South 24 Parganas News: পড়ুয়াদের সামনেই স্কুলের প্রধান শিক্ষককে 'পেটালেন' তৃণমূল নেতা !
TMC Leader Beaten School Teacher : কাকদ্বীপের স্কুলে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষককে তৃণমূল নেতার মার।

দক্ষিণ ২৪ পরগনা: ফের শিক্ষাঙ্গনে শাসকের শিক্ষক শাসন, তাড়া করে স্কুলেই মার। কাকদ্বীপের স্কুলে পড়ুয়াদের সামনেই ভারপ্রাপ্ত শিক্ষককে ঘাড়ধাক্কার অভিযোগ। স্কুলেই পরিচালন সমিতির সভাপতি তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্যের দাদাগিরি ! তাড়া করে স্কুলেই ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষককে তৃণমূল নেতার মার। স্কুল থেকে বের করে এসডিপিও অফিস পর্যন্ত টেনে মারধরের অভিযোগ।
আরও পড়ুন, কে সেই মেয়ে? যিনি যাদবপুরের ছাত্রীকে পড়ে যেতে দেখেন, তিনি কি সঙ্গেই ছিলেন?
কাকদ্বীপের বীরেন্দ্র বিদ্যানিকেতন স্কুলে তৃণমূল নেতার বেলাগাম গুন্ডামি। পড়ুয়াদের সামনেই হামলা, তাও পাল্টা মার ঠেকানোর সাফাই নেতার। কী হয়েছে, খোঁজ নিয়ে দেখছি, জানালেন শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু।অতীতে একাধিকবার এমন ঘটনার সাক্ষী হয়েছে বাংলা। ১৬ জানুয়ারি, ২০১২ সালে রায়গঞ্জ ইউনিভার্সিটি কলেজে আক্রান্ত হয়েছিলেন অধ্যক্ষ ক্যাম্পাসের মধ্যেই তৃণমূল নেতার হাতে মার খেতে হয়েছিল খোদ অধ্যক্ষকে। ৪ জুন, ২০১৫ সালে পরীক্ষাকেন্দ্র থেকে বেরিয়ে যেতে বলায় অধ্যাপিকাকে ধর্ষণ ও খুনের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছিল মালদার সামসি কলেজের টিএমসিপি নেতা তাজমুল হকের বিরুদ্ধে।
রাজাবাজার সায়েন্স কলেজে সূর্যকান্ত মিশ্রর অধ্যাপিকা কন্যার হেনস্থাকাণ্ডে বিতর্কে জড়িয়েছিল তৃণমূল ছাত্র পরিষদ। ২০১৪ সালে ২০ জুন, আলিপুরদুয়ার বিবেকানন্দ কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষকে হেনস্থার ঘটনায় নাম জড়িয়েছিল তৃণমূল ছাত্র পরিষদের। ৬ ফেব্রুয়ারি, ২০১৬ সাল বর্ধমান রাজ কলেজের অধ্যক্ষকে চড় মারা ও রিভলবার উঁচিয়ে গুলি করার হুমকির অভিযোগ উঠেছিল তৃণমূল কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে।
সম্প্রতি পাড়ায় মদের আসরের প্রতিবাদ করে আক্রান্ত হয়েছিলেন এক অঙ্কন শিক্ষক। লাথি, ঘুসি থেকে মাটিতে ফেলে মার, বাদ যায়নি কিছুই। রক্তাক্ত শিক্ষককে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এই ঘটনায় এক তরুণী-সহ ৪ জনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। ধৃতদের মধ্যে ছিল ২ জন নাবালক। খুনের চেষ্টা, মারধর-সহ একাধিক ধারায় মামলা রুজু করে পুলিশ।
এ যেন পাড়ায় সন্ত্রাস,দেওয়ালে ঠেকিয়ে পিছমোড়া করে মার। ভোরের আলো ফুটতে না ফুটতেই ঝিলপাড়ে বসেছিল মদের আসর! একদল বহিরাগত উঠতি বয়সের ছেলেমেয়ের মস্তির এই পাঠশালা মোটেও ভাল লাগেনি এক মাস্টার মশাইয়ের। প্রতিবাদ করেন কিন্তু, রক্তাক্ত, ক্ষতবিক্ষত হয়ে সেই প্রতিবাদের মাসুল দিতে হল আঁকার শিক্ষককে। কৌশিকী অমাবস্যার পুজো সেরে শনিবার সকাল পৌনে ৬টা নাগাদ বাড়ি ফিরছিলেন। নেতাজিপল্লি A ব্লকে ঝিল পাড়ে বসে জনা আটেক তরুণ, তরুণী ও কিশোরকে মদ খেতে দেখে বাইক থামিয়ে এগিয়ে যান তিনি। প্রকাশ্যে মদের ঠেকের প্রতিবাদ করেন। শিক্ষক ফিরে এসে নিজের বাইকে বসতেই মত্তরা তাঁর ওপর চড়াও হন।






















