Durgapur Incident: 'ওর শারীরিক-মানসিক স্বাস্থ্য খুবই সঙ্কটজনক', দুর্গাপুরের নির্যাতিতাকে দেখে বেরিয়ে মমতাকে তুলোধনা ওড়িশার বিজেপি সাংসদের
Paschim Burdwan News: দুর্গাপুর 'গণধর্ষণ'-কাণ্ডে তোলপাড় রাজ্য। প্রতিবাদে সরব হয়েছে বিরোধীরা। ঘটনার চার দিন পরেও এনিয়ে তুঙ্গে চাপানউতোর জারি রয়েছে।

- বিজেপি সাংসদ প্রতাপ ষড়ঙ্গী নির্যাতিতাকে দেখে মমতার মন্তব্যের সমালোচনা করেন।
- তিনি জানান, নির্যাতিতা অনুমতি নিয়েই রাতে হাসপাতালে গিয়েছিলেন।
- মুখ্যমন্ত্রী অপরাধীকে বাঁচাতে বা সত্যি লুকাতে মিথ্যা বলছেন।
- দুর্গাপুর গণধর্ষণকাণ্ডে বিজেপি প্রতিনিধি দল নির্যাতিতার সঙ্গে দেখা করতে আসে।
দুর্গাপুর : দুর্গাপুরে IQ সিটি হাসপাতালে নির্যাতিতাকে দেখে বেরোলেন ওড়িশার বালেশ্বরের বিজেপি সাংসদ প্রতাপ ষড়ঙ্গী। সেখানে থেকে বেরিয়ে নিশানা করলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। প্রশ্ন তুললেন, "এ ধরনের দায়িত্বজ্ঞানহীন মন্তব্য কোনও মুখ্যমন্ত্রীর কাছে আশা করা যায় কি ?" জানালেন নির্যাতিতার শারীরিক পরিস্থিতির কথাও। বিজেপি সাংসদ বলেন, "বিষয়টি খুব অযত্নে দেখেছেন মমতাদিদি। উনি বলছেন রাতে কেন গেছে ? সাড়ে ১২টায় কেন গেছে ? সাড়ে ১২টায় কই বেরিয়েছে ? আমি তো হাসপাতালে জিজ্ঞাসা করলাম। মেডিক্যাল সুপারিনটেন্ডেন্ট বললেন, ৮টা নাগাদ গিয়েছিল। ১০টা পর্যন্ত বাইরে আসা-যাওয়ার অনুমতি আছে। অর্থাৎ, অনুমতি থাকা সময়ের মধ্যেই গিয়েছিল। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মিথ্যা বলার কী কারণ ? অপরাধীকে সুরক্ষা দেওয়ার জন্য ? সত্যি লুকানোর জন্য ? কয়েক মাস আগে আর জি কর হাসপাতালে এক মহিলা চিকিৎসককে ধর্ষণ করে খুন করে দেওয়া হয়েছিল। এখন এই মেয়েটিকে চার-পাঁচজন বদমাস ধর্ষণ করে, ওকে মেরে দিতে পারত। এখন ওর শারীরিক-মানসিক স্বাস্থ্য খুবই সঙ্কটজনক। এই ধরনের ঘটনার যত নিন্দা করা যায় ততই কম হবে। এটা অত্যন্ত ঘৃণ্য, নিন্দনীয়, জঘন্য, পৈশাচিক ঘটনা। এতে মমতাদিদির রক্ত গরম হয়ে যাওয়া উচিত ছিল। কিন্তু, উনি এত অসতর্কভাবে বলে দিলেন, রাতে কেন গিয়েছিল ? ওড়িশায় তো এমন হয়। এ ধরনের দায়িত্বজ্ঞানহীন মন্তব্য কোনও মুখ্যমন্ত্রীর কাছে আশা করা যায় কি ?" BJP MP Pratap Chandra Sarangi
দুর্গাপুর 'গণধর্ষণ'-কাণ্ডে তোলপাড় রাজ্য। প্রতিবাদে সরব হয়েছে বিরোধীরা। ঘটনার চার দিন পরেও এনিয়ে তুঙ্গে চাপানউতোর জারি রয়েছে। ওড়িশার মহিলা কমিশনের পর আজ দুর্গাপুরে নির্যাতিতার সঙ্গে দেখা করতে আসে বালেশ্বরের বিজেপি সাংসদ প্রতাপ ষড়ঙ্গী-সহ বিজেপির একটি প্রতিনিধি দল। কিন্তু, IQ সিটি হাসপাতালে ঢোকার মুখে গেটেই ব্যারিকেড করে আটকে দেওয়া হয় তাঁদের। ওড়িশা থেকে হাসপাতালে নির্যাতিতার সঙ্গে দেখা করতে আসেন বিজেপির প্রায় ৩৫ জনের প্রতিনিধি দল। তাতে বালেশ্বরের সাংসদ ছাড়াও, মহিলা মোর্চার সদস্য-সহ অন্য প্রতিনিধিরা ছিলেন। কিন্তু, নির্যাতিতার সঙ্গে বিজেপি সাংসদকে দেখা করতে বাধা দেওয়ার অভিযোগ ওঠে প্রাথমিকভাবে। তাঁদের হাসপাতালে ঢুকতে না দেওয়ায় সেখানে নিরাপত্তাকর্মীদের সঙ্গে তর্কাতর্কি, ধস্তাধস্তি শুরু হয়ে যায় প্রতিনিধি দলের সদস্যদের। তীব্র উত্তেজনা ছড়ায়। দীর্ঘ টানাপোড়েনের পর সাংসদ-সহ ১০ জনকে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয় হাসপাতালের তরফে।






















