরামকৃষ্ণ, এবার তার পাশেই রামকৃষ্ণ মঠের নতুন শাখা তৈরি হল। এদেশে এটি রামকৃষ্ণ মঠের ২৭৩ তম শাখা কেন্দ্র। আগামী দিনে এখানেই গড়ে উঠবে শ্রীরামকৃষ্ণ মন্দির। বুধবার তার ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করলেন রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশনের অধ্যক্ষ স্বামী স্মরণানন্দ।
আরও পড়ুন: Mamata Banerjee: দুবাই বিমানবন্দরে হঠাৎ সাক্ষাৎ মমতা-রনিলের! পেলেন আমন্ত্রণও
এদিনের অনুষ্ঠানের সাক্ষী থাকতে সমবেত হয়েছিলেন বহু ভক্ত। সকালে বিশেষ পুজোর পর ছিল ধর্মসভা। এদিন রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশনের সাধারণ সম্পাদক স্বামী সুবীরানন্দ জানান, দক্ষিণেশ্বরের পাশাপাশি আলমবাজার মঠও অধিক গ্রহণ করেছে বেলুড় মঠ কর্তৃপক্ষ। এর ফলে রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশন গড়ে ওঠার যাত্রাপথের একটি বৃত্ত সম্পন্ন হল।
সাধারণ মানুষকে খোঁজ দিয়েছিলেন চৈতন্যলোকের, ঠাকুরের দর্শন পেতে ভিড় উপচে পড়ত সেই সময়েও
দাদা রামকুমার চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে কলকাতায় আগমন গদাধর চট্টোপাধ্যায়ের। দাদার সূত্রেই দক্ষিণেশ্বরে পৌরোহিত্যের কাজে যুক্ত হন তিনি। কিন্তিু শুধুমাত্র পুরোহিত হয়ে থাকেননি তিনি। তার পর শ্রীরামকৃষ্ণ পরমহংস হয়ে ওঠেন। অন্য ধর্মকে বুঝতে, জানতে কোনও ত্রুটি রাখেননি। অন্য ধর্মের প্রতি শ্রদ্ধা, উদার মানসিকতা নিহিত ছিল তাঁর ভাবনায়। সাধারণ মানুষকে চৈতন্যলোকের খোঁজ দিয়েছিলেন তিনি। শুধুমাত্র নিজের মুক্তি নয়, জগতের মুক্তির কথা শোনা যেত তাঁর মুখে। তাঁর কাছে ধর্ম ছিল একান্তই অন্তরের বিষয়। তাই শ্রীরামকৃষ্ণের তাঁর দর্শন পেতেও ভিড় উপচে পড়ত দক্ষিণেশ্বরে।
Before You Go
Taratala Incident : যে জমিতে গোডাউনের শেড ভেঙে পড়েছে, সেই জমি লিজ নিয়েছিল বেহেরা ব্রাদার্স, যা বললেন মুখ্যমন্ত্রী...






















