Suvendu Adhikari: ‘কালীপুজোর বিসর্জনে তুহিন বসুকে কুপিয়েছে তৃণমূল কর্মীরা’, ট্যুইট বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর
Suvendu Adhikari Tweet: বুধবার রাত আড়াইটে নাগাদ এই ঘটনা ঘটেছে। কৃষ্ণনগরের জলঙ্গি নদীতে বুধবার গভীর রাত পর্যন্ত বিসর্জন চলে।

প্রদ্যোত্ সরকার ও ঋত্বিক প্রধান, নদিয়া: কৃষ্ণনগরে (Krishnagar) কালীপুজোর (Kalipuja) বিসর্জনের শোভাযাত্রায় দমকল কর্মীকে কুপিয়ে খুন। শোভাযাত্রা চলাকালীন দমকল কর্মী তুহিন বসুকে এলোপাথাড়ি কোপ। তৃণমূলকে কাঠগড়ায় তুললেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhiakri)।
শুভেন্দু অধিকারী টুইটে বলেন, ‘কালীপুজোর বিসর্জনে তুহিন বসুকে কুপিয়েছে তৃণমূল কর্মীরা। মত্ত অবস্থায় দমকলকর্মীকে খুন করে তৃণমূল কর্মীরা’।
Heartfelt condolences to the bereaved family members of Late Tuhin Das. May his soul attain eternal peace.
— Suvendu Adhikari • শুভেন্দু অধিকারী (@SuvenduWB) October 27, 2022
Om Shanti 🙏@chief_west#DGP @WBPolice @mmalaviya1#Additional Chief Secretary
Sri Manoj Kumar Agarwal, IAS
Fire & Emergency Services Department
প্রসঙ্গত, কালীপুজোর বিসর্জনের শোভাযাত্রা দেখতে বেরিয়ে খুন হয়ে গেলেন এক দমকলকর্মী। গতকাল গভীর রাতে কৃষ্ণনগরের নুড়ি পাড়ায় তাঁকে ধারাল অস্ত্রের আঘাতে খুন করে দুষ্কৃতীরা। কারা, কেন খুন করল, তা খতিয়ে দেখছে কোতোয়ালি থানার পুলিশ। ঘটনাকে ঘিরে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চাপানউতোর।
বুধবার রাত আড়াইটে নাগাদ এই ঘটনা ঘটেছে। কৃষ্ণনগরের জলঙ্গি নদীতে বুধবার গভীর রাত পর্যন্ত বিসর্জন চলে। মৃতের পরিবার জানিয়েছে, বিসর্জনের শোভাযাত্রা দেখতে বেরিয়েছিলেন ৩৯ বছরের তুহিনশুভ্র। অভিযোগ, গভীর রাতে তাঁকে একা পেয়ে ঘিরে ধরে কয়েকজন দুষ্কৃতী। ধারাল অস্ত্র দিয়ে এলোপাথাড়ি কোপ মারা হয়।
আরও পড়ুন, 'সরকারি স্কুল লজ্জা পাবে', বেসরকারি ইংরেজি মাধ্যম স্কুলের দেদার প্রশংসা তৃণমূল পুরপ্রধানের
যেখানে এই ঘটনা ঘটেছে, সেই জায়গাটি অপেক্ষাকৃত নির্জন। চিত্কার শুনে স্থানীয়রা ছুটে গিয়ে গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করে। শক্তিনগর জেলা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলেও, তুহিনশুভ্রকে প্রাণে বাঁচানো যায়নি। স্ত্রী, সন্তান, মা, বাবা এবং ভাইকে নিয়ে সংসার। বুধবারের রাত যেন তছনছ করে দিয়েছে গোটা পরিবারটাকে।
প্রতিবছর ব্যারাকপুরে মামাতো বোনের বাড়িতে ভাইফোঁটা নিতে যেতেন তুহিনশুভ্র। এবছরও আয়োজন সারা ছিল। কিন্তু, ফোঁটা নেওয়া আর হল না।






















