Sushanta Ghosh Trinamool: 'আমি হতাশ তৃণমূল', কেন বলেছিলেন সুশান্ত ঘোষ? স্পষ্ট করে জানালেন তৃণমূল কাউন্সিলর
Trinamool Leader: এতদিন শোনা যেত আদি তৃণমূল ও নব্য তৃণমূল। কিন্তু এবার নতুন এক কথা বললেন ১০৮ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর সুশান্ত ঘোষ। তিনি বললেন তিনি 'হতাশ তৃণমূল'।

কলকাতা: রাগ, ক্ষোভ, হতাশা, ক্রোধের বিস্ফোরণ! যেন ভাঙন শুরু তৃণমূলে। সাংসদ থেকে বিধায়ক, পার্টি লাইনের বাইরে এসে একে একে মুখ খুলছেন অনেকেই। ২৭ মে একসঙ্গে পদ ছাড়লেন কলকাতা পুরো নিগমের ২ কাউন্সিলর, অরূপ চক্রবর্তী ও সুশান্ত ঘোষ। বুধবার পুর কমিশনারের কাছে ইস্তফা পত্র জমা দেন দুজনই। আর একই সঙ্গে হতাশা ঝরে পড়ল ১০৮ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর সুশান্ত ঘোষের গলাতেও। তিনি বললেন, "আমি হতাশ তৃণমূল। কোথাও যেন দলটা হারিয়ে গিয়েছে।"
আরও পড়ুন: সীমান্তে নিরাপত্তায় জোর, BSF-কে মোট ১৪২ একরের বেশি জমি হস্তান্তর রাজ্যের, পোস্ট মুখ্যমন্ত্রীর
এতদিন শোনা যেত আদি তৃণমূল ও নব্য তৃণমূল। কিন্তু এবার নতুন এক কথা বললেন ১০৮ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর সুশান্ত ঘোষ। তিনি বললেন তিনি 'হতাশ তৃণমূল'। কিন্তু এমন কেন বললেন তিনি? পরে এবিপি আনন্দের 'ঘণ্টাখানেক সঙ্গে সুমন' অনুষ্ঠানে এসে এই বিষয়টা স্পষ্ট করে জানালেন তিনি নিজেই। শোচনীয় হারের জন্য কি হতাশ? তিনি বললেন, "শোচনীয় হারের জন্য হতাশ নয়। কারণ, আমরা তো এর থেকে খারাপ অবস্থা যখন ছিল, তখন থেকেই তৃণমূল করেছি। তখন আমাদের লক্ষ্য ছিল, যে কোনও উপায়ে সিপিএমকে সরাতে হবে। আমরা সব কিছু ছেড়ে দিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে মায়ের জায়গায় রেখে আমরা দলটা করতাম। আর সেখানে আমরা সফলও হয়েছিলাম। সেখানে আমাদের ডেডিকেশন ছিল। লড়াইয়ের মানসিকতা ছিল। সিপিএমের মতো একটা শক্তিকে সরানোর জন্য যে ধরনের নেতৃত্বের প্রয়োজন ছিল, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মধ্যে সেই গুণাবলি ছিল। আমরা যখন দেখতাম দিনের পর দিন কংগ্রেসের সঙ্গে নিয়ে লড়াই করছি আর রাতের অন্ধকারে কংগ্রেস সিপিএমের সঙ্গে অ্যাডজাস্ট করে নিয়ে আমাদের আন্দোলনকে নষ্ট করে দিচ্ছিল। আর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আপোষহীন লড়াইয়ের নেত্রী। সেই দোলটা সেই লড়াইয়ের জায়গা থেকে আজ নির্বাচনে হারের পর রাস্তায় কর্মী খুঁজে না পাওয়া, কোথাও যেন তৃণমূলকে মেলানো যাচ্ছে না।"
আরও পড়ুন: সীমান্তে গ্রেফতার ২ বাংলাদেশি, অভিযোগ আধার কার্ড বানিয়ে দিতে টাকা নিয়েছিল তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্য!
তাহলে হতাশ কেন? আর আজ নির্বাচনে হারের পর কেন কর্মী খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না? সুশান্ত ঘোষ বললেন, "দোষ কার, সেটা দলই বিবেচনা করুক। সিপিএম যখন ক্ষমতা থেকে চলে গিয়েছিল তারপর তাদের একজন কর্মী থাকলেও সে ডেডিকেটেডলি গণশক্তি পত্রিকাটা লাগাতো। আমাদের জাগো বাংলা লাগানো ছেড়ে দিন, দলের নির্দেশ দেওয়া হল হকার উচ্ছেদের বিরুদ্ধে ৩ জায়গায় প্রোগ্রাম করার। ২ জায়গায় আমরা প্রোগ্রাম করতে পারলাম না। একটা জায়গায় নমো নমো করে প্রোগ্রাম করলাম। এমন পরিণতি কেন হল? এই কারণেই হতাশ।"























