South 24 Parganas: যুব কর্মীকে মারধরের অভিযোগ বাসন্তীতে, সন্দেহের নিশানায় তৃণমূল নেতা ও অনুগামীরা
TMC Leader Alleged In Assault:ফের এক যুব কর্মীকে মারধরের অভিযোগ উঠল তৃণমূল নেতা ও তাঁর অনুগামীর বিরুদ্ধে। এবারের ঘটনাস্থল দক্ষিণ ২৪ পরগনার বাসন্তী। জখম যুব তৃণমূল কর্মী ক্যানিং মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি।

শান্তনু নস্কর, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: ফের এক যুব কর্মীকে মারধরের (Assault) অভিযোগ উঠল তৃণমূল নেতা (TMC Leader) ও তাঁর অনুগামীর (Follower) বিরুদ্ধে। এবারের ঘটনাস্থল দক্ষিণ ২৪ পরগনার (south 24 parganas) বাসন্তী। জখম যুব তৃণমূল কর্মী ক্যানিং মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি।
কী ঘটেছিল?
অভিযোগ, গত ৯ ফেব্রুয়ারি দক্ষিণ ২৪পরগনার বাসন্তী থানার অন্তর্গত কাঁঠালবেরিয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের খেরিয়া এলাকায় তৃণমূলের দুই পক্ষের কোন্দলে উত্তর ভাঙ্গনখালী মোল্লাপাড়ায় এক ICDS সেন্টারে ভাঙচুরের অভিযোগ ওঠে। সন্দেহের তির ছিল শাসকদলেরই নেতা মোজাম্মেল সর্দারের অনুগামীদের বিরুদ্ধে। অভিযোগ, তাঁর তত্ত্বাবধানেই ঘটনাটি ঘটেছে। ভাঙচুরে আক্রান্ত মিজানুর মোল্লা বাসন্তী থানায় অভিযোগ করেছেন। গত কাল সন্ধ্যায় মিজানুর যখন সেই ঘটনার কিছু ছবি নিয়ে স্থানীয় ক্যাম্পে যাচ্ছিলেন, সেই সময় মোজাম্মেল সর্দার ও তাঁর অনুগামীরা তাঁকে ধরে বেধড়ক মারধোর করে বলে অভিযোগ। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করে ক্যানিং মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। অভিযোগ অস্বীকার করেছেন মোজাম্মেল সর্দার। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে বাসন্তী থানার পুলিশ। প্রসঙ্গত, ফেব্রুয়ারির গোড়াতেই দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল ক্যানিং। সে বার বন্দুক, তাজা বোমাও উদ্ধার হয়। তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্য ও অঞ্চল সভাপতির ছেলে-সহ ৬ জনকে গ্রেফতারও করে পুলিশ।
আগেও বিতর্ক...
পঞ্চায়েত ভোটে মুখে বারুদের গন্ধে ছেড়ে যায় দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার ক্যানিং। সংঘর্ষে জড়িত থাকার অভিযোগে গ্রেফতার হন, তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্য এবং উপপ্রধান ও অঞ্চল সভাপতির ছেলে। ঘটনাকে ঘিরে সামনে চলে আসে তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতি ও যুব তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতির গোষ্ঠীর বিবাদ। স্থানীয় সূত্রে খবর, ইটখোলা গ্রাম পঞ্চায়েতের গোলাবাড়ি এলাকার রাশ কাদের হাতে থাকবে, তা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে দুই গোষ্ঠীর বিবাদ চলছিল। অভিযোগ, তার জেরে ঘটনার রাতে দুই পক্ষের মধ্যে ব্যাপক বোমাবাজি হয়। পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার হয় এই একনলা বন্দুক। মিলেছে ৬টি গুলিও। কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ড্রেন থেকে উদ্ধার হয় একটি তাজা বোমা। ক্যানিংয়ের SDPO দিবাকর দাস বলেন, 'বন্দুক উদ্ধার হয়েছে, ৬ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে, কাদের সংঘর্ষ খতিয়ে দেখা হবে'। সংঘর্ষের পর বোমা-বন্দুক উদ্ধারের ঘটনায় আতঙ্ক বেড়েছে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে। তার পরই আবার যুবকর্মীকে মারধরের ঘটনায় নাম জড়াল তৃণমূল নেতা ও তাঁর অনুগামীদের।
আরও পড়ুন:প্রচণ্ড বুক জ্বালা ? মুখে টক জল? উঠে আসছে খাবার? GERD নিয়ে সতর্ক না হলেই বিপদ






















