NEET PG: এই ভুল করলে কালো তালিকাভুক্ত হবেন পরীক্ষার্থীরা ! নিট পিজি নিয়ে বড় সতর্কবার্তা জারি
Seat Blocking: সুপ্রিম কোর্ট এও নির্দেশ দিয়েছে যে এই প্রার্থীদের সিকিউরিটি ফি-ও বাজেয়াপ্ত করা হবে, এই প্রক্রিয়ায় জড়িত থাকা সমস্ত কলেজকে আটক করা হবে।

NEET PG Seat Blocking: নিট পিজির কাউন্সেলিং নিয়ে বড় তথ্য সামনে এসেছে। যে সমস্ত পরীক্ষার্থীরা সিট ব্লক করে রাখবেন, পরে এই কোর্সে পড়বেন না বা কোনও কলেজে ভর্তি হবেন না, সুপ্রিম কোর্ট তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে। শীর্ষ আদালত স্পষ্ট জানিয়েছে যে প্রার্থীরা ইচ্ছে করে সিট ব্লক করে রাখবেন এবং পরে আর এই কোর্সে যোগ (NEET PG Seat Blocking) দেবেন না, তাদের এবার থেকে কালো তালিকাভুক্ত করা হবে। এই সমস্ত প্রার্থীদের পরে যে কোনও মেডিকেল প্রবেশিকা পরীক্ষা থেকেই বাতিল করা হতে পারে।
বিচারপতি জে বি পর্দিওয়ালা এবং বিচারপতি আর মহাদেবনের একটি বেঞ্চ স্পষ্ট জানিয়েছে যে এই সিট ব্লক করে রাখার অভ্যাস যোগ্য মেধাবী প্রার্থীদের পক্ষে ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে। কাউন্সেলিং প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা এবং সীমাবদ্ধ নীতি বাস্তুবায়নের জন্য আদালত নির্দেশিকাও জারি (NEET PG Seat Blocking) করেছে যাতে সিট ব্লকিং বন্ধ করা যায় এবং মেধাভিত্তিক ভর্তি নিশ্চিত করা যায়।
সিট ব্লক করে রেখে পরে কোর্সে যোগ না দিলে শাস্তি হবে
অনেক সময় শিক্ষার্থীরা নিট পিজি কাউন্সেলিংয়ে সিট ব্লক করে রাখেন। কিন্তু তাদের সেই ব্লক করা আসনে আর যোগ দেন না। এর ফলে যে সমস্ত শিক্ষার্থীরা পড়তে ইচ্ছুক এবং যোগ্য তারা সমস্যায় পড়েন। এই বিষয়েই সুপ্রিম কোর্ট বড় রায় (NEET PG Seat Blocking) দিয়েছে। বিচারপতি জে বি পর্দিওয়ালা, বিচারপতি আর মাধবন এই মামলার শুনানির সময় জানিয়েছেন যে এখন যদি কোনও প্রার্থী আসন ব্লক করে রেখে পরে যোগ না দেন, তাহলে তাঁকে কালো তালিকাভুক্ত করা হবে। এমনকী সেই প্রার্থী আগামী দিনে আর কোনও মেডিকেল প্রবেশিকা পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবেন না।
সুপ্রিম কোর্ট এও নির্দেশ দিয়েছে যে এই প্রার্থীদের সিকিউরিটি ফি-ও বাজেয়াপ্ত করা হবে, এই প্রক্রিয়ায় জড়িত থাকা সমস্ত কলেজকে আটক করা হবে। সেই কলেজগুলিকেও কালো তালিকাভুক্ত করা হবে।
কীভাবে হয় সিট ব্লকিং
একজন প্রার্থী যখন অস্থায়ীভাবে কোনও আসন পান, সেই সময়েই সিট ব্লকিং করা যায়। যখনই সেই প্রার্থী তাঁর পছন্দের কোনও আসন পায়, সেই অস্থায়ী আসন ছেড়ে সে চলে যায়। তারপর দেখা যায় কাউন্সেলিংয়ের প্রথম রাউন্ডের পরে অনেক আসন খালি থেকে যায়। পরের রাউন্ডেই যা একমাত্র আবার আবেদনের জন্য খোলা হবে।
এর ফলে সবথেকে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয় মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীরা যাদের র্যাঙ্ক অনেক ভাল হয়েছে পরীক্ষায়। কিন্তু তাদের ক্ষেত্রে তুলনায় কম পছন্দের কলেজ মেলে এবং সেখানেই তাদের বাধ্য হয়ে ভর্তি হয়ে যেতে হয়। কারণ সময় সীমিত থাকে ভর্তি হওয়ার।
Education Loan Information:
Calculate Education Loan EMI






















