এক্সপ্লোর

SSC Scam: "চাকরি শেষ হওয়া আমাদের কাছে মৃত্যু, এবার যা করার করব"; গর্জে উঠছেন চাকরিহারারা

SSC Case: রবিবার রামনবমীতে উৎসবের আমেজ শহর থেকে জেলায়।

কলকাতা: রামনবমী ঘিরে মাতোয়ারা গোটা রাজ্য। কিন্তু সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে যে ২৫ হাজার ৭৫২ জনের চাকরি গিয়েছে, তাঁদের জীবনে নেমে এসেছে দুঃস্বপ্ন। তাই গেরুয়া ধ্বজায়, 'জয় শ্রীরাম' স্লোগানে গোটা শহর যখন ছেয়ে গিয়েছে, তাঁরা গুমরে মরছেন প্রতি মুহূর্তে। সেই আবহে, রামনবমীর দিনে রাজ্যের শাসক এবং বিরোধী রাজনৈতিকগুলির অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন তুললেন চাকরিহারারা। শাসক-বিরোধী প্রত্যেকেই সমবেদনা রয়েছে বলছেন, কিন্তু অন্যায়ের বিরুদ্ধে তাঁরা কী করছেন, প্রশ্ন তুললেন সকলে। (SSC Scam)

রবিবার রামনবমীতে উৎসবের আমেজ শহর থেকে জেলায়। কিন্তু চাকরিহারাদের মধ্যে হাহাকার। সেই নিয়ে শহিদ মিনার থেকে মুখ খুললেন তাঁরা। জানালেন, আগামী কাল মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে দেখা করতে যাবেন অবশ্যই। তবে সমবেদনা কুড়োতে নয়, সান্ত্বনা পেতে নয়, তাঁদের বাঁচানোর দায় যে রাজ্য সরকারের, সেই বার্তাই দেবেন মুখ্যমন্ত্রীকে। (SSC Case)

কলমের এক আঁচড়ে ২৬ হাজার চাকরি বাতিলের সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন চাকরিহারারা। তাঁদের বক্তব্য, "দু'টো ক্যাটেগরি আছে বলে সুপ্রিম কোর্টের পর্যবেক্ষণে উঠে এল। বুঝতে পারল দু'টো ক্যাটেগরি আছে। কিন্তু তার পর কী করল? গোটা প্যানেল বাতিলের রায় দিল। চাকরি বাতিলের শেষ কারণ হিসেবে বলা হল, নিয়োগ প্রক্রিয়াই অবৈধ। অথচ আদালতে যখন সওয়াল-জবাব চলছিল, নিয়োগ কর্তৃপক্ষ জানান, তাঁরা পৃথকীকরণ চান, আমরাও পৃথকীকরণ চাই। যাঁরা ঘুষ দিয়েছেন, তাঁদের বের করে আমাদের রাখতে বলি। নিয়োগ প্রক্রিয়া ঠিক হয়নি বলে দুই পক্ষ দাবি করেছিলেন, Not Call For Verification-এর আইনজীবী এবং বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য। প্রধান বিচারপতি তাঁদের থামিয়ে বলেছিলেন, 'এটা নিয়ে আলোচনা হতে পারে না। নিয়োগ প্রক্রিয়া ঠিক আছে।' অর্থাৎ নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ে আলোচনা করতে দিলেন না, অথরিটিকে বলতে দিলেন না, ঠিক মতো বলতে দিলেন না আমাদেরও। কাউকে বলতে না দিয়ে এমন বিষয়ে রায় দিলেন, যা নিয়ে আলোচনাই হল না আদালত কক্ষে।"

চাকরি বাতিল নিয়ে সুপ্রিম কোর্ট যে রায় দিয়েছে, তা মানতে পারছেন না বলে জানিয়েছেন চাকরিহারারা। তাঁদের বক্তব্য, "২৬ হাজার শিক্ষক-শিক্ষিকা, শিক্ষাকর্মীদের প্যানেল সম্পূর্ণ রূপে ধ্বংস করে দিলেন। তার মধ্যে যোগ্য থাকা সত্ত্বেও, যোগ্যের অবজার্ভেশন থাকা সত্ত্বেও, প্রতিষ্ঠিত সত্য থাকা সত্ত্বেও শেষ করে দিলেন। এটা কোনও রায় হতে পারে না। এই রায় প্রত্যাখ্যান করছি আমরা। মানছি না এই রায়। কেন মানব এই রায়? দীর্ঘদিন ধরে সমাজে এটা প্রতিষ্ঠিত যে আদালতের বিরুদ্ধে কথা বলা যাবে না, আইনের বিরুদ্ধে কথা বলা যাবে না। কোন আইন? যে আইন মানুষকে রক্ষা করতে, জীবন-জীবিকা বাঁচানোর জন্য তৈরি করা হয়েছিল, সেই আইন আমাকে ধ্বংস করল। পারলাম না মানতে। এই আইন মানার উপায় নেই আমাদের। কারণ মৃত্যুর চেয়ে ভয়ের কিছু হতে পারে না। চাকরি শেষ হওয়া আমাদের কাছে মৃত্যু। এবার যা করার করব আমরা।"

রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল, প্রধান বিরোধী দল বিজেপি এবং সিপিএম-এর দিকেও আঙুল তুলেছেন চাকরিহারারা। তাঁদের কথায়, "এই রায়ের পর সব রাজনৈতিক দল মরাকান্না কাঁদছে। আমার লাশের উপর দাঁড়িয়ে সিমপ্যাথির মার্কেটিং করছে। রায়ের দিন রাজ্য সরকার বিবৃতি দিল। বলা হল, নেতাজি ইন্ডোরে যেতে। আমরা যাব, অবশ্যই যাব। রাজ্যের প্রধান, মুখ্যমন্ত্রী ডেকেছেন, যাব। কারণ আমার যে মৃত্যু প্রতিষ্ঠিত হল, তার জন্য রাজ্য সরকার কম দায়ী নয়। কারণ প্রথম যে দুর্নীতি হয়, সেটা প্রতিষ্ঠান থেকেই হয়। আমাকে খুনের ষড়যন্ত্র হয় প্রতিষ্ঠান থেকেই। তাই কী ভাবে বাঁচাবেন, কোন ফাঁক দিয়ে বাঁচাবেন, তা আপনি এবং আপনারা বুঝুন।। আমাদের বোঝার দরকার নেই। আমরা যারা যোগ্য, যাদের বিরুদ্ধে কোনও অভিযোগ নেই, তাদের বাঁচানোর দায়িত্ব আপনাদের। এটাই বলতে যাব আমরা।"

চাকরিহারাদের বক্তব্য, "বিরোধী শিবিরের রাজনৈতিক দলগুলিকেও দেখেছি। দিলীপ ঘোষ আজই বলেছেন, রায় পুনর্বিবেচনা হওয়া উচিত। নেতা হওয়ার আগে মামলায় যুক্ত ছিলেন যে অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়, তিনি বলেছেন বাঁচানোর রাস্তা আছে। সিপিএম-ও বলেছে অন্যায় হয়েছে। অন্যায় হয়েছে বলেছে শাসকদলও। অন্যায় হয়েছে বলছেন যখন, তার মানে রায়ের বিরুদ্ধেই বলছেন। আদালতের বিরুদ্ধে নয়, রায়ের বিরুদ্ধে বলছি। কারণ যে বিষয় নিয়ে আলোচনাই হল না, তা নিয়ে রায় হয় কী করে? আমাদের রাজ্যের কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী (সুকান্ত মজুমদার)-কে পাশে নিয়ে বিজেপি-র সম্বিত পাত্র সাংবাদিক বৈঠক করে বলেছেন, রাজ্যে রাজ্যে নাকি সিবিআই ঢুকতে দেওয়া হয়নি! সিবিআই এখানে তদন্ত করেছিল, রিপোর্ট দিয়েছিল। তাদের চারটি চার্জশিটের প্রত্যেকটিতে কারা দুর্নীতিবাজ, কারা টাকা দিয়েছে, কাকে টাকা দিয়েছে, কার কোথায় বাড়ি, সব আছে। সিবিআই-এর সেই নথি আদালত জানল, কিন্তু মানল না। আশ্চর্য ব্যাপার! তাহলে সিবিআই তদন্তের প্রয়োজন কী? যে সংস্থাকে মান্যতা দেওয়া হয় না, তার প্রয়োজন কী? আমাদের রাজ্যের শিক্ষা প্রতিমন্ত্রীকে পাশে বসিয়ে বলা হল, নিয়োগ প্রক্রিয়া অবৈধ, ঠিক ভাবে হয়নি। যা নিয়ে চর্চাই হল না আদালতে, তার জন্য আমাকে ফাঁসি দেওয়া হল।"

