SSC Case: 'যে নেতাকে টাকা দিয়েছেন, তাঁর বাড়ি যাক, এখানে কী করতে এসেছেন ?', তুঙ্গে যোগ্য-অযোগ্য দ্বন্দ্ব !
Teachers Agitation: মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের পাস না পাওয়ায় নেতাজি ইন্ডোরের বাইরে চাকরিহারাদের বিক্ষোভ

কলকাতা : যাঁদের কাছে পাস আছে, আর যাঁদের কাছ পাস নেই, তাঁরা কার্যত মুখোমুখি নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামের কাছে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে বৈঠকের আগেই চাকরিহারাদের মধ্যে দ্বন্দ্ব চরমে। কারা যোগ্য, আর কারা অযোগ্য তা নিয়ে সকাল থেকেই চাকরিহারাদের মধ্যে উত্তেজনা, চিৎকার-চেঁচামিচি-বিক্ষোভ। মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের পাস না পাওয়ায় নেতাজি ইন্ডোরের বাইরে চাকরিহারাদের একাংশের চরম বিক্ষোভ। যদিও এই পাস ইস্যু নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠছে। এই পরিস্থিতিতে উত্তেজনা ঠেকাতে ময়দানে নামে পুলিশ। যাঁদের কাছে পাস আছে তাঁদের নেতাজি ইন্ডোরে নিয়ে যাওয়ার উদ্যোগ নেয় পুলিশ। এদিকে পাস থাকা ও পাস না থাকা ...উভয়পক্ষই সুর চরমে তোলেন।
পাস থাকা এক চাকরিহারা বলেন, "আমরা যে প্রোগ্রামে এসেছি, সেই কর্মসূচি আমরা পালন করব। যাঁরা ওখানে এসেছেন, অবৈধ-অযোগ্যভাবে টাকা দিয়ে...যে নেতাকে টাকা দিয়েছেন তাঁর বাড়ি যাক। এখানে কী করতে এসেছেন ? এখানে ওঁদের কোনও কাজ নেই। যোগ্য-অযোগ্য সিবিআই আলাদা করে দিয়েছে। ওএমআর শিট পাবলিশ হয়ে গেছে। সেই ওএমআর শিটের পরেও ফাঁকা খাতা নিয়ে এখানে আসতে লজ্জা করেনি তাঁদের ? সব ওএমআর শিট আছে।"
পাস নিয়ে স্টেডিয়ামে ঢোকার আগে এক চাকরিহারা বলেন, "এটা আমাদের যোগ্য ভেরিফাই করার পরে আমাদের পাস ইস্যু করা হয়েছে। সংগঠনের তরফে ভেরিফাই করা হয়েছে।" সেই পাসে Deprived Teachers' Association লেখা। পাসে লেখা- 'আমরা যোগ্য'। এর পাশাপাশি পাসে বৈঠকের তারিখ, সময় ও স্থানের উল্লেখ করা আছে। এই পাস জেলাভিত্তিক ইস্যু হয়েছে বলে জানান তিনি।
রাত থেকেই দূর-দূরান্ত থেকে আসা চাকরিহারাদের এদিন ভিড় দেখা যায় শহিদ মিনার চত্বরে। অভিযোগ, আজ ভোরে কয়েকজন সেখানে এসে নিজেদের চাকরিহারা বলে দাবি করেন। তাঁরা চাকরিহারাদের কাছে বৈঠকে যাওয়ার পাস চান বলে অভিযোগ। পাস দিতে না চাওয়ায় বচসা বাধে, বৈঠকের পাস ছিনতাই করার চেষ্টাও হয় বলে অভিযোগ। চাকরিহারাদের একাংশের দাবি, অযোগ্যরাই এভাবে গন্ডগোল পাকিয়ে বৈঠক বানচাল করতে চাইছে। বৈঠকের পাস পাওয়াকে কেন্দ্র করে তুমুল গন্ডগোল শুরু হয়ে যায়। কে যোগ্য, কে অযোগ্য, এই নিয়ে চলে বাগ্বিতণ্ডা। পরিস্থিতি এমন দাঁড়ায় যে, দু’পক্ষের মধ্যে হাতাহাতিও বেঁধে যায়।
চাকরিহারাদের একাংশের দাবি, ২৬ হাজারের চাকরি গেছে। কোথাও যোগ্য-অযোগ্য বিভাজন করা যায়নি। তাহলে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে বসার ক্ষেত্রে বিভাজন কেন?






















