West Bengal Assembly Speaker : বিধানসভার অধ্যক্ষ হলেন রথীন্দ্র বসু, সর্বসম্মতিক্রমে নির্বাচনের জন্য সদস্যদের ধন্যবাদ জানালেন মুখ্যমন্ত্রী
West Bengal Assembly Speaker : এর আগে বিধানসভায় স্পিকার পদে মনোনয়ন জমা দেন কোচবিহার দক্ষিণের বিজেপি বিধায়ক রথীন্দ্র বসু।

কলকাতা : বিধানসভার অধ্যক্ষ হলেন রথীন্দ্র বসু। অধ্যক্ষ হিসাবে তাঁরে নাম প্রস্তাব করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। নতুন স্পিকারকে স্বাগত জানালেন প্রোটেম স্পিকার। সর্বসম্মতিক্রমে স্পিকার নির্বাচিত হওয়ায় সকল সদস্যকে ধন্যবাদ জানিয়ে মুখ্য়মন্ত্রী বলেন, "বিরোধীপক্ষের বিভিন্ন দল থেকে যারা নির্বাচিত হয়েছেন, তাঁদের প্রত্যেককে আমি এই ঐতিহাসিক বিধানসভার পক্ষ থেকে, সরকারের পক্ষ থেকে অভিনন্দন জানাচ্ছি। আমি প্রথমেই ধন্যবাদ জ্ঞাপন করব সমস্ত সদস্যকে এবং প্রধান বিরোধী দল-সহ অন্যান্য বিরোধী দলকেও যে তারা পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার মহান ঐতিহ্য মেনে এই স্পিকার নির্বাচনে সর্বসম্মতিক্রমে এই স্পিকারকে নির্বাচিত করেছেন।"
এর আগে বিধানসভায় স্পিকার পদে মনোনয়ন জমা দেন কোচবিহার দক্ষিণের বিজেপি বিধায়ক রথীন্দ্র বসু। বিরোধীদের পক্ষ থেকে কোনও প্রার্থী দেওয়া হয়নি। এই পরিস্থিতিতে শুক্রবার সর্বসম্মতিক্রমে বিধানসভার স্পিকার নির্বাচিত হন রথীন্দ্র বসু।
এবারের বিধানসভা ভোটেও বিজেপিকে ঢেলে ভোট দিয়েছে উত্তরবঙ্গ। উত্তরবঙ্গে মোট ৫৪টা বিধানসভা কেন্দ্রের মধ্য়ে ৩৯টায় জিতেছে বিজেপি। এই প্রেক্ষাপটে প্রথমবার পশ্চিমবঙ্গে ক্ষমতায় এসে উত্তরবঙ্গের এক বিধায়ককেই স্পিকার পদে বাছে বিজেপি। বৃহস্পতিবার মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে গিয়ে মনোনয়নপত্র জমা দেন কোচবিহার দক্ষিণের বিজেপি বিধায়ক রথীন্দ্র বসু। এ প্রসঙ্গে শুভেন্দু অধিকারী বলেছিলেন, "চাটার্ড অ্য়াকাউন্ট্য়ান্ট এবং এই ধরনের মানুষকে আমরা মনোনীত করতে পেরে, আমরা সকলেই খুশি। বিরোধী পক্ষ তাদেরকেও আবেদন করব, যাতে সর্বসম্মতিক্রমে স্পিকার নির্বাচনে যে ঐতিহ্য় নজির রয়েছে, গতবারেও আমরা ৭৭ জন ছিলাম, আমরা কনটেস্ট করিনি। সেই ঐতিহ্য় তারা বজায় রাখবেন। খুব ভাল স্পিকার পাবেন। অন্তত বিরোধী দলনেতাকে ১১ মাস বিধানসভার বাইরে ফেলে দেবেন না।" সেইমতো এদিন সর্বসম্মতিক্রমে নির্বাচিত হন স্পিকার।
বিধানসভায় স্পিকার নির্বাচনে বিরোধীদের পক্ষ থেকে কোনও প্রার্থী দেওয়া হয়নি। এমনিতেও সংখ্যার নিরিখে বিজেপির জয় কার্যত নিশ্চিত ছিল। পেশায় চাটার্ড অ্যাকাউন্ট্য়ান্ট রথীন্দ্র বসু কোচবিহারের দেবীবাড়ির বাসিন্দা। তবে কর্মসূত্রে শিলিগুড়িতে থাকেন। এবারই প্রথম বিধানসভা ভোটে প্রার্থী হন তিনি। তৃণমূল প্রার্থী অভিজিৎ দে ভৌমিককে ২৩ হাজারের বেশি ভোটে পরাজিত করে বিধায়ক নির্বাচিত হয়েছেন। ছেলের স্পিকার হওয়ার খবরে আগের দিনই ভীষণ খুশি প্রকাশ করেন বিজেপি বিধায়ক রথীন্দ্র বসুর মা ছায়া বসু। তিনি বলেন, "খুব ভাল লাগছে আমার। অনেক দিনের আশা পূর্ণ হল। ছোটবেলা থেকে ওর উচ্চাকাঙ্খাটা সবথেকে বড়। দশ জনের যেন ও মুখে হাসি রাখতে পারে, এটাই আমার আশা।"
























