Kunal Ghosh : টিকিট পাননি পরেশ পাল, বেলেঘাটায় প্রচারে নেমে কুণাল ঘোষ বললেন...
Kunal Ghosh on Paresh Pal : গতকাল প্রার্থী তালিকা ঘোষণার পরই আজ প্রচারে বেরিয়ে পড়েছেন কুণাল ঘোষ।

আবির দত্ত, কলকাতা : বেলেঘাটা কেন্দ্রে টিকিট পাননি পরেশ পাল। তাঁর জায়গায় কুণাল ঘোষকে টিকিট দিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। গতকাল প্রার্থী তালিকা ঘোষণার পরই আজ প্রচারে বেরিয়ে পড়েছেন কুণাল ঘোষ। এদিন প্রচার চলাকালীন এবিপি আনন্দর প্রতিনিধি তাঁকে প্রশ্ন করেন, বেলেঘাটা থেকে লড়াই, এখানে আপনি প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। পরেশ পাল এখানের দীর্ঘদিনের বিধায়ক। এর উত্তরে কুণাল ঘোষ বলেন, "পরেশদা আমার দাদা। তাঁর আশীর্বাদে আমি লড়ছি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় মাথার ওপর। এখানে পরেশদা তিনি আমাকে আশীর্বাদ করছেন। কাল আমি তাঁকে প্রণাম করে প্রচার শুরু করেছি। পরেশ পাল আমার সঙ্গে পুরোদস্তুর প্রচারেও নামবেন। এছাড়া ৮টি ওটার্ড আছে। জীবন সাহার মতো সিনিয়ররা আছেন। ৮জন কাউন্সিলর আছেন। তাঁর বাইরে আলোক দাস, স্বপন সমাদ্দার...সিনিয়র নেতারা আছেন। সমাজের বিশিষ্ট ব্যক্তিরা আছেন। আমাকে তাঁরাই গাইড করবেন। এটা আমার হোম কনস্টিটিউয়েন্সি। সবচেয়ে বড় কথা, এখানে এবার তৃণমূলে কে প্রার্থী, কে প্রার্থী নন, এটা বড় কথা নয়। নেত্রী একজন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আমাদের কেউ প্রার্থী, কেউ হয়তো প্রার্থী নন। কিন্তু, সবাই কর্মী এবং সৈনিক। আমাদের কর্তব্য, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে চতুর্থবার মা-মাটি-মানুষের সরকারের মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে ২৫০-র বেশি আসন নিয়ে নবান্নে পৌঁছে দেওয়া। লড়াইটা আমাদের গোটা বাংলার সব কর্মীর।
এবিপি আনন্দ : প্রায় ২ লক্ষ ৫০ হাজার ভোটার রয়েছেন এই বেলেঘাটা কেন্দ্রে। SIR-এর প্রভাব এখানেও রয়েছে। এটা এখানে কতটা ফ্যাক্টর হতে পারে ?
কুণাল ঘোষ : SIR-টা একটা বিরাট চক্রান্ত। প্রকৃত ভোটারদের যেভাবে ডিলিট করা, হ্যারাস করা...বিজেপি করেছে, তারা একটা ষড়যন্ত্র করেছে। তারা তো বাংলায় নিয়ম মেনে লড়ে না। বাংলায় টাকা বন্ধ করে। বাংলা বললে অন্য রাজ্যে মেরে ফেলে। বাংলা বললে বাংলাদেশে পাঠিয়ে দেয়। এবার এসআইআর দিয়ে সবাইকে হিন্দু-মুসলমান, বাঙালি-অবাঙালি সবাইকে হেনস্থা করছে।
কেউ রাজনীতিতে পুরনো! কেউ সদ্য় যোগ দিয়েছেন!বিধানসভার যুদ্ধে প্রথমবার এমন ১৪১ জনকে নামাল তৃণমূল। উল্টোদিকে টিকিটই দেওয়া হল না চার মন্ত্রীকে। তৃণমূলের তালিকায় অভিনেতা-অভিনেত্রীদের কোনও চমক দেখা গেল না । রাজনীতিবিদদের ওপরই মূলত ভরসা রাখলেন মমতা বন্দ্য়োপাধ্য়ায়।
লক্ষ্য - ২০২৬ এর বিধানসভা। চতুর্থবারের জন্য সরকার গঠন। আর সেই লক্ষেই টার্গেটও সেট করে দিয়েছেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্য়োপাধ্য়ায়। ২০২৬-এর বিধানসভা ভোটে প্রার্থী তালিকায় জোর দেওয়া হয়েছে নতুন মুখে। ২৯১ টি আসনের মধ্যে প্রার্থী তালিকায় নতুন মুখ ১৪১ জন।





















