India-Bangladesh Relations: বাংলাদেশের জেলে রহস্যমৃত্যু কাকদ্বীপের যুবকের, মাছ ধরতে গিয়ে ভুল করে পড়শি দেশের জলসীমায় ঢুকে পড়েন
Kakdwip News: গত ১৪ জুলাই ভুল করে বাংলাদেশের জলসীমায় ঢুকে পড়েন ভারতের ১৭ জন মৎস্যজীবী।

কাকদ্বীপ: বাংলাদেশের জেলে রহস্যমৃত্যু ভারতীয় যুবকের। কাকদ্বীপের পশ্চিম গঙ্গাধরপুরের বাসিন্দা ওই যুবক পেশায় মৎস্যজীবী। ভুলবশত বাংলাদেশের জলসীমায় ঢুকে পড়েন। হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে যুবকের মৃত্যু হয়েছে বলে বাংলাদেশ প্রশাসনের তরফে দাবি করা হয়েছে। যদিও পরিবারের দাবি, মৃত্যুর প্রকৃত কারণ গোপন করা হচ্ছে। (Kakdwip News)
গত ১৪ জুলাই ভুল করে বাংলাদেশের জলসীমায় ঢুকে পড়েন ভারতের ১৭ জন মৎস্যজীবী। ওই ১৭ জনকে আটক করে বাংলাদেশের উপকূলরক্ষী বাহিনী। সেই থেকে বাংলাদেশের বাগেরহাট জেলে বন্দি ছিলেন তাঁরা। তাঁদের মধ্যেই ছিলেন কাকদ্বীপের বাসিন্দা বাবুল দাসও। সম্প্রতি হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে বাবুল মারা যান বলে দাবি করেছে বাংলাদেশ প্রশাসন। যদিও সেই অভিযোগ মানতে নারাজ বাবুলের পরিবার। মৃত্যুর আসল কারণ গোপন করা হচ্ছে বলে দাবি তাঁদের। (India-Bangladesh Relations)
২৫ বছর বয়সি বাবুলের মৃত্যুর খবর সামনে আসতেই শোকের ছায়া পশ্চিম গঙ্গাধরপুরে। জানা গিয়েছে, শনিবার বাংলাদেশে ভারতীয় হাই কমিশনারের দফতর থেকে ফোন আসে বাবুলের বাড়িতে। ফোনেই বাবুলের মৃত্যুর খবর দেওয়া হয় পরিবারকে। তরতাজা ছেলের মৃত্যুর খবরে ভেঙে পড়েছে গোটা পরিবার। নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি করছেন সকলে।
স্থানীয়রা জানিয়েছেন, ১৪ জুলাই থেকে ঘরে ফেরেননি বাবুল। গভীর সমুদ্রে মাছ ধরতে বেরিয়েছিলেন। যে 'মা মঙ্গলচণ্ডী' ট্রলারে সওয়ার ছিলেন তাঁরা, ভুলবশত সেটি বাংলাদেশের জলসীমায় ঢুকে পড়ে। সঙ্গে সঙ্গে ট্রলারটিকে আটক করে বাংলাদেশ উপকূলরক্ষী বাহিনী। আটক করা হয় ওই ১৭ মৎস্যজীবীকেও। পর দিনই বাগেরহাট জেলে পুরে দেওয়া হয় সকলকে।
চলতি বছরে ভারতীয় মৎস্যজীবীদের আরও চারটি ট্রলার আটক করে বাংলাদেশ উপকূলরক্ষী বাহিনী। সবমিলিয়ে বাংলাদেশের জেলে বন্দি রয়েছেন ৬১ জন ভারতীয় মৎস্যজীবী। বাবুলের দেহ দ্রুত দেশে ফেরানোর দাবি তুলেছেন পরিবারের লোকজন। তাঁর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ গোপন করা হচ্ছে, বিষয়টি নিয়ে উচ্চ পর্যায়ের তদন্ত হওয়া দরকার বলেও দাবি তুলেছেন।
গত ১৪ জুলাই গভীর সমুদ্রে মাছ ধরার সময় ভুলবশত বাংলাদেশের জলসীমায় ঢুকে পড়ায় ‘মা মঙ্গলচণ্ডী’ ট্রলারসহ ১৭ জন ভারতীয় মৎস্যজীবীকে আটক করে সে দেশের উপকূল রক্ষী বাহিনী। পরদিন থেকেই তাঁরা বাংলাদেশের জেলে বন্দি ছিলেন। এদের মধ্যেই বাবুলের মৃত্যুসংবাদে শোকের পাশাপাশি ক্ষোভও ছড়িয়েছে এলাকায়। প্রাথমিকভাবে হৃদরোগে মৃত্যু হয়েছে বলে জানালেও পরিবার তা মানতে রাজি নয়। তাঁদের দাবি, মৃত্যুর প্রকৃত কারণ গোপন করা হচ্ছে এবং বিষয়টি নিয়ে উচ্চপর্যায়ের তদন্ত প্রয়োজন। পাশাপাশি, বাংলাদেশের জেলে বন্দি ৬১ জন মৎস্যজীবীর অবিলম্বে মুক্তির দাবিতও সরব হয়েছেন স্থানীয় মানুষজন এবং মৎস্যজীবী সংগঠনের প্রতিনিধিরা।






















