India-US Relations: ‘ক্ষমা চেয়ে ফিরে আসতেই হবে…’, ভারতকে ফের তীব্র কটাক্ষ, রাশিয়া-চিনের মাঝে ‘Vowel’ বলে বিদ্রুপ ট্রাম্পের আধিকারিকের
US Tariff on India: ভারতের প্রতি সুর নরম করার পরিবর্তে কটাক্ষই ধরা পড়েছে লাটনিকের গলায়।

নয়াদিল্লি: শুল্ক নিয়ে ভারত ও আমেরিকার মধ্যে টানাপোড়েন চলছেই। সেই আবহে কিছুটা হলেও সুর নরম করেছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে বন্ধুত্বের জয়গান করেছেন। কিন্তু তাঁরই বাণিজ্য সচিব হাওয়ার্ড লাটনিকের গলায় একেবারে উল্টো সুর ধরা পড়ল এবার। ভারত ক্ষমা চেয়ে আমেরিকার কাছে ফিরে আসবে বলে দাবি করলেন তিনি। (US Tariff on India)
চিনের কাছে ভারতকে হারিয়ে ফেললেন বলে সম্প্রতি স্বগতোক্তি করতে শোনা গিয়েছিল ট্রাম্পকে। পরে যদিও তিনি জানিয়ে দেন, ভারতের সঙ্গে আমেরিকার বন্ধুত্ব বজায় থাকবে। কিন্তু ভারতের প্রতি সুর নরম করার পরিবর্তে কটাক্ষই ধরা পড়েছে লাটনিকের গলায়। তাঁর দাবি, আমেরিকা পৃথিবীর বৃহত্তম বাজার। তাই আমেরিকার কাছে ফেরা ছাড়া উপায় নেই ভারতের। (India-US Relations)
ব্লুমবার্গকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এই মন্তব্য করেছেন লাটনিক। তাঁর বক্তব্য, “আমার মনে হয়, বড় জোর এক বা দু’মাস। ভারত আলোচনার টেবিলে ফিরবে, ওরা ক্ষমা চাইবে এবং ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষরের চেষ্টা চালাবে। সেই সময় পাল্লা ভারী হবে ডোনাল্ড ট্রাম্পেরই। (নরেন্দ্র) মোদির সঙ্গে কী মর্মে চুক্তি করবেন, তা তিনিই ঠিক করবেন। ওঁর উপরই সব ছেড়ে দিয়েছি আমরা।”
আমেরিকার দ্বারস্থ হওয়া ছাড়া ভারতের উপায় নেই বলেও টিপ্পনি করেন লাটনিক। চিন এবং রাশিয়ার সঙ্গে ভারতের সখ্য নিয়েও কটাক্ষ করতে ছাড়েননি তিনি বলেন, “রাশিয়া এবং চিনের মাঝে (ভারত) ভাওয়েল ছাড়া কিছু নয়। তা হতে চাইলে ভাল তো, যান! হয় ডলারকে সমর্থন জোগাও, আমেরিকার পাশে থাকো, সবচেয়ে বড় গ্রাহক, আমেরিকার নাগরিকদের সমর্থন করো, অন্যথায় ৫০ শতাংশ শুল্ক দিতে হবে। কতদিন চলে দেখা যাক।”
কিন্তু ভারত ও আমেরিকার মধ্যে এই পরিস্থিতিতে আলোচনা কি সম্ভব? লাটনিকের জবাব, “আমরা আলোচনার জন্য সর্বদা প্রস্তুত। পৃথিবীর বৃহত্তম ক্রেতা আমরা। মনে রাখা উচিত, আমাদের ৩০ ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি। ঘুরেফিরে গ্রাহকের কাছেই ফিরে আসতে হবে। গ্রাহকই যে শেষ কথা, ভাল করেই জানি আমরা।” শুধুমাত্র ভারতই নয়, চিনও একরকম ভাবে আমেরিকার উপর নির্ভরশীল বলেও দাবি করেন লাটনিক। ভারতের তরফে এখনও এ নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি। তবে রাশিয়ার থেকে তেল কেনার দরুণ অতিরিক্ত ২৫ শতাংশ শুল্ক চাপিয়ে ভারতকে যে ‘শাস্তি’ দিয়েছেন ট্রাম্প, তা প্রত্যাহার না করা পর্যন্ত দিল্লি আলোচনায় বসতে আগ্রহী নয় বলে খবর।






















