SSC Scam: অ্যাপার্টমেন্ট, ভিলা, প্লট…নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় জীবনকৃষ্ণ-প্রসন্নদের ৫৮ কোটির সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করল ED
SSC Case: ED জানিয়েছে, বাজেয়াপ্ত করা বিপুল সম্পত্তির তালিকায় রয়েছে রেসিডেনসিয়াল অ্যাপার্টমেন্ট, ভিলা এবং জমির প্লট।

কলকাতা: স্কুল সার্ভিস কমিশনের শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় এবার বড় পদক্ষেপ এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের (ED). জেলবন্দি তৃণমূল বিধায়ক জীবনকৃষ্ণ সাহা এবং মিডলম্যান প্রসন্ন রায়-সহ কয়েকজনের প্রায় ৫৮ কোটি টাকার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করল তারা। ED জানিয়েছে, বাজেয়াপ্ত করা বিপুল সম্পত্তির তালিকায় রয়েছে বসবাসের অ্যাপার্টমেন্ট, ভিলা এবং জমির প্লট। (SSC Case)
কলকাতার উপকণ্ঠে রাজারহাট, নিউটাউন থেকে শুরু করে উত্তর ২৪ পরগনা, মুর্শিদাবাদ ও পূর্ব বর্ধমানের মতো জেলায় এই বিপুল সম্পত্তির হদিশ মিলেছে বলে জানিয়েছে ED. প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে ED-র দাবি, নবম থেকে দ্বাদশে শিক্ষক নিয়োগে এবং গ্রুপ C ও গ্রুপ D নিয়োগে যে ব্যাপক দুর্নীতি হয়েছে, তাতে অন্যতম মূল অভিযুক্ত বড়ঞার তৃণমূল বিধায়ক জীবনকৃষ্ণ সাহা এবং মিডলম্যান প্রসন্ন রায়। (SSC Scam)
ED-র দাবি, অযোগ্যদের থেকে টাকা তোলা এবং সেই টাকা কীভাবে হ্যান্ডল করা হবে, পুরোটাই দেখতেন জীবনকৃষ্ণ সাহা। তাদের প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে প্রসন্ন রায়কে প্রধান মিডল ম্যান বলে উল্লেখ করেছে ED. ED-র দাবি, প্রসন্ন রায় তাঁর সহযোগীদের নিয়ে অযোগ্য প্রার্থীদের থেকে প্রচুর টাকা তুলেছিলেন। সব মিলিয়ে ৫৭ কোটি ৭৮ লক্ষ টাকা বাজেয়াপ্ত করেছে ED. এখনও পর্যন্ত এই মামলায় ৬৯৮ কোটি টাকা মূল্যের নগদ ও সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।
ED, Kolkata Zonal Office has provisionally attached immovable properties belongs to Jiban Krishna Saha, MLA; Prasanna Kumar Roy and others, having a total value of approximately Rs. 57.78 Crore in the form of residential apartments, villas and land parcels located at Rajarhat,… pic.twitter.com/HlmhBC38SS
— ED (@dir_ed) January 21, 2026
জীবনকৃষ্ণ এবং প্রন্নর বিরুদ্ধে বেনামে প্রচুর সম্পত্তি কেনা এবং বিনিয়োগের কথা জানা গিয়েছে বলে জানিয়েছে ED. সেই মতোই তাঁদের সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। তদন্তকারীদের দেখে নিজের মোবাইল পুকুরে ফেলে দেওয়ার দরুণ খবরের শিরোনামে উঠে আসেন জীবনকৃষ্ণ। তাঁর বিরুদ্ধে নিজের এলাকার বহু মানুষের চাকরির সুপারিশ করে দেওয়া এবং তার বিনিময়ে মোটা টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে। সিবিআই-এর মামলায় জামি পেলেও, পরে তাঁকে গ্রেফতার করে ED. অন্য দিকে, প্রসন্ন ছিলেন রাজ্য়ের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ। তিনিও মিডলম্যান বলে দাবি ED-র।
ED সূত্রে খবর, তদন্ত এখনও চলছে। আর কারা কারা যুক্ত, তা খুঁজে বের করার চেষ্টা চলছে।






















