Patna Hospital Incident: পাটনার হাসপাতালে হাড়হিম করা হত্যাকাণ্ড, নিউটাউন থেকে আটক ৪ সন্দেহভাজন
Patna Case: দুই পক্ষে রেষারেষিতে খতম কয়েদি চন্দন মিশ্র, অনুমান পুলিশের। তৌসিফ বাদশা গ্যাংকে খুনের সুপারি দিয়েছিল চন্দন মিশ্রর রাইভাল শেরু গ্যাং, খবর পুলিশ সূত্রে।

সুকান্ত মুখোপাধ্যায়, পার্থপ্রতিম ঘোষ : পাটনার হাসপাতালে হাড়হিম হত্যাকাণ্ড। বাংলা থেকে আটক সন্দেহভাজনরা। নিউটাউন থেকে ৪ জনকে আটক করেছে বিহার পুলিশের এসটিএফ। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। এই অভিযানে বিহার পুলিশের এসটিএফ- এর সঙ্গে রয়েছে বেঙ্গল পুলিশের এসটিএফও। আটক হওয়া ৪ জনের সঙ্গে বিহার থেকে ফোনে কথা বলেছিল খুনিরা, খবর পুলিশ সূত্রে। দুটো ফ্ল্যাট থেকে এই ৪ জনকে আটক করা হয়েছে। উদ্ধার হয়েছে অনেক নথি। এইসব নথি খতিয়ে দেখছে পুলিশ। এর পাশাপাশি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে ধৃতদের মোবাইল ফোন। নিউটাউনের সাপুরজির সুখবৃষ্টি আবাসনের ২টো ফ্ল্যাট থেকে সন্দেহভাজন ৪ জনকে আটক করা হয়েছে। বেঙ্গল এসটিএফ- এর অফিসে আটক ৪ জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে বিহার পুলিশের দল।
হাসপাতালের ভিতর আইসিইউতে ঢুকে কয়েদিকে গুলি করে খুন করেছে দুষ্কৃতীরা। হাড়হিম করা এই হত্যাকাণ্ডের সিসিটিভি ফুটেজ ইতিমধ্যেই প্রকাশ্যে এসেছে। এই ঘটনার তদন্তে বিহার পুলিশ একটি স্পেশ্যাল ইনভেস্টিগেশন টিম তৈরি করে পাঠায় বাংলায়। এই দলে রয়েছেন পাটনা পুলিশের উচ্চ পদস্থ আধিকারিকরাও। গতকাল অর্থাৎ শুক্রবার এই দল বাংলায় আসে। কলকাতার নিউটাউন থেকে ৪ জনকে আটক করেছে বিহার পুলিশের টিম। অন্যদিকে পুরুলিয়ার জেলে বন্দি থাকা শেরু সিং নামের এক কুখ্যাত গ্যাংস্টারকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে চাইছে পুলিশ। কারণ এই ব্যক্তিই পাটনার হাসপাতালের ঘটনার মাস্টারমাইন্ড বলে অনুমান পুলিশের। পুরুলিয়ার জেলে বসেই পাটনার হাসপাতালের ওই হত্যাকাণ্ডের ছক কষা হয়েছিল কিনা তা খতিয়ে দেখতে চায় পুলিশ। এছাড়াও বেঙ্গল পুলিশের সঙ্গে মিলিত হয়ে বিহার পুলিশের দল নিউটাউন এবং সল্টলেকের একাধিক জায়গায় তল্লাশি চালাচ্ছে। তদন্তকারীদের অনুমান, গ্রেফতার হওয়া ব্যক্তিদের আরও সঙ্গীরা লুকিয়ে থাকতে পারে।
বৃহস্পতিবার দুপুর পাটনার পারস হাসপাতালে ঘটেছে একটি সাংঘাতিক ঘটনা। প্যারোলে থাকা কয়েদি চন্দন মিশ্রকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে আনা হয়। সেখানেই আইসিইউ- তে তার উপর হামলা চালিয়েছে দুষ্কৃতীরা। হাসপাতালের সিসি ক্যামেরার ফুটেজে ৫ দুষ্কৃতীকে দেখা গিয়েছে। তাদের মধ্যে একদম প্রথমেই ছিল তৌসিফ বাদশা নামের একজন, যে এই অপারেশনের মূল পাণ্ডা ছিল বলে পুলিশের অনুমান। এই ঘটনার তদন্তে নেমে বিহার পুলিশ সন্ধান পায় যে সন্দেহভাজনরা বাংলায় লুকিয়ে রয়েছে। সেই সূত্রেই গতকাল বাংলায় আসে বিহার পুলিশের দল। এরপর বেঙ্গল পুলিশের এসটিএফ- এর সহায়তায় নিউটাউনের আবাসন থেকে ৪ সন্দেহভাজনকে আটক করে তারা।






















