TMC News: হোটেলে তৃণমূল নেতার অনুগামীদের 'দাদাগিরি' ! তোলা না পেয়ে তাণ্ডব, ভাঙচুর, লুঠপাটের অভিযোগ
Duutapukur News: তোলা না দেওয়ায় তৃণমূল পঞ্চায়েতের উপপ্রধান এবং তাঁর অনুগামীদের বিরুদ্ধে হোটেলে তাণ্ডব চালানোর অভিযোগ। ভাঙচুর, লুঠপাটের অভিযোগও উঠেছে।

সমীরণ পাল, দত্তপুকুর : এবার হোটেলে তৃণমূল নেতার অনুগামীদের 'দাদাগিরি'! ভাঙচুর, লুঠপাটের অভিযোগ। তোলা না পেয়ে তাণ্ডব, অভিযোগ তৃণমূল নেতার অনুগামীদের বিরুদ্ধে। কাঠগড়ায় দত্তপুকুর ২ পঞ্চায়েতের তৃণমূল উপপ্রধান মান্তু সাহার অনুগামীদের বিরুদ্ধে। ক্যাশ কাউন্টার থেকে নগদ ১ লক্ষ ৭৮ হাজার টাকা লুঠেরও অভিযোগ। হোটেল চালানোর জন্য চাঁদা দাবি মান্তু সাহার অনুগামীদের, অভিযোগ হোটেল মালিকের। পুলিশ সুপারের কাছে অভিযোগ দায়ের ব্যবসায়ীর, দত্তপুকুর থানাকে তদন্তের নির্দেশ। হোটেলে মধুচক্র চালানোর পাল্টা অভিযোগ তৃণমূল নেতার।
গত বৃহস্পতিবার দত্তপুকুর ২ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের অন্তর্গত চালতাবেড়ি এলাকায় সৌমেন দাস এক হোটেল ব্যবসায়ী অভিযোগ করেছেন, তাঁর হোটেলে ভাঙচুর হয়েছে। দত্তপুকুর ২ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েত থেকে তিনি ট্রেড লাইসেন্স করান। জেলাশাসকের কাছে আবেদনও জানান। কয়েকদিন হল হোটেল-রেস্তোরাঁর ব্যবসা চালু করেছিলেন সৌমেন। কিন্তু ২-৩ দিনের মাথায় বৃহস্পতিবার আচমকা তাঁর হোটেলে চড়াও হন দত্তপুকুর ২ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের তৃণমূল উপপ্রধান এবং তাঁর কয়েকজন অনুগামী। সৌমেনের অভিযোগ, তাঁর হোটেলের কর্মীদের মারধর করা হয়। রিসেপশনের দরজার কাচ ভাঙা হয়। নগদ লক্ষাধিক টাকা লুঠ করা হয়। এরপর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করতে গেলে পুলিশ প্রথমে অভিযোগ নিতে চায়নি। উল্টে তাঁকে পরামর্শ দেওয়া হয় মান্তু সাহার সঙ্গে কথা বলে ব্যাপারটা মিটিয়ে নিতে। এমনটাই দাবি সৌমেনের।
সৌমেন দাসের অভিযোগ, তিনি যখন দত্তপুকুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করতে যান, তখন থানার এক আধিকারিক বলেন, অভিযোগ নেওয়া যাবে না। সৌমেনের আরও অভিযোগ সেই সময় তাঁর দলবল নিয়ে থানায় উপস্থিত হন তৃণমূল উপপ্রধান মান্তু সাহা। এই ব্যক্তির সঙ্গে কথা বলে ঝামেলা মিটিয়ে নেওয়ার কথা থানা থেকে বলা হয় বলে অভিযোগ সৌমেনের। এমনকি যে বাড়িতে ভাড়া নিয়ে সৌমেন হোটেল চালাচ্ছিলেন, সেই বাড়ির মালিককে সাদা কাগজে সই করিয়ে ভয় দেখানো হয় যে এখানে হোটেল চালালে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হবে। সৌমেন দাসের অভিযোগ হোটেল চালানো নিয়ে চাঁদা দাবি করা হয়েছিল, তা দেননি বলেই এই ভাঙচুর চালানো হয়েছে। এদিকে তৃণমূল পঞ্চায়েত প্রধান গোটা বিষয়টি অস্বীকার করেছেন। উল্টে তাঁর অভিযোগ হোটেল ব্যবসার আড়ালে মধুচক্র চালানো হচ্ছিল। গ্রামবাসীরাই তাই ভাঙচুর করেছে।
দত্তপুকুর থানা অভিযোগ না নেওয়ায়, বারাসাত জেলা পুলিশ সুপারের কাছে অভিযোগ জানান হোটেল মালিক সৌমেন। বারাসাত পুলিশের তরফে গোটা বিষয়টি দত্তপুকুর থানাকে তদন্ত করে দেখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।






















