Operation Sindoor: শত্রুপক্ষ অসৎ মনোভাব দেখালে, ভারতীয় সেনা সবসময় যোগ্য জবাব দেবে', বলছেন শহিদ জওয়ান ঝন্টু আলি শেখের দাদা
Pahalgam Incident: 'আমি গর্বিত যে ভারতীয় সেনা আমার ভাইয়ের বদলা নিয়েছে, পর্যটকদের বদলা নিয়েছে। আমি খুবই খুশি', বলছেন শহিদ জওয়ান ঝন্টু আলি শেখের দাদা।

Operation Sindoor: পহেলগাঁওয়ে জঙ্গি হামলার পরই হামলাকারীদের খোঁজে তল্লাশি অভিযান শুরু করেছিল। আর সেই সেনা অভিযানেই জম্মু-কাশ্মীরের উধমপুর জেলায় জঙ্গিদের গুলিতে শহিদ হন প্যারা কমান্ডো ঝন্টু আলি শেখ। নদিয়ার তেহট্টের বাসিন্দা তিনি। তাঁর দাদাও সেনাবাহিনীতে কর্মরত। দাদার কাঁধেই কফিনে চড়ে গ্রামের বাড়িতে ফিরেছিলেন শহিদ জওয়ান। তাঁর মৃত্যু যাতে বৃথা না যায়, সেই দাবি তুলেছিলেন ঝন্টু আলি শেখের পরিবারের পাশাপাশি সাধারণ মানুষও। অবশেষে ভারত প্রত্যাঘাতের মাধ্যমে জবাব দিয়েছে। শহিদ জওয়ানের দাদা, যিনি নিজেও সেনাবাহিনীর একজন জওয়ান, তিনি জানিয়েছেন, ভারত সরকার এবং সেনাবাহিনীর প্রতি তিনি গর্বিত। ভারত যে বদলা নেবে এই আশা ছিল তাঁর। ভাইয়ের মৃত্যু যে বৃথা যায়নি, সেই কথাও বলেছেন তিনি। পাকিস্তানের মাটিতে ভারতের প্রত্যাঘাতের ঘটনায় খুশি বলেও জানিয়েছেন তিনি। বলেছেন, 'লড়াই কেউ চায় না। আমিও চাই না। চাই সবাই শান্তিতে থাকুক। কিন্তু শত্রুরা যখনই এরকম অসৎ মনোভাব দেখাবে, ভারতীয় সেনাবাহিনী তার যোগ্য জবাব দেবে। ভারতীয় সেনার উপর আস্থা রাখুন। সেনা ২৪ ঘণ্টা প্রস্তুত। আমি গর্বিত যে ভারতীয় সেনা আমার ভাইয়ের বদলা নিয়েছে, পর্যটকদের বদলা নিয়েছে। আমি খুবই খুশি। ভবিষ্যতেও ভারতীয় সেনাবাহিনী বদলা নেবে।'
পহেলগাঁও হামলার পর জঙ্গিদের খোঁজে অভিযানের সময় জম্মু ও কাশ্মীরের উধমপুর জেলায় সেনা-জঙ্গি গুলির লড়াইয়ে নিহত হন বাংলার জওয়ান। শহিদ সেনা জওয়ান কর্তব্যরত ছিলেন প্যারা-কমান্ডো পদে। তাঁর বয়স হয়েছিল ৩৭ বছর। মৃতের বাড়ি নদিয়ার তেহট্টের পাথরঘাটায়। জঙ্গিদের সঙ্গে গুলির লড়াইয়ে মৃত্যু হয় তাঁর। ১৪ বছর আগে সেনাবাহিনীতে যোগ দেন তিনি। দে়ড় বছর আগে তাঁর পোস্টিং হয় কাশ্মীরে।
গত ২২ এপ্রিল পহেলগাঁওয়ের কাছে বৈসারন উপত্যকায় নারকীয় হত্যালীলা চালিয়েছে জঙ্গিরা। 'মিনি সুইৎজারল্যান্ড' নামে পরিচিত পর্যটকদের 'মাস্ট ভিজিট' এই জায়গায় সাধারণ পর্যটকদের উপর অবাধে গুলি চালিয়েছে জঙ্গিরা। বেছে বেছে হিন্দু পুরুষদের গুলি করে মারা হয়েছে। পর্যটকদের বাঁচাতে গিয়ে জঙ্গিদের গুলিতে ঝাঁঝরা হয়েছেন এক স্থানীয় টাট্টু-ঘোড়ার চালকও। এই ঘটনার ১৫ দিনের মাথায় প্রত্যাঘাত করেছে ভারত। ২৫ মিনিটের অভিযানে ২৪টি মিসাইল অ্যাটাক হয়েছে। ৭০ জন জঙ্গির মৃত্যু হয়েছে বলে শোনা যাচ্ছে। পাকিস্তান এবং পাক অধিকৃত কাশ্মীরের ৯টি জঙ্গি ঘাঁটি ভেঙে গুঁড়িয়ে মাটিতে মিশিয়ে দিয়েছে ভারতে। যে প্রত্যাঘাতের অপেক্ষা গোটা দেশ করছিল, অবশেষে সেই প্রত্যাঘাত হয়েছে।






















