West Bengal Election 2026: ঐতিহাসিক! সমস্ত রেকর্ড ভেঙে দিল ২০২৬! প্রথম দফায় ভোট দিলেন প্রায় ৯৩ শতাংশ ভোটার!
West Bengal Election Update: রাত যত গড়াচ্ছে, অবাক করার মতোই বাড়ছে ভোটদানের হার!

কলকাতা: নজিরবিহীন সংখ্যা! রাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাড়ছে লাফিয়ে বাড়ছে ভোটদানের হার! পশ্চিবঙ্গের ভোটের ইতিহাসে, এর আগে এত মানুষ ভোট দেননি কখনও। নির্বাচন কমিশনের দেওয়া শেষ আপডেট অনুযায়ী, এখনও পর্যন্ত প্রথম দফায় পশ্চিমবঙ্গে ভোটদানের হার, ৯২.৫২ শতাংশ। সন্ধে ৬টার সময়ে জানানো হয়েছিল, তখনও পর্যন্ত ৫ হাজারের ও বেশি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ চলছে। আর এবার, প্রায় রাত ১০টা নাগাদ নির্বাচন কমিশন যে আপডেট দিল, সেখানে সংখ্যাটা চমকে ওঠার মতোই। ২০১১ সালে, যে বছর বামফ্রন্ট সরকারকে সরিয়ে বিপুল সংখ্যায় জয়ী হয়ে ক্ষমতায় এসেছিল তৃণমূল, সেইবার ও ভোট পড়েছিল, ৮৪ শতাংশ।
আরও পড়ুন:West Bengal Election 2026: রেকর্ড ভোটদানে শেষ হল প্রথম দফা! এত ভোট পড়েনি তৃণমূল ক্ষমতায় আসার সময়েও!
নির্বাচন কমিশনের চমকে ওঠার মতো পরিসংখ্যান!
রাত যত গড়াচ্ছে, অবাক করার মতোই বাড়ছে ভোটদানের হার! রাত পৌনে ১০টা নাগাদ দেওয়া নির্বাচন কমিশনের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এখনও পর্যন্ত ভোটদান ৯২.৫২ শতাংশ মানুষ। উল্লেখযোগ্য ভাবে, সবচেয়ে বেশি ভোটদান হয়েছে, মুর্শিদাবাদ, কোচবিহার ও দক্ষিণ দিনাজপুরে। শেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী, কোচবিহারে রাত পৌনে ১০টা পর্যন্ত ভোট দিয়েছেন, ৯৫.৪১ শতাংশ মানুষ। দক্ষিণ দিনাজপুরে রাত পৌনে ১০টা পর্যন্ত ভোট দিয়েছেন, ৯৫.৩৩ শতাংশ মানুষ। পিছিয়ে নেই অন্যান্য জেলাগুলিই ও! শেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী, আলিপুরদুয়ারে ভোট পড়েছে ৯১.৮২ শতাংশ। বাঁকুড়ায় ভোট দিয়েছেন, ৯১.৮৭ শতাংশ মানুষ। শেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী, বীরভূমে ভোট দিলেন ৯৪.৩৯ শতাংশ মানুষ। দার্জিলিংয়ে ভোট দিয়েছেন, ৮৮.৫৭ শতাংশ মানুষ। জলপাইগুড়িতে ভোট দিয়েছেন, ৯৪.৩১ শতাংশ মানুষ। ঝাড়গ্রামে ভোট দিয়েছেন, ৯২.০৯ শতাংশ মানুষ। শেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী, কালিম্পং-এ নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন, ৮৩.০১ শতাংশ মানুষ। মালদায় ভোট দিয়েছেন, ৯৩.৬২ শতাংশ মানুষ। মুর্শিদাবাদে ভোট দিয়েছেন, ৯৩.৪৪ শতাংশ মানুষ। পশ্চিম বর্ধমানে ভোটে অংশগ্রহণ করেছেন, ৯০.১৩ শতাংশ মানুষ। পশ্চিম মেদিনীপুরে ভোট দিয়েছেন, ৯২.০৬ শতাংশ মানুষ। পূর্ব মেদিনীপুরে ৯০.৭৪ শতাংশ মানুষ নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন। পুরুলিয়ায় নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন, ৯০.৪৭ শতাংশ মানুষ। উত্তর দিনাজপুরে নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন, ৯৩.৭৫ শতাংশ মানুষ।
রেকর্ড সংখ্যক এই ভোটদানে জয়ের আশা দেখছে তৃণমূল ও বিজেপি, ২টি দলই। কোচবিহারে প্রথম দফার পরেই উচ্ছ্বাস করতে দেখা যায়, তৃণমূলের কর্মীদের। অন্যদিকে শুভেন্দু অধিকারীও জয় হবে, এমনই বার্তা দেন।
সেরা শিরোনাম




















