Sharmistha Panoli Arrested :'সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্টের চেষ্টা' কলকাতার মেয়েকে গুরুগ্রাম থেকে ধরল কলকাতা পুলিশ
Sharmistha Panoli News : গুরুগ্রাম থেকে শর্মিষ্ঠাকে গ্রেফতার করে গার্ডেনরিচ থানা। কলকাতার আনন্দপুরের বাসিন্দা ধৃত শর্মিষ্ঠা পানোলি। তিনি পুণেতে আইন নিয়ে পড়াশোনা করছেন।

সুকান্ত মুখোপাধ্যায়, কলকাতা : পহেলগাঁও হামলার পর সোশ্যাল মিডিয়ায় গর্জে ওঠেন ভারতীয়রা। জাতি - ধর্ম নির্বিশেষে ভারতীয়রা পহেলগাঁও হামলার ও তাতে পাকিস্তানের মদতদানের তীব্র নিন্দা করেন। কিন্তু তারই মধ্যে বিতর্কের কেন্দ্রে চলে আসে শর্মিষ্ঠা পানোলির কনটেন্ট। তিনি পহেলগাঁও হামলার পর যে কনটেন্ট তৈরি করেছিলেন, তাতে ক্ষুব্ধ এদেশের মানুষের একাংশই। অভিযোগ, অশান্তি তৈরি ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্টের চেষ্টা করেছেন তিনি। অবশেষে কলকাতা পুলিশ গ্রেফতার করল তাঁকে।
শর্মিষ্ঠা পানোলির কনটেন্ট নিয়ে এর আগে আপত্তি তোলেন অনেকেই । মহারাষ্ট্রের প্রাক্তন বিধায়ক এবং এআইএমআইএম-এর প্রবীণ নেতা ওয়ারিস পাঠান থেকে আসাদউদ্দিন ওয়াইসি, সকলেই আপত্তি জানান এই মহিলার কনটেন্ট নিয়ে। সেই সঙ্গে শর্মিষ্ঠাকে গ্রেফতারের দাবি করেন। অভিযোগ, ১৪ মে সোশাল মিডিয়ায় একটি নির্দিষ্ট ধর্ম সম্পর্কে কুমন্তব্য করেন তিনি। ১৫ মে তাঁর বিরুদ্ধে গার্ডেনরিচ থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়। এরপরেই মহিলাকে তলব করে তাঁর কলকাতার বাড়িতে একাধিক নোটিস পাঠায় পুলিশ। হাজিরা এড়াতে বেপাত্তা হয়ে যান ধৃত মহিলা। অবশেষে দিল্লি থেকে গ্রেফতার করা হল তাঁকে। দিল্লির গুরুগ্রাম থেকে শর্মিষ্ঠাকে গ্রেফতার করে গার্ডেনরিচ থানা। কলকাতার আনন্দপুরের বাসিন্দা ধৃত শর্মিষ্ঠা পানোলি। তিনি পুণেতে আইন নিয়ে পড়াশোনা করছেন।
সোশ্যাল মিডিয়ায় মন্তব্যের মাধ্যমে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করার অভিযোগে গ্রেফতার হয়েছেন শর্মিষ্ঠা পানোলি। তাঁকে শনিবার (৩১ মে, ২০২৫) কলকাতার আলিপুর আদালতে হাজির করা হয়। যে কনটেন্ট নিয়ে বিতর্ক চরমে, সেটি ইনস্টাগ্রাম থেকে মুছে দিন পানোলি। সোশ্যাল মিডিয়ায় মাধ্যমে মন্তব্যের জন্য ক্ষমা চেয়েছেন। পোর্ট ডিভিশনের ডেপুটি কমিশনার অফ পুলিশ হরি কৃষ্ণ পাই বলেছেন, "একটি অভিযোগ পাওয়া গেছে এবং তদন্ত চলছে। আইন অনুসারে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"
জানা গিয়েছে, শর্মিষ্ঠা সম্প্রতি পাকিস্তানের বিরুদ্ধে বেশ কিছু ভিডিও তৈরি করেছেন। তিনি পহেলগাঁও হামলার বিষয়েও ভিডিও তৈরি করেছেন। নেটাগরিকদের একাংশের অভিযোগ, শর্মিষ্ঠার এই সব ভিডিওতেই অশালীন ভাষা ব্যবহার করা হয়েছে, যা একটি ধর্মীয় মানুষের ভাবাবেগে আঘাত হানতে পারে। পাল্টা শর্মিষ্ঠার দাবি ছিল, তিনি পাকিস্তানের মানুষকে জবাব দিতেই এই সব ভিডিও তৈরি করেছেন। মহারাষ্ট্রের প্রাক্তন বিধায়ক এবং এআইএমআইএম-এর প্রবীণ নেতা ওয়ারিস পাঠান মেয়েটির মন্তব্যের তীব্র নিন্দা করেছেন। বক্তব্যের বিরোধিতা করেছেন আসাদউদ্দিন ওয়াইসিও। তিনি বলেন, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের উচিত বিষয়টি নজরে রাছে। এই ধরনের বিষয়বস্তু সমাজমাধ্যমে ঘৃণা ছড়াচ্ছে এবং আইনের আওতায় তার শাস্তি হওয়া উচিত।






















