West Bengal Election Result : এই কাজে '...মমতাই ছিলেন আসল বাধা', তৃণমূল সরকারের পতন হতে বড় প্রতিক্রিয়া বাংলাদেশের! BJP নিয়ে বললেন...
ঢাকা থেকে বিএনপির তথ্য সচিব আজিজুল বড়ি হেলাল এই ফলাফল নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। তাঁর কথায়, আমি হতবাক !

ভোটে হেরে ধরাশায়ী হয়েছে তৃণমূল। মমতা বন্দ্য়োপাধ্য়ায় নিজেও হেরেছেন! অথচ তারপরও মুখ্যমন্ত্রীর পদ থেকে ইস্তফা দিতে চান না তিনি! এরইমধ্যে ২০২৬ সালের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফল নিয়ে প্রতিক্রিয়া এসেছে বাংলাদেশ থেকে। প্রতিবেশী দেশ বাংলাদেশের রাজনীতি মহলেও প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে। ঢাকা থেকে বিএনপির তথ্য সচিব আজিজুল বড়ি হেলাল এই ফলাফল নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। তাঁর কথায়, আমি হতবাক !
“তৃণমূলের পরাজয়ে হতবাক”— বিএনপি নেতা
বিএনপির তথ্য সচিব আজিজুল বড়ি হেলাল বলেন, দীর্ঘদিন ক্ষমতায় থাকার পর তৃণমূল কংগ্রেসের এমন বড় ব্যবধানে পরাজয় তাকে “হতবাক” করেছে। একইসঙ্গে তিনি বিজেপির জয় এবং শুভেন্দু অধিকারী-র নেতৃত্বকে অভিনন্দন জানিয়েছেন। 'আমি বিজয়ী শুভেন্দু অধিকারীর বিজেপিকে অভিনন্দন জানাই। শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বে বিজেপির এই বিজয় নিশ্চিত করবে যে পশ্চিমবঙ্গ এবং বাংলাদেশ সরকারের মধ্যে সম্পর্ক আগের মতোই সৌহার্দ্যপূর্ণ থাকবে'
ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক নিয়ে আশাবাদী
আজিজুল বড়ি হেলালের মতে, এই রাজনৈতিক পরিবর্তন ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে সম্পর্ককে নতুনভাবে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারে। তাঁর দাবি, শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বে পশ্চিমবঙ্গ সরকার গঠিত হলে দুই দেশের মধ্যে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক বজায় থাকবে এবং আরও মজবুত হতে পারে।
তিস্তা চুক্তি নিয়ে নতুন প্রত্যাশা
আজিজুল বড়ি হেলাল বিশেষ করে তিস্তা জলবণ্টন ইস্যুর উপর জোর দেন। অতীতে এই প্রকল্প বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-এর আপত্তির কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, এখন পরিস্থিতি বদলাতে পারে। "আগে আমরা দেখেছি যে তিস্তা ব্যারেজ স্থাপনের পথে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই ছিলেন আসল বাধা। এখন, আমার মতে, যেহেতু শুভেন্দুর নেতৃত্বে বিজেপি নির্বাচনে জিতেছে, তাই বাংলাদেশ সরকার এবং মোদি সরকারের অত্যন্ত কাঙ্ক্ষিত তিস্তা ব্যারেজ চুক্তিটি শুভেন্দুর সহায়তায় বাস্তবায়িত হবে..." তাঁর মতে, বিজেপির নেতৃত্বে নতুন সরকার এলে 'বাংলাদেশ সরকার এবং নরেন্দ্র মোদি সরকারের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশিত' তিস্তা চুক্তি বাস্তবায়নের পথ সুগম হতে পারে।
মতপার্থক্য থাকলেও ঐক্যের জায়গা
তিনি আরও জানান, আদর্শগতভাবে দুই পক্ষের মধ্যে মতভেদ থাকলেও কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে—বিশেষ করে তিস্তা—উভয় পক্ষের মধ্যে সমঝোতার জায়গা রয়েছে। সেই জায়গা থেকেই ভবিষ্যতে একটি শান্তিপূর্ণ ও সহযোগিতামূলক সম্পর্ক গড়ে উঠবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন তিনি।
কূটনৈতিক নজর এখন পরবর্তী পদক্ষেপে
পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক পালাবদল শুধু রাজ্যের ভেতরেই নয়, প্রতিবেশী দেশের কূটনৈতিক সমীকরণেও প্রভাব ফেলতে পারে—এমনটাই মনে করছেন বিশ্লেষকরা। এখন দেখার, নতুন রাজনৈতিক বাস্তবতায় তিস্তা চুক্তি সহ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক কোন দিকে এগোয়।
যদিও এখনও পর্যন্ত কে হতে চলেছেন, বাংলার পরবর্তী মুখ্যনন্ত্রী , তা অফিসিয়ালি ঘোষিত নয়। বিজেপির পরিষদীয় দলনেতা নির্বাচনের জন্য বুধবার রাজ্যে আসছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তাঁকে এই নির্বাচনের পর্যবেক্ষক করা হয়েছে। তাঁর সঙ্গেই সহ-পর্যবেক্ষক হিসেবে থাকছেন ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রী মোহন চরণ মাঝি। রাজ্যে পৌঁছেই বিজেপির নবনির্বাচিত বিধায়কদের সঙ্গে বৈঠক করতে পারেন অমিত শাহ। এই বৈঠকেই পরিষদীয় দলের নেতা নির্বাচন চূড়ান্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সাধারণত এই নেতাই মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন। পরিষদীয় দলনেতা নির্বাচন হয়ে গেলে পরবর্তী ধাপে রাজ্যপালের কাছে সরকার গঠনের দাবি জানাবে বিজেপি। সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকায় এই প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি। সূত্রের খবর, আগামী ৯ মে শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান হতে পারে। সেই অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকতে পারেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী-ও, যা এই রাজনৈতিক পরিবর্তনকে আরও তাৎপর্যপূর্ণ করে তুলবে।
#WATCH | Dhaka, Bangladesh | On the results of West Bengal assembly elections 2026, BNP Information Secretary Azizul Baree Helal says, "I am stunned that in West Bengal, TMC, was massively defeated after holding power for a long time. I congratulate the winner, Suvendu Adhikari's… pic.twitter.com/xKVbWp80Xr
— ANI (@ANI) May 6, 2026




















