Lakshmir Bhandar : তিন মাস ধরে বন্ধ লক্ষ্মীর ভাণ্ডার! ঝান্ডা হাতে পথে হাজার হাজার মহিলা, সঙ্গে ঝাঁটা
বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর গড় পূর্ব মেদিনীপুরেই উঠল অভিযোগ। একেবারে ঝাঁটা, পতাকা হাতে নিয়ে প্রতিবাদে নামলেন মহিলারা। ভোটের আগে আবারও বিজেপির হাতিয়ার লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্প?

মহিলা ভোট টানতে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মাস্টারস্ট্রোক বলা হয় লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পকে। ২০২১ সালে বাংলার মেয়েদের জন্য লক্ষ্মীর ভান্ডার প্রকল্প শুরু করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিশেষজ্ঞরা অনেকেই মনে করেন, এই প্রকল্পই মহিলা ভোটারদের চুম্বক টানে টেনেছে ঘাসফুলের দিকে। অথচ সেই প্রকল্পের সুবিধা নাকি পাচ্ছেন না বহু মহিলা। আর তা রাজনৈতিক কারণে ! আগেই দাবি করেছিল বিজেপি। ছাব্বিশের ভোটের আগে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার নিয়ে আমার-ওরার অভিযোগ করল বিজেপি। বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর গড় পূর্ব মেদিনীপুরেই উঠল অভিযোগ। একেবারে ঝাঁটা, পতাকা হাতে নিয়ে প্রতিবাদে নামলেন মহিলারা।
অভিযোগ, ময়নায় বিজেপি পরিচালিত দুই গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পের টাকা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পে জেনারেল কাস্টের মহিলারা পান মাসিক ১ হাজার টাকা করে। তফশিলি জাতি এবং জনজাতি শ্রেণির মহিলারা এখন পান ১ হাজার ২০০ টাকা। ২০২৬ এর বিধানসভা ভোটের আগে 'লক্ষ্মীর ভাণ্ডার'-এ 'আমরা-ওরা' করার অভিযোগ তুলল শুভেন্দু অধিকারীর দল। পূর্ব মেদিনীপুরের ময়না লক্ষ্মীর ভাণ্ডারে বঞ্চনার অভিযোগে রণক্ষেত্রের আকার নিল। বিজেপি পরিচালিত পঞ্চায়েতে মিলছে না লক্ষ্মীর ভাণ্ডার, অভিযোগ বিজেপির।
ময়নায় বিজেপি পরিচালিত বাকচা ও গজিনা গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার মহিলারা লক্ষ্মীর ভান্ডারের টাকা পাচ্ছিলেন না বলে অভিযোগ। মঙ্গলবার বাকচা-গজিনা গ্রাম পঞ্চায়েতের মহিলারা বঞ্চিত করার অভিযোগে বিক্ষোভ দেখায়। সঙ্গে বিজেপি নেতাকর্মীরাও বিডিও অফিস ঘেরাও করে বিক্ষোভ দেখায় হাতে ঝাঁটা নিয়ে। বিডিও অফিস চত্বরে ঢুকতে গেলে পুলিশ বাধা দিলে দুই পক্ষের মধ্যে ঠেলাঠেলি, ধস্তাধস্তি শুরু হয়ে যায়। মহিলাদের কারও হাতে ছিল ঝাঁটা, কারও হাতে ঝান্ডা।
তৃণমূলের হিট প্রকল্পগুলোর মধ্যে প্রথম সারিতেই আসবে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার। রাজনৈতিক কারণেই এই বঞ্চনা বলে অভিযোগ করছে বিজেপি। গত পঞ্চায়েত নির্বাচনে ময়নার বাকচা এবং গোজিনা গ্রাম পঞ্চায়েত দখল করে বিজেপি। অভিযোগ, গত বেশ কয়েক মাস ধরে প্রায় ৯ হাজার মহিলা লক্ষ্মীর ভাণ্ডার থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন বলে দাবি করেন স্থানীয় বাসিন্দারা। বারবার প্রশাসনকে জানিয়েও কোন সুরাহা হয়নি বলে অভিযোগ।
বিশেষজ্ঞরা বলেন, গত বিধানসভা নির্বাচন থেকে পঞ্চায়েত ভোট, তৃণমূলের ঝুলি ভরিয়ে দিয়েছিল এই প্রকল্প। গত লোকসভা ভোটে মা লক্ষ্মীদের ভোট পেতেও যথেষ্ট সাহায্য করে এই প্রকল্প। এবারও ভোটের আগে লক্ষ্মীর ভান্ডার নিয়ে তুঙ্গে তরজা।






















