Suvendu Adhikari: "ভোটে ওপারের জামাতরা তৃণমূল-হুমায়ুন কবীরদের সাহায্য করবে.." ! ২৬-র নির্বাচনের আগে চাঞ্চল্যকর অভিযোগ শুভেন্দুর
Suvendu On TMC Humayun Bangladesh Jamaat: ছাব্বিশের ভোটের আগে রাজ্যের শাসকদল ও হুমায়ুন কবীরকে তীব্র আক্রমণ শুভেন্দুর, কী বললেন বিরোধী দলনেতা ?

কলকাতা: সদ্য বাংলাদেশে হয়ে গিয়েছে ভোট। আর এবার বাংলায় বিধানসভা হওয়ার অপেক্ষায়। ফের রাজ্যের শাসকদল ও হুমায়ুন কবীরকে তীব্র আক্রমণ বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর।
আরও পড়ুন, CPM, ISF-এর সঙ্গে জোটে যাচ্ছেন 'না' হুমায়ুন কবীর ! তাহলে কোন পথে জোট ? কী জানালেন সাংবাদিক বৈঠকে
শুভেন্দু বলেন, এপারের জামাত, ওপারের জামাত , দুটো মিলে মিশে একাকার হয়ে গিয়েছে। সেই কারণে কাঁটাতারের বেড়ার জমি না দেওয়ার ফলে, এপারের জামাতকে ওপারের জামাতকে জিতিয়েছে। মানে তৃণমূল, সঙ্গে এখন হুমায়ুন কবীর জুটেছে। আর ওপারের জামাত, যে আগামী এপ্রিলের নির্বাচনে, তৃণমূলকে সাহায্য করবে বা হুমায়ুন কবীরকে সাহায্য করবে। এটা ঘোষিত অবস্থান এদের। এবং খুব অ্যালার্মিং, ভারতীয়দের ক্ষেত্রে এবং বাঙালি হিন্দুদের ক্ষেত্রে। একদম পুরো পেট্রোপোল বর্ডার পর্যন্ত এলাকাতে, প্রায় ৯০ শতাংশ আসনে, জামাতের লোকেরা জিতেছে। যারা নারীর অধিকার স্বীকার করে না। মহিলারা শিক্ষিত হোক, কর্মে যাক , স্বীকার করে না। শুভেন্দুর সংযোজন, কিছুদিন আগেই হরিহর পাড়াতে একজন গ্রেফতার হয়েছিল। আনসারুল বাংলার সঙ্গে যুক্ত। ভোটার তালিকায় নামও তুলেছে, তিন বার ভোটও দিয়েছে। সবমিলিয়ে আমাদের আসন্ন নির্বাচনে, আমাদের জাতীয় সুরক্ষা এবং হিন্দুদের সুরক্ষা ভবিষ্যতের প্রশ্ন যুক্ত।
সম্প্রতি মোদি বলেছিলেন, বিশ্বের সমৃদ্ধ থেকে সমৃদ্ধতর দেশও। তাঁদের দেশে অবৈধ নাগরিকদের বের করে দিচ্ছে, আর আমাদের দেশে অনুপ্রবেশকারীদের বাঁচানোর জন্য আদালতের উপর পর্যন্ত চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে। আমাদের দেশের যুবসমাজ কী করে এই ধরনের মানুষকে ক্ষমা করবে? তিনি অনুপ্রবেশকারীদের হয়ে ওকালতি করছেন, চাপ দিচ্ছেন, আর অনুপ্রবেশকারীরা আমাদের দেশের যুবদের অধিকার কেড়ে নিচ্ছে, তাঁদের রুটিরুজি ছিনিয়ে নিচ্ছে, আদিবাসীদের জমি ছিনিয়ে নিচ্ছে, ছেলে-মেয়েদের জীবনে বিপদ ডেকে আনছে। মোদি মন্তব্যকে সমর্থন জানিয়ে, তারপর শুভেন্দু লিখেছিলেন, 'প্রধানমন্ত্রী গতকাল সংসদে আদালতে অশ্বডিম্ব নাটকের সঠিক বিশ্লেষণ করেছেন। তৃণমূলের সরকার রাজ্যে ক্ষমতায় টিকে থাকতে অনুপ্রবেশকারীদের প্রশ্রয় দেয়। দেশের সার্বভৌমত্ব এবং সুরক্ষার বিষয়টির তোয়াক্কা করে না তৃণমূল। সর্বোচ্চ আদালতের ওপর চাপ সৃষ্টি করার রাজনীতি করতেও পিছপা হয় না, এটা নজিরবিহীন', প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের ভিডিও-সহ পোস্ট করেছিলেন বিরোধী দলনেতা।
প্রসঙ্গত, গতমাসেই ব্যারাকপুরের কর্মিসভা থেকে SIR-এর পক্ষে সওয়াল করেছিলেন অমিত শাহ। অনুপ্রবেশ ইস্যুতেও তৃণমূল সরকারের সমালোচনা করেছিলেন তিনি। পাল্টা, জবাব দিয়েছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বলেছিলেন , মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জমি দিক বা না দিক, এপ্রিলের শেষের মধ্যে বিজেপির মুখ্যমন্ত্রী ৪৫ দিনের মধ্যে সব বেড়া নির্মাণের কাজ শেষ করে দেবেন। তৃণমূল কংগ্রেস সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্য়ায় বলেছিলেন, যদি অমিত শাহ ঠিক হয়, তাহলে জগন্নাথ সরকারকে শো-কজ করা উচিত।'
Before You Go
Blood Bank Scam: কোনওরকম অনিয়ম করা যাবে না, এক ডজন শর্তে দিতে হবে মুচলেকা





















