Yuva Sathi Scheme: আবেদনকারীদের অ্যাকাউন্টে যুবসাথী প্রকল্পের টাকা ঢোকা শুরু, নতুন করে কী বললেন অভিষেক ?
Abhishek On Yuva Sathi Scheme : বিধানসভা ভোটের মুখে যুবসাথী প্রকল্প নিয়ে তুঙ্গে রাজনৈতিক তরজা, কী বলছেন অভিষেক ?

অরিত্রিক ভট্টাচার্য, রাজা চট্টোপাধ্যায়, কমলকৃষ্ণ দে, কলকাতা: বিধানসভা ভোটের মুখে যুবসাথী প্রকল্প নিয়ে তুঙ্গে রাজনৈতিক তরজা। এই আবহেই শনিবার থেকে আবেদনকারীদের অ্যাকাউন্টে টাকা ঢুকতে শুরু করেছে। ভাতা নাকি স্থায়ী চাকরি? এই প্রশ্নে আড়াআড়ি বিভক্ত যুব সমাজ। রাজ্যে বিধানসভা ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণা এখন সময়ের অপেক্ষা। এই আবহে বাংলার যুবসাথী প্রকল্প চালুর দিন আরও এগিয়ে এনেছে রাজ্য সরকার। শনিবার থেকেই আবেদনকারীদের অ্যাকাউন্টে টাকা ঢুকতে শুরু করেছে। যা নিয়ে তুঙ্গে উঠেছে রাজনৈতিক তরজা।
আরও পড়ুন, ভোটের মুখে রাষ্ট্রপতিকে অপমানের অভিযোগে তোলপাড়, তৃণমূল সরকারকে তীব্র আক্রমণ প্রধানমন্ত্রীর
তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, যারা সকাল বিকেল দাঁড়িয়ে মমতা ব্যানার্জিকে ব্যাঙ্গ বিদ্রুপ করতেন, গালমন্দ বলতেন, আজ তারাই লাইনে দাঁড়িয়ে যুব সাথীর ফর্ম ফিলাপ করছেন। ফেব্রুয়ারির ৫ তারিখ বাজেট হয়েছে। সেখানে যুব সাথীর কথা ঘোষণা হয়েছে। আজ ৮ তারিখ মার্চের। এক মাস হয়েছে। এক মাসের মধ্যে ইতিমধ্যে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে টাকা ঢুকতে শুরু করে দিয়েছে যুব সাথীর। রাজনৈতিক আকচাআকচি চরমে উঠলেও, ভাতা দেওয়ার সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানাচ্ছেন অনেকেই। যেমন দুর্গাপুরের বাসিন্দা সৌগত চন্দ। তিনি আইনের দ্বিতীয় বর্ষের পড়ুয়া। LLB দ্বিতীয় বর্ষ পড়ুয়া সৌগত চন্দ্র বলেন, যুবসাথী প্রকল্পে যে দেড় হাজার টাকা দেওয়া হচ্ছে আমার পরবর্তীকালে কর্মসংস্থানের ফর্ম ফিলাপ এবং সেখানে যাতায়াত খরচায় আমার অনেক সুবিধা হবে। রানিগঞ্জের সবজি বিক্রেতা অখিলেশ্বর মাহাতো পরিবারের একমাত্র রোজগেরে। ভাতার টাকা অনেকটাই ভরসা জুগিয়েছে তাঁকে।
রানিগঞ্জের সবজি বিক্রেতা অখিলেশ্বর মাহাতো বলেন, 'বেকার ভাতা দেওয়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ। এই টাকাটা আমাদের সংসারে অনেক কাজে লাগবে। খুব খুশি, খুব খুশি।'ময়নাগুড়ির হরিশঙ্কর, বর্ধমানের তিতাসরা আবার স্থায়ী চাকরি চান। বর্ধমান বাসিন্দা তিতাস বন্দ্য়োপাধ্যায় বলেন, আমি তো বেকার থাকার যোগ্য নই। একজন সরকারের উচিত আমার শিক্ষাগত যোগ্যতা অনুযায়ী নির্দিষ্ট চাকরির পরীক্ষায় স্বচ্ছভাবে বসার সুযোগ করে দেওয়া এবং আমাকে চাকরি করে দেওয়া। সেই সুযোগ যখন আমি পাইনি, তখন বেকার ভাতা নামক এরকম একটি প্রহসনের সাক্ষী, নিজে সেই প্রহসনের অংশীদার হতে চাইনি। যুবসাথী প্রকল্পের উপভোক্তা ও ময়নাগুড়ির বাসিন্দা হরিশঙ্কর মণ্ডল বলেন, চাকরি চাই, ভাতা দিয়ে তো চলবে না। চাকরির প্রয়োজন। এটা দিয়ে তো সংসার চলবে না। 'কিন্তু আর কতদিন ভাতার ভরসায় বসে থাকতে হবে শিক্ষিত যুবক যুবতীদের?























