Cafu In Darjeeling: পাহাড় মাতালেন কাফু, কিংবদন্তি ব্রাজিলীয়কে ঘিরে উন্মাদনা তুঙ্গে দার্জিলিংয়ে
Darjeeling News: ব্রাজিলীয় কিংবদন্তির উপস্থিতিতেই আত্মপ্রকাশ করল উত্তরবঙ্গের দুটো ফুটবল দল 'উত্তরবঙ্গ ফাইটার্স ফুটবল ক্লাব' ও 'দার্জিলিং ওয়ারিয়র্স ফুটবল ক্লাব'।

মোহন প্রসাদ, দার্জিলিং: বিশ্বজয়ী ব্রাজিল ক্যাপ্টেন কাফু দার্জিলিংয়ে। কিংবদন্তি ফুটবলারকে দেখে উল্লাসে ফেটে পড়ল গোটা পাহাড়। দার্জিলিংয়ের ঐতিহ্যবাহী 'আর্য টি এস্টেট'-এর উদ্যোগে দার্জিলিংয়ে এসেছিলেন ২০০২ বিশ্বকাপজয়ী ব্রাজিল ফুটবল দলের ক্যাপ্টেন। এই বিশেষ অনুষ্ঠানটিতে স্থানীয় ক্রীড়াপ্রেমী ও ফুটবলারদের পাশাপাশি পশ্চিমবঙ্গ সরকারের একাধিক দফতরের মন্ত্রীরাও উপস্থিত ছিলেন।
ব্রাজিলীয় কিংবদন্তির উপস্থিতিতেই আত্মপ্রকাশ করল উত্তরবঙ্গের দুটো ফুটবল দল 'উত্তরবঙ্গ ফাইটার্স ফুটবল ক্লাব' ও 'দার্জিলিং ওয়ারিয়র্স ফুটবল ক্লাব'। শুধু উপস্থিত থাকাই নয়, নিজে বুট গলিয়ে মাঠে নেমে পড়েছিলেন এই ব্রাজিলীয় কিংবদন্তি। 'উত্তরবঙ্গ ফাইটার্স' ও 'দার্জিলিং ওয়ারিয়র্স'-এর উদীয়মান খুদে ফুটবলারদের সঙ্গে বেশ কিছুক্ষণ ফুটবল খেলেন তিনি। বিশ্বের অন্যতম সেরা রাইট ব্যাকের সঙ্গে মাঠ ভাগ করে নেওয়ার মুহূর্ত স্থানীয় তরুণদের দারুণভাবে অনুপ্রাণিত করেছে নিঃসন্দেহে। এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হল দার্জিলিং অঞ্চলে ফুটবলসহ সামগ্রিক ক্রীড়া কাঠামোর প্রসার ঘটানো ও বিভিন্ন প্রকল্প ও ইভেন্টের মাধ্যমে স্থানীয় পর্যটন শিল্পকে আরও উৎসাহিত করা।
View this post on Instagram
কাফুর দার্জিলিংয়ে আসার খবর প্রথমবার জানা গিয়েছিল গত সপ্তাহেই। দার্জিলিং শহর থেকে প্রায় ১০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত থাকা আর্য চা বাগানে প্রস্তাবিত 'সিদ্রা হিলস স্পোর্টস অ্যান্ড ওয়েলনেস রিসোর্ট'-এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন কাফু। যে দুটো ক্লাবের আত্মপ্রকাশ হল, সেই দুটো দল মূলত ফুটসলে খেলবে। কাফু ব্রাজিলের জাতীয় দলের হয়ে রেকর্ড ১৪২টি আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেছেন। যা ব্রাজিলীয় পুরুষ ফুটবলে সর্বোচ্চ ম্যাচ খেলা ফুটবলার। টানা তিনটি বিশ্বকাপ ফাইনালে ১৯৯৪, ১৯৯৮ ও ২০০২ সালে খেলেছিলেন কাফু। আর দেশের হয়ে ১৯৯৮ ও ২০০২ সালে ব্রাজিলের হয়ে দু'বার বিশ্বকাপ জিতেছিলেন কাফু। অন্যান্য ক্ষেত্রে ব্রাজিলের হয়ে তিনি দু'বার কোপা আমেরিকা জিতেছেন। ১৯৯৭, ১৯৯৯ সালে জিতেছিলেন। ফিফা কনফেডারেশন কাপ ১৯৯৭ সালে জিতেছেন।
কাফু রাইট ব্যাকে খেলতেন। অসাধারণ স্ট্যামিনা, গতি ও নিখুঁত ওভারল্যাপিংয়ের জন্য কাফু বিখ্যাত ছিলেন। ডিফেন্ডার হওয়া সত্ত্বেও পুরো রাইট উইং জুড়ে তাঁর আক্রমণের ক্ষমতা তাঁকে বাকিদের থেকে আলাদা করেছিল। পেলে ২০০৪ সালে তাঁকে বিশ্ব ফুটবলের জীবিত শ্রেষ্ঠ খেলোয়াড়দের তালিকা 'FIFA 100'-এ অন্তর্ভুক্ত করেন।
Before You Go
Chorbagan Durga Puja Stampede | চোরবাগানে সর্বজনীনের মণ্ডপে মৃত্যুমিছিল!