আদালতের রায়ের সমালোচনা করে চাকরিহারারা বলেন, "সম্ভাবনার কথা বলছেন। কখনও বলছেন, মনে হয় এরা জড়িত, কখনও বলছেন এরা বোধহয় জড়িত নয়। এই সম্ভাবনা, মনে হওয়ার উপর ভিত্তি করে রায় দেওয়া যায় না। OMR শিট পাওয়া যায়নি, মিরর ইমেজ নেই বলা হল। না থাকলে তার দায় আমার নয়। যারা অবৈধ কাজ করল, তারা শাস্তি পেল না, শাস্তি পেলাম আমরা। আমাদের বলি দেওয়ার অধিকার কোন আইনের আছে? আমরা যখন প্রমাণিত অবৈধ নেই, আমাদের বিরুদ্ধে যখন কোনও প্রমাণ নেই, সেক্ষেত্রে যাদের বিরুদ্ধে প্রমাণ আছে, তাদের সঙ্গে আমাদের বাদ দেওয়া হল কেন? এই অপ্রমাণিত, অসত্যের জায়গায় সুপ্রিম কোর্টের মতো কোনও বেঞ্চ রায় দিতে পারে কি? দেশের মানুষের কাছে এই প্রশ্ন পাঠালাম আমরা। যাঁরা মনে করেন আদালত শেষ ভরসা, আমরাও তা-ই মনে করি, কিন্তু ন্যায় বিচার পেলাম না। আমাদের ধ্বংস করা হল। মুখ্যমন্ত্রী বলছেন, সমবেদনা আছে। সমবেদনা আছে বলছেন বাকিরাও। বিরোধী দলনেতা, সিপিএম-ও বলেছে। এঁদের মধ্যে রাজনৈতিক বিরোধিতা থাকলেও, এব্যাপারে না কি সবাই এক, সবার সমবেদনা আছে! তাহলে চাকরি বহাল রাখতে হবে।"

চাকরিহারারা জানিয়েছেন, তাঁরা টাকা দিয়ে চাকরি পাননি। তাই কোনও পরীক্ষায় বসবেন না। তাঁরা বলেন, "কী করবেন, কী ভাবে করবেন জানি না। যে চাকরিতে এতদিন যোগ্যতার নিরিখে বহাল ছিলাম, বেতন পেয়ে এসেছি, সেই চাকরি যেন বহাল থাকে, ৬০ বছর পর্যন্ত যাতে সসম্মানে চাকরি করতে পারি, তা আপনাকে আদায় করে দিতে হবে। আগামী কাল ওখানে অযোগ্যরা ঢুকতে পারে বলে শুনছি। আমরা পাস দিচ্ছি। একজনকেও যদি চিহ্নিত করতে পারি, ওখানেই ঝামেলা করব, বয়কট করব মিটিং। ন্যায্য অধিকার ফিরে না পেলে আমরা এত জন যোগ্য শিক্ষক-শিক্ষিকা গণ আত্মহত্যা করব। রাষ্ট্রপতি, প্রধান বিচারপতি, প্রধানমন্ত্রী, মানবাধিকার কমিশনের কাছে স্বেচ্ছামৃত্যুর আবেদন জানাব গণহারে। কোনও পরীক্ষা দেব না আমরা। একবার সরকারি চাকরির পরীক্ষা দিয়েছি, কত খাটতে হয় জানি। আমরা টাকা দিয়ে চাকরি পাইনি। খেটে, পড়াশোনা করে পেয়েছি। ১০ বছর পর আবার পরীক্ষা দেব না। এই চাকরির জন্য আর দেব না পরীক্ষা। এমনি কোনও পরীক্ষা নিতে পারেন। নম্বরের ভিত্তিতে কাউন্সেলিং করাতে পারেন, নতুন প্যানেল করতে পারেন, নতুন করে সব প্রার্থীকে দিয়ে পরীক্ষা দেওয়াবেন, আমাদের বেতন বন্ধ হবে, মানছি না। কেউ না পেলে, তার জীবন-জীবিকার দায়িত্ব কে নেবে? এটা হতে পারে না।"

আরও পড়ুন
Sponsored Links by Taboola

সেরা শিরোনাম

Madan Mitra on Abhishek Banerjee: 'সেটিং'-এর অভিযোগ সত্যি? অভিষেকের সঙ্গে কথা নিয়ে বিস্ফোরক মদন মিত্র, অস্বীকার করলেন না কুণাল ঘোষও!
'সেটিং'-এর অভিযোগ সত্যি? অভিষেকের সঙ্গে কথা নিয়ে বিস্ফোরক মদন মিত্র, অস্বীকার করলেন না কুণাল ঘোষও!
Annapurna Yojona : অন্নপূর্ণা যোজনায় কাদের আবেদন ভেরিফিকেশন শেষ করতে আরও সময় লাগবে, জানালেন মুখ্যমন্ত্রী
অন্নপূর্ণা যোজনায় কাদের আবেদন ভেরিফিকেশন শেষ করতে আরও সময় লাগবে, জানালেন মুখ্যমন্ত্রী
West Bengal Live News Update: বিদেশ যাত্রা নিয়ে এবার সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়
বিদেশ যাত্রা নিয়ে এবার সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়
Annapurna Yojona : 'BJP সরকার যতদিন থাকবে প্রতি মাসের এই সময়ে' অন্নপূর্ণা যোজনা নিয়ে বিরাট প্রতিশ্রুতি মুখ্যমন্ত্রীর
প্রতি মাসের এই সময়ে ... অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা ট্রান্সফার নিয়ে বিরাট প্রতিশ্রুতি মুখ্যমন্ত্রীর

