Kalyan Banerjee: রাজ্যের বাইরে বাঙালিদের হেনস্থার অভিযোগ তুলে প্রতিবাদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের
TMC News: কখনও দিল্লি, মহারাষ্ট্র, হরিয়ানা, কখনও ওড়িশা, অসম, ভিন রাজ্য়ে বিশেষত বিজেপি শাসিত রাজ্য়গুলিতে বাংলায় কথা বললেই হেনস্থার শিকার হওয়ার অভিযোগ উঠছে।

হুগলি: ভিনরাজ্যে বাঙালি শ্রমিকদের হেনস্থা, প্রতিবাদের ডাক কল্যাণের। সারা দেশে বাঙালিদের ওপর অত্যাচার করা হচ্ছে, শ্রীরামপুরের শ্রমিকদের নাগপুরে অত্যাচারের অভিযোগ তৃণমূল সাংসদের। তিনি বলছেন, "বাঙালিরা ভিন রাজ্যে কাজে গেলে কাগজ চাইছে, সরকার ও পুলিশকে কে এই ক্ষমতা দিয়েছে? দেশজুড়ে পুলিশি-রাজত্ব চলছ, প্রতিবাদ করুন।''
বাংলা ও বাঙালির লড়াইয়ে পথে নেমেছে কিছুদিন আগে তৃণমূল কংগ্রেস। কখনও দিল্লি, মহারাষ্ট্র, হরিয়ানা, কখনও ওড়িশা, অসম, ভিন রাজ্য়ে বিশেষত বিজেপি শাসিত রাজ্য়গুলিতে বাংলায় কথা বললেই হেনস্থার শিকার হওয়ার অভিযোগ উঠছে। এই আবহে একুশে জুলাইয়ের মঞ্চ থেকে ভাষা আন্দোলনের ডাক দিয়েছেন মমতা বন্দ্য়োপাধ্য়ায়। তৃণমূল সূত্রে খবর, রবিবার বিকেলেই বীরভূমে পৌঁছবেন তৃণমূলনেত্রী। ২৮ জুলাই অর্থাৎ সোমবার বোলপুরে পদযাত্রা করবেন তিনি। তৃণমূল সূত্রে খবর, ২৮ জুলাই অর্থাৎ সোমবার বোলপুরে পদযাত্রা করবেন তৃণমূল নেত্রী। ট্যুরিস্ট লজ মোড় থেকে জামবনি বাসস্ট্যান্ড পর্যন্ত আড়াই কিলোমিটার পথ হাঁটবেন মমতা বন্দ্য়োপাধ্য়ায়। এছাড়া তৃণমূল সূত্রে খবর, ৩ অগাস্ট থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত প্রতি শনি ও রবিবার কলকাতার গান্ধী মূর্তির পাদদেশে অবস্থান করবে তৃণমূলের ছাত্র-যুব ও মহিলা সংগঠন।
২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনের আগে শেষ একুশে জুলাইয়ে মঞ্চ থেকে লড়াইয়ের সুর বেঁধে দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়। বারেবারে ঘুরে ফিরল আসে কয়েকটা শব্দ। বাংলা, বাঙালি এবং বাংলা ভাষা। কাজের সন্ধানে ভিন রাজ্যে পাড়ি। পরিবারের মুখে অন্ন তুলে দিতে গিয়ে ওঁরা আজ পরিযায়ী।
জীবন-জীবিকার সন্ধানে এ রাজ্য থেকে কেউ মহারাষ্ট্র, কেউ উত্তরপ্রদেশ, কেউ হরিয়ানায় কর্মরত। ভিন রাজ্যে বাঙালি পরিযায়ীদের একাংশকে হেনস্তার অভিযোগ বারবার সামনে আসছে। বাংলাদেশি সন্দেহে বাংলাদেশে পুশব্য়াকের অভিযোগও এসেছে। একুশে জুলাইয়ের মঞ্চ থেকে বাংলাভাষীদের হেনস্থার অভিযোগে সুর চড়ান তৃণমূলনেত্রী।
হিন্দুদের মিথ্যে মামলায় ফাঁসানোর অভিযোগে এদিন শুভেন্দু মিছিল করেন। সেখান থেকে বিরোধী দলনেতা বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানেন, এই জলটা বেরিয়ে গেলে, দুধটা রয়ে যাবে। এবং তাঁর ভোটটা ২ কোটির নিচে নেমে যাবে। সেই আতঙ্কে এগুলি করছে। এরসঙ্গে ভাষার কোনও সম্পর্ক নেই। আর বাংলাদেশি মুসলমানরাও বাংলাতে কথা বলে। রোহিঙ্গাদের কথার একটু টান আছে। কিন্তু ওরা বার্মা থেকে কক্সবাজারে এসে, সেখানে দুই-তিন বছর রোহিঙ্গা ক্যাম্পে থেকে, তারপর বাংলা শিখে এখানে এসে ছড়িয়ে পড়েছে। এরা কেউ থাকবে না। সব রাজ্য থেকেই পুশ ব্যাক হচ্ছে। এখানেও পুশ ব্যাক হবে।






















