Job Scam: পুর-নিয়োগে দুর্নীতি! নাম জড়াল কলকাতা পুরসভার? কী রয়েছে ED-তালিকায়?
Recruitment Scam: ED সূত্রের দাবি, অয়নের সল্টলেকের অফিস থেকে, রাজ্যের অন্তত ৬০টি পুরসভার নিয়োগ সংক্রান্ত নথি ও চাকরিপ্রার্থীদের নামের তালিকা উদ্ধার হয়েছে।

অর্ণব মুখোপাধ্যায়, প্রকাশ সিন্হা, কলকাতা: স্কুলে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় দুর্নীতির অভিযোগে গ্রেফতার হয়েছেন ধৃত শান্তনু বন্দ্য়োপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ অয়ন শীল। অয়নের সল্টলেকের অফিসে তল্লাশি চালিয়েছে ইডি। ED সূত্রের দাবি, অয়নের সল্টলেকের অফিস থেকে, রাজ্যের অন্তত ৬০টি পুরসভার নিয়োগ সংক্রান্ত নথি ও চাকরিপ্রার্থীদের নামের তালিকা উদ্ধার হয়েছে। তারপরেই পুরসভায় নিয়োগ নিয়েও দুর্নীতির অভিযোগ সামনে আসছে।
আর ঠিক এই আবহেই নিয়োগ দুর্নীতির অভিযোগে নাম জড়িয়ে গিয়েছে কলকাতা পুরসভারও। কেন? ইডি (ED) তাদের সিজার লিস্টের ৮ নম্বর পাতার ২৪ নম্বর পয়েন্টে লিখেছে, প্রণব মণ্ডল নামে এক ব্যক্তি কলকাতা পুরসভার জঞ্জাল বিভাগের মজদুর বিভাগে, কাজের জন্য মেয়র এবং অন্যান্যদের চিঠি দিয়েছিলেন।
কলকাতা পুরসভায় নিয়োগ হয়, মিউনিসিপাল সার্ভিস কমিশনের সুপারিশের মাধ্যমে। ২০২১ সালের ২ ফেব্রুয়ারি, ওয়েবসাইটে একটি তালিকা প্রকাশিত হয়েছিল। সেখানে ওই তালিকায় দেখা যাচ্ছে, SC-দের জন্য জঞ্জাল বিভাগের মজদুর পদে প্রণব মণ্ডলের নামে সুপারিশ করা হয়েছিল। ওই বিভাগের ১০৫ নম্বরে রয়েছে সেই নাম। প্রণব মণ্ডল নামে কলকাতা পুরসভার এক কর্মীর সঙ্গে যোগাযোগ করেছিল এবিপি আনন্দ। সেই ব্যক্তি ৬ নম্বর বরোর মজদুর পদেই চাকরি করেন। মালদার বাসিন্দা হলেও, বর্তমানে বেহালায় থাকেন। যদিও তাঁর দাবি, বৈধভাবেই চাকরি পেয়েছেন তিনি। অয়ন শীল, শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায়দের কাউকে চেনেন না বলেও দাবি করেছেন তিনি।
কলকাতা পুরসভার কর্মী প্রণব মণ্ডল বলেন, 'এখানে কাজ করি, অনলাইনে ফ্রম ফিল আপ করেছিলাম, চিংড়িহাটায় এসে ফিজিকাল টেস্ট দিয়েছিলাম, কোথাও টাকা দিতে হয়নি, শুধু সাইবার ক্যাফেতে ৫০ টাকা দিতে হয়েছিল। অয়ন শীলকে চিনি না। শান্তনু, কুন্তলের নামও জানি না। লকডাউনের আগে চাকরি, হে়ড অফিসে চাকরি করতাম। তারপর লকডাউনে পাঠিয়ে দিয়েছিল, আবার লকডাউনের পরে আবার জয়েন করি। পোস্টিং দিয়েছে বরো ১৬তে।'
মেয়র পারিষদের বক্তব্য়:
কলকাতা পুরসভা মেয়র পারিষদ (জঞ্জাল) দেবব্রত মজুমদার বলেন, 'আমরা তো নিয়োগ করি না, শুধু মিউনিসিপাল সার্ভিস কমিশনের মাধ্যমে আসে, যতদূর জানি ওরাই কনডা্কট করে। দুটো পরীক্ষা করে, ফিজিক্যাল ট্রিটমেন্ট ও কিছু লিখিত পরীক্ষা দিতে হয়। এই নামের একজন ব্যক্তি আছে, ওর ওটা নাম, মালদার বাসিন্দা।'
পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম আগেই জানিয়েছেন, পুরসভায় নিয়োগ দুর্নীতির অভিযোগের বিষয়টি খতিয়ে দেখার জন্য তাঁর দফতরকে নির্দেশ দিয়েছেন।
আরও পড়ুন: কিটের মান নিয়ে প্রশ্ন! সরকারি হাসপাতালে হোঁচট হেপাটাইটিস পরীক্ষায়






