ভিডিও

Suvendu Adhikari: মিথ্যা তথ্য যাঁরা দিচ্ছেন তাঁদের বিরুদ্ধেও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে: মুখ্যমন্ত্রী
Calcutta Highcourt: গুন্ডাদমন আইনের বিরোধিতায় দুটি জনস্বার্থ মামলা খারিজ করল কলকাতা হাইকোর্ট
Gold-Diamond Recovery: কলকাতা বিমানবন্দর থেকে উদ্ধার ১ কোটি টাকারও বেশি মূল্যের সোনা-হীরে। Kolkata
Amit Shah: আবু তাহেরের বার্তার পর মুর্শিদাবাদের ৩ সাংসদের সঙ্গে বৈঠক কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
BJP Government: জামবনির বিডিও অফিস থেকে গ্রেফতার সাব অ্যাসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার | ABP Ananda Live

ফটো গ্যালারি

ব্যক্তিগত কর্নার

সেরা প্রতিবেদন
সেরা রিল
Tewolde Gebremariam: আর একটু হলেই নিয়ে নিচ্ছিল পাকিস্তান এয়ারলাইন্স, তার আগেই বাজিমাত টাটাদের, এয়ার ইন্ডিয়ার নতুন সিইও হলেন…
আর একটু হলেই নিয়ে নিচ্ছিল পাকিস্তান এয়ারলাইন্স, তার আগেই বাজিমাত টাটাদের, এয়ার ইন্ডিয়ার নতুন সিইও হলেন…
Bombay High Court: ধর্ষণে দোষী সাব্যস্ত তরুণ তেজপাল, ট্রায়াল কোর্টের রায় বাতিল, ‘তেহলকা’র প্রাক্তন সাংবাদিক বললেন…
ধর্ষণে দোষী সাব্যস্ত তরুণ তেজপাল, ট্রায়াল কোর্টের রায় বাতিল, ‘তেহলকা’র প্রাক্তন সাংবাদিক বললেন…
Bad Road Condition: গর্ত ভর্তি রাস্তা, বর্ষার জলে সেখানেই তৈরি মরণফাঁদ, দমদম থেকে দুর্গাপুর, নিত্যযাত্রীদের ভোগান্তি
Bad Road Condition: গর্ত ভর্তি রাস্তা, বর্ষার জলে সেখানেই তৈরি মরণফাঁদ, দমদম থেকে দুর্গাপুর, নিত্যযাত্রীদের ভোগান্তি
Cancer Research: চিউয়িং গামে কমবে মাথা এবং ঘাড়ের ক্যান্সারের ঝুঁকি? গবেষণায় নয়া তথ্য, কী বলছেন বিজ্ঞানীরা?
চিউয়িং গামে কমবে মাথা এবং ঘাড়ের ক্যান্সারের ঝুঁকি? গবেষণায় নয়া তথ্য, কী বলছেন বিজ্ঞানীরা?
Lottery Prize Win: বিরাট ভাগ্য, ফেলে দেওয়া লটারির টিকিট কুড়িয়ে ১১ কোটি জিতলেন সাফাইকর্মী, তাজ্জব সকলে
বিরাট ভাগ্য, ফেলে দেওয়া লটারির টিকিট কুড়িয়ে ১১ কোটি জিতলেন সাফাইকর্মী, তাজ্জব সকলে
Abhishek Banerjee: 'তদন্তে যোগ দিয়ে পুলিশকে সাহায্য করুন', আগাম জামিন চাওয়া অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আপ্ত সহায়ক সুমিত রায়কে নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের
'তদন্তে যোগ দিয়ে পুলিশকে সাহায্য করুন', আগাম জামিন চাওয়া অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আপ্ত সহায়ক সুমিত রায়কে নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের
Pakistani Boxers: কমনওয়েলথ গেমস খেলতে গিয়ে গ্লাসগোতে নিখোঁজ কুদরতুল্লা, কেন বারবার হারিয়ে যান পাকিস্তানি বক্সাররা?
কমনওয়েলথ গেমস খেলতে গিয়ে গ্লাসগোতে নিখোঁজ কুদরতুল্লা, কেন বারবার হারিয়ে যান পাকিস্তানি বক্সাররা?
Kolkata Blood Bank Scam: এবার বিপাকে কলকাতার আরও ৬টি ব্লাড ব্যাঙ্ক, তালিকায় কারা ? কী কী অভিযোগ ?
এবার বিপাকে কলকাতার আরও ৬টি ব্লাড ব্যাঙ্ক, তালিকায় কারা ? কী কী অভিযোগ ?
Embed widget