Suvendu Adhikari : প্রশান্ত দে হত্যা মামলার তদন্তভার সিআইডি-কে, ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর ; ক্ষতিপূরণের আশ্বাস
Howrah News : আজ নবান্নে সাংবাদিক বৈঠকে এমনই ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।

কলকাতা : নিহত প্রশান্ত দে (৫০)-র পরিবারের পাশে দাঁড়াবে সরকার। আজ নবান্নে সাংবাদিক বৈঠকে এমনই ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। শুধু তা-ই নয়, এই ঘটনার তদন্তভার সিআইডিকে দেওয়ার কথাও ঘোষণা করলেন তিনি।
কী ঘটনা ?
হাওড়ার বাগনানে, তৃণমূল-বিজেপির সংঘর্ষে মৃত্যু হয়েছে এই বিজেপি কর্মীর। নাম প্রশান্ত দে (৫০)। জখম অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন আরও ৩ জন। প্রাথমিকভাবে এই ঘটনায় বেশ কয়েকজনকে আটক করা হয়। খুনের মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করে বাগনান থানা।
বিজেপির অভিযোগ, গত কয়েক বছরে এলাকায় ত্রাস সৃষ্টি করে রেখেছেন তৃণমূল পরিচালিত আন্টিলা পঞ্চায়েতের উপপ্রধান শেখ মফিজুল ইসলাম। ঘটনার আগের দিন একটি অনুষ্ঠান থেকে ফিরছিলেন প্রশান্ত দে-সহ একাধিক বিজেপি কর্মী। সেইসময়, আচমকা রাস্তা ঘিরে ধরে উপপ্রধানের দলবল। লাঠিসোঁটা, লোহার রড, ধারালো অস্ত্র দিয়ে চলে হামলা। মাথায় আঘাত লাগে প্রশান্ত দে-র। উলুবেড়িয়া মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি করানো হলে সেখানেই মৃত বলে ঘোষণা করা হয় তাঁকে।
কী বার্তা মুখ্যমন্ত্রীর ?
এই ঘটনা নিয়ে এদিন মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট বার্তা দিয়ে বলেন, "যে ঘটনা ঘটেছে, এটা আমরা জিরো টলারেন্স নীতি নিয়েছি। এখানে সুনির্দিষ্ট খুনের মামলা হয়েছে। জামিন অযোগ্য ধারায় গ্রেফতার হয়েছে। ৮ জনকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। এই কেসটি আমি সিআইডিকে ট্রান্সফার করছি। এই প্রশান্ত দে মার্ডার কেসটা সিআইডিকে ট্রান্সফার করছি। ইতিমধ্যে জেলা প্রশাসন থেকে ৪ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ ওঁর বাড়িতে দিয়েছে। আহতদের সবার চিকিৎসার দায়িত্ব রাজ্য সরকার নিয়েছে। এসএসকেএম হাসপাতালে আমাদের মন্ত্রী ইন্দ্রনীল খাঁ-কে পাঠিয়েছিলাম। তিনি একটু আগে ভিজিট করেছেন। আমরা তাঁদের সুস্থ করার, সম্পূর্ণ চিকিৎসার দায়িত্ব সরকারের পক্ষ থেকে নিয়েছি। আমরা এই পরিবারকে মুখ্যমন্ত্রী রিলিফ ফান্ড থেকে আরও ৫ লক্ষ টাকা দেব। তাঁরা শোক কাটিয়ে উঠুক। তারপরে সাহায্য করব এবং সোমা দে যদি কোনও কাজেরও ব্যাপারে আমাদের কাছে ইচ্ছা প্রকাশ করেন, আমি নিজে কথা বলে নেব। সেক্ষেত্রেও সরকার বা মুখ্যমন্ত্রী ওই পরিবারের পাশে দাঁড়াবে।"
মুখ্যমন্ত্রীর আরও বার্তা, "আপনাদের যৌথভাবে জড়ো হয়ে কারো বাড়িতে যাওয়ারও দরকার নেই। আপনারা যে উদ্দেশ্য নিয়ে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করার জন্য আমাদের এনেছেন, পুলিশের ওপরে আস্থা রাখুন। যেটা পুলিশের কাজ আছে পুলিশ করবে। যেটা পুলিশ পারবে না, আন্তঃরাজ্য আছে... সিআইডির সাহায্য নেবে। এসটিএফ আমাদের টিম বানানো হয়েছে। তারা আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে অভিযুক্তদের গ্রেফতার করবে। যাদের বিরুদ্ধে তথ্যপ্রমাণ রয়েছে...সবার বিরুদ্ধে তো আমরা বলব না...এটা রাজনৈতিক প্রতিহিংসার বিষয় নয়...এভাবে চলে না। আমরা দুর্নীতিগ্রস্ত লোকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেব। গোটা রাজ্যের মানুষকে বলব, ওঁদের বাড়িতে গিয়ে বা ওঁদের কাছে গিয়ে আপনাদের নিজেদের বিচার চাওয়ার কোনও দরকার নেই।"























