Canning: ক্য়ানিংয়ে মহিলা হোম গার্ডের রহস্যমৃত্যু, কোয়ার্টারে উদ্ধার ঝুলন্ত দেহ
South 24 Pargana News: ক্যানিং থানার এক সাব ইন্সপেক্টরের বিরুদ্ধে খুনের অভিযোগ দায়ের করেছেন পরিবারের সদস্যরা। অভিযুক্ত সাব ইন্সপেক্টরের প্রতিক্রিয়া মেলেনি অবশ্য।

ক্যানিং: মহিলা হোম গার্ডের মৃত্যুতে চাঞ্চল্য ছড়াল ক্যানিংয়ে। সেই মহিলা হোম গার্ডের রহস্যমৃত্যু হয়েছে। পুলিশ কোয়ার্টারে উদ্ধার হয়েছে তাঁর ঝুলন্ত দেহ। ক্যানিং থানার এক সাব ইন্সপেক্টরের বিরুদ্ধে খুনের অভিযোগ পরিবারের। মৃত পুলিশকর্মী গুলজান পারভিন মোল্লা জীবনতলার মৌখালির বাসিন্দা। শনিবার ফোনে সাড়া না পেয়ে থানায় চলে আসেন পরিবারের সদস্যরা। থানার পিছনে কোয়ার্টারে গিয়ে দেখতে পান ঝুলন্ত দেহ, পুলিশে খবর দেওয়া হয় এরপরই। এদিকে, মহিলা হোম গার্ডের দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠিয়েছে পুলিশ।
এদিকে ক্যানিং থানার এক সাব ইন্সপেক্টরের বিরুদ্ধে খুনের অভিযোগ দায়ের করেছেন পরিবারের সদস্যরা। অভিযুক্ত সাব ইন্সপেক্টরের প্রতিক্রিয়া মেলেনি অবশ্য। ক্যানিং পূর্বের বিধায়ক সওকত মোল্লার সঙ্গে সাক্ষাৎ হয়েছে মৃতের পরিবারের। ঘটনার পুরো তদন্ত করছে পুলিশ।
NRC আতঙ্কে আত্মহত্যা
NRC-র আতঙ্কে ইতিমধ্যেই অনেকেই আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়েছেন গত কয়েক মাসে। পানিহাটি, বীরভূমের পর আরও একটি মর্মান্তিক ঘটনা ঘটেছিল ব্যারাকপুর পুরসভা এলাকায়। বছর ৩২ এর ওই গৃহবধূর নাম কাকলি সরকার। ২০১০-১১ সালে বিয়ে হয় এবং তারপর ২০১৬ থেকে পাকাপাকিভাবে, এদেশে বসবাস করছিলেন। ভারতীয় নথি তৈরি হয়ে গিয়েছিল। ভোটার কার্ড এবং আঁধার কার্ড। তার স্বামী ও শ্বশুর-শাশুড়িকে নিয়ে তিনি থাকছিলেন। শাশুড়ি যেটা অভিযোগ করছেন যে, NRC এর জন্য তিনি আতঙ্কিত ছিলেন। সেটা তিনি (মৃতা গৃহবধূ কাকলি সরকার) বারবার শাশুড়িকে জানিয়েছিলেন। গতকাল সন্ধ্যায়, শাশুড়ির সঙ্গেই ছিলেন। হঠাৎই তাঁকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। তারপর অন্যান্য লোকজন গিয়ে দেখতে পায়, বাড়ির দোতালার ছাদে গিয়ে, গায়ে আগুন দিয়ে তিনি আত্মঘাতী হয়েছেন। এরপর তাঁকে অগ্নিদগ্ধ অবস্থায় নিয়ে যাওয়া হয় হাসপাতালে। সেখানে তাঁকে চিকিৎসকরা মৃত বলে ঘোষণা করেন।
বৃহস্পতিবার রাতে দোতলার ছাদে গায়ে আগুন দিয়ে তিনি আত্মঘাতী হন। তাঁকে উদ্ধার করা হয় মৃত অবস্থায়। দরজায় সাঁটা অবস্থায় উদ্ধার হয় একটি সুইসাইড নোট। আত্মঘাতী মহিলার শাশুড়ি শিবানী সরকার বলেন, দরজার মধ্যে বড় এক পৃষ্ঠা লেখা ছিল। দরজা ধাক্কা দিচ্ছি খুলছে না। ওপর দিয়ে গিয়ে দেখে মরে পড়ে আছে। থানার তরফে অবশ্য জানানো হয়েছে, মহিলার বাবা মা দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশে থাকেন, ফলে তাঁদের সঙ্গে দেখা করতে না পারার কষ্টে আত্মঘাতী হয়েছেন কাকলি সরকার।






















