Sabyasachi Dutta: ধৃত সব্যসাচী দত্তকে নিয়ে বিধাননগরের ৩১ নম্বর ওয়ার্ডের কার্যালয়ে তল্লাশি পুলিশের
Sabyasachi Dutta Police Raid: তোলাবাজির অভিযোগে ধৃত সব্যসাচী দত্তকে নিয়ে তল্লাশি পুলিশের।

কলকাতা: তোলাবাজির অভিযোগে ধৃত সব্যসাচী দত্তকে নিয়ে তল্লাশি পুলিশের। বিধাননগর পৌরনিগমের ৩১ নম্বর ওয়ার্ডের কার্যালয়ে তল্লাশি। খুলে দেখা হল কার্যালয়ের বিভিন্ন ঘর। এই কার্যালয় থেকেই তোলাবাজি করতেন সব্যসাচী দত্ত, অভিযোগ স্থানীয়দের একাংশের। কার্যালয়ের ভিতরে সব্যসাচীকে নিয়ে তল্লাশি, বাইরে স্থানীদের বিক্ষোভ। ডিম হাতে কার্যালয়ের বাইরে বিক্ষোভ।
আরও পড়ুন, কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গে ঝড়-বৃষ্টির আশঙ্কা, হলুদ সতর্কতা জারি, দুর্যোগে নিরাপদ আশ্রয়ে থাকতে নির্দেশ
জনরোষের মুখে পড়লেন তোলাবাজির অভিযোগে ধৃত দাপুটে তৃণমূল নেতা সব্যসাচী দত্ত। থানা থেকে বের করে আদালতে নিয়ে যাওয়ার সময়, সব্যসাচী দত্তকে লক্ষ্য করে ছোড়া হয় পচা ডিম, টমেটো। গায়ে লেপে দেওয়া হয় গোবর। তোলাবাজির একের পর এক অভিযোগ তুলে সরব হন স্থানীয়রা। সব্যসাচী দত্তর পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দেয় বিধাননগর মহকুমা আদালত। বিধাননগর পুরসভার ধৃত তৃণমূল নেতা ও প্রাক্তন চেয়ারম্যান সব্যসাচী দত্ত বলেন, ১ টাকা যদি কোনও দিন আমাকে দিয়ে থাকে, প্রমাণ করতে পারে, আমাকে ফাঁসি কাঠে দিয়ে দিক, আমি রাজি আছি। পুরোটাই ফলস, ফেব্রিকেটেড। তিনি নিজেই বিধাননগর নর্থ থানায় ২০১৮ সালে অ্যারেস্ট ছিলেন।
তোলাবাজির মামলায়, সোমবার রাতে গ্রেফতার হয়েছেন বিধাননগর পুরসভার সদ্য প্রাক্তন চেয়ারম্যান সব্যসাচী দত্ত। আর মঙ্গলবার, বিধাননগর উত্তর থানা থেকে আদালতে নিয়ে যাওয়ার সময়, তাঁর বিরুদ্ধে আছড়ে পড়ে ক্ষোভ। বিধাননগর কর্পোরেশনের প্রথম মেয়রকে লক্ষ্য করে ছোড়া হয়েছিল পচা ডিম, টমেটো, গোবর। দীর্ঘদিনের কাউন্সিলর, দু'বারের বিধায়ক সব্যসাচী দত্তকে শুনতে হয় চোর চোর স্লোগান।২০১৫ থেকে ২০১৯, বিধাননগর কর্পোরেশনের প্রথম মেয়র ছিলেন সব্যসাচী দত্ত। ২০১১ থেকে ২০২১, রাজারহাট-নিউটাউন বিধানসভা কেন্দ্রে দু'বারের তৃণমূল বিধায়ক। ২০১৯ সালের ১ অক্টোবর তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেন সব্যসাচী দত্ত।
ওই বছর বিধানসভা ভোটে বিধাননগর আসনে বিজেপির টিকিটে লড়ে তৃণমূলের সুজিত বসুর কাছে পরাজিত হন। বিজেপিতে যোগ দেওয়ার ঠিক ২ বছর পর, ২০২১ সালে আবার তৃণমূলে ফেরেন।এবার বিধানসভা ভোটে বারাসাত আসনে তাঁকে প্রার্থী করেছিল দল। কিন্তু জিততে পারেননি। বিধাননগরের মন্ত্রী ও বিজেপি বিধায়ক শারদ্বত মুখোপাধ্যায় বলেন, দুর্নীতির এক একটা স্তম্ভ। বিধাননগরের সব থেকে বড় স্তম্ভ দুর্নীতির এবং ঔদ্ধত্যের স্তম্ভ। এখন যুদ্ধকালীন তৎপরতায় একের পর এক দুর্নীতিগ্রস্ত তৃণমূলের তোলাবাজরা ধরা পড়ছে। সুজিত বসুর পর সব্যসাচী দত্ত। বিধাননগরের আরও এক দাপুটে তৃণমূল নেতা এখন শ্রীঘরে।






















