Suvendu Adhikari: চাঁদার জুলুম করলে, ঘুষের জন্য চাপ দিলেই এবার... মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর কড়া বার্তা, কী কী পদক্ষেপ নেওয়া হবে?
মুখ্যমন্ত্রীর কড়া বার্তা 'কোনও অবস্থাতেই চাঁদাবাজি ও দুর্নীতি সহ্য করা হবে না। দুর্নীতির বিরুদ্ধে আমাদের সরকার জিরো টলারেন্স'।

কলকাতা: 'চাঁদার জুলুম ও ক্ষমতার অপব্যবহারে জিরো টলারেন্স বিজেপি সরকার', সোশাল মিডিয়ায় পোস্ট করে সরব মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, 'পশ্চিম বর্ধমানের রামপুর চেকপোস্টে কর্মকর্তারা ট্রাকটিকে অন্যায়ভাবে আটক করে। চালককে অবৈধভাবে হয়রানি করা হয়, ঘুষের জন্য চাপ দেওয়া হয়। তিনি অস্বীকার করলে, গাড়িটি বাজেয়াপ্ত করা হয়। চাঁদাবাজি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগের ভিত্তিতে পরিবহণ বিভাগ দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। রামপুর চেকপোস্টে কর্মরত অভিযুক্ত মোটর ভেহিকেল ইন্সপেক্টরদের বরখাস্ত করা হয়েছে'।
এরপরই মুখ্যমন্ত্রীর কড়া বার্তা 'কোনও অবস্থাতেই চাঁদাবাজি ও দুর্নীতি সহ্য করা হবে না। দুর্নীতির বিরুদ্ধে আমাদের সরকার জিরো টলারেন্স', আইনের ঊর্ধ্বে কেউ নয়, পোস্ট মুখ্যমন্ত্রীর। 'এটি প্রশাসনের সকল স্তরের জন্য একটি স্পষ্ট বার্তা হিসেবে থাকুক। কোনও কর্মকর্তাকে দুর্নীতি, হয়রানি বা অবৈধ সুবিধা গ্রহণে জড়িত পাওয়া গেলে। তাকে কঠোরতম শাস্তিমূলক ও আইনি পরিণতির সম্মুখীন হতে হবে। আমরা একটি স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ এবং দুর্নীতিমুক্ত প্রশাসন নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ'।
উল্লেখ্য, বিধানসভায় পাস হয়েছে গুন্ডা-দমন বিল। সোমবার এই বিল নিয়ে বলতে গিয়ে গুন্ডাদের কড়া হুঁশিয়ারি দেওয়ার পাশাপাশি তৃণমূলকে আক্রমণ করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, 'শুনে রাখুন যা হয়ে গেছে তা অতীত। আর কিছু করতে দেব না। যদি করে এই আইনের কঠিন ও কঠোর প্রয়োগ হবে। আর যে যার পাস্ট রেকর্ড খারাপ থাকবে, যে দলেরই হোক, যে নেতাই হোক, ১ বছর প্রিভেন্টিভ অ্যারেস্ট থাকবে।
বিক্ষোভ-প্রতিবাদের নামে সরকারি বা ব্যক্তিগত সম্পত্তি নষ্টে এবার কড়া পদক্ষেপ। অভিযুক্তদেরই ঘটিবাটি বেচে ক্ষতিপূরণ আদায় করবে সরকার। সোমবার বিধানসভায় গুন্ডা দমন বিল পাস করাতে গিয়ে, ছত্রে ছত্রে সেটাই পরিষ্কার বুঝিয়ে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।
এর আগে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, 'সুদ সহ আদায় করব। ৩ গুণ টাকা আদায় করব। ভিটেমাটি বেচে আদায় করব। শুধু জেল খাটাব না। স্থাবর অস্থাবর সব সম্পত্তি অ্যাটাচমেন্ট করব খুব দ্রুত, নিলাম করব, আদায় করব। আর সবচেয়ে আতঙ্কের জায়গাটা আপনাদের হয়েছে কোথায় জানেন? প্রিভেন্টিভ অ্যারেস্ট। তাইতো? ১ বছর পর্যন্ত।'
গত ১৫ বছরের তৃণমূল জমানায় এরাজ্য়ে বারবার অভিযোগ উঠেছে গুন্ডাদের প্রশ্রয় দেওয়ার। থানায় গিয়ে গুন্ডা ছাড়িয়ে আনা, থানায় হামলা চালানো, কিছুই বাদ যায়নি। এই প্রেক্ষাপটে সোমবার শুভেনদু অধিকারী বিধানসভায় কড়া হুঁশিয়ারি দেন।























