Congress Election Performance: 'জয়ের দোরগোড়ায় পৌঁছনো কংগ্রেস প্রার্থীদের ভয় দেখাচ্ছে বিজেপি', অভিযোগ বাঘেলের
Bhupesh Baghel: জয়ের দোরগোড়ায় পৌঁছে যাওয়া কংগ্রেস প্রার্থীদের ভয় দেখাচ্ছে বিজেপি, অভিযোগ ছত্তিসগড়ের মুখ্যমন্ত্রী ভূপেশ বাঘেলের। হিমাচল প্রদেশ দখলে রাখতে গেরুয়া শিবির যে কোনও পর্যায়ে যেতে পারে, আশঙ্কা তাঁর।

শিমলা: জয়ের (victory) দোরগোড়ায় পৌঁছে যাওয়া কংগ্রেস (congress) প্রার্থীদের (candidates) ভয় (threaten) দেখাচ্ছে বিজেপি (BJP), অভিযোগ ছত্তিসগড়ের (chattisgarh) মুখ্যমন্ত্রী ভূপেশ বাঘেলের (bhupesh baghel)। হিমাচল প্রদেশ (himachal pradesh) দখলে রাখতে গেরুয়া শিবির যে কোনও পর্যায়ে যেতে পারে, আশঙ্কা তাঁর। এদিন হিমাচলে আসারও কথা রয়েছে কংগ্রেসি মুখ্যমন্ত্রীর। তার আগে, রায়পুর থেকে হেলিপ্যাডে ওঠার মুখে বললেন, 'আশাই করেছিলাম যে হিমাচলে আমাদের সরকার হবে। সেই দিকেই এগোচ্ছে পরিস্থিতি।' কিন্তু একই সঙ্গে তাঁর সংযোজন, 'আমাদের নেতাদের দিকেও খেয়াল রাখা দরকার। বিজেপি যে কোনও পর্যায়ে যেতে পারে।'
এই মুহূর্তের ছবি:
গুজরাতের মতো আদপেই একপেশে লড়াই হয়নি উত্তর ভারতের এই রাজ্যে। কংগ্রেস ও বিজেপির 'কাঁটে কা টক্কর' চলেছে সকাল থেকে বেশ কিছুক্ষণ। তবে এই মুহূর্তে যা ট্রেন্ড, তাতে বড় কোনও অঘটন না ঘটলে সরকার সম্ভবত কংগ্রেসই গড়বে। কিন্তু অতীত থেকে শিক্ষা নিয়ে আগে থেকেই ঘর গোছাতে চাইছে শতাব্দীপ্রাচীন দল। গেরুয়া শিবির যে হিমাচলের দখল পেতে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত লড়বে, সে ব্যাপারে নিশ্চিত তারা। সূত্রের খবর, বিধায়ক কেনা বেচা আটকাতে তাঁদের রিসর্টেও সরানো হতে পারে। একাংশের দাবি, কংগ্রেস শাসিত ছত্তিসগড়ে সরানোর কথা ভাবা হয়েছিল বিজয়ী প্রার্থীদের। কিন্তু মুখ্যমন্ত্রী বাঘেল এমন কোনও পরিকল্পনার কথা মানতে চাননি।
কোন শিবিরে কী?
আপাতত যা খবর, তাতে অল ইন্ডিয়া কংগ্রেস কমিটি বা এআইসিসি দলের সেক্রেটারিদের ঘোড়া কেনাবেচা আটকানোর দায়িত্ব দিয়েছে। বিধায়ক হতে চলা কংগ্রেস নেতাদের কোনও 'নিরাপদ আস্তানা'-য় নিয়ে যাওয়ার তোড়জোড় চলছে। দলের তরফে হিমাচলের দায়িত্বে থাকা রাজীব শুক্লার পাশাপাশি ভূপেশ বাঘেল ও দীপেন্দ্র সিংহ হুডারও আজ সেখানে পৌঁছনোর কথা। হাত গুটিয়ে বসে নেই বিজেপি শিবিরও। দলের সাধারণ সভাপতি বিনোদ তাওড়ে এর মধ্য়েই 'বিদায়ী' মুখ্যমন্ত্রী জয়রাম ঠাকুরের সঙ্গে বৈঠক করেছেন বলে খবর। বিধানসভা ভোটের পর হিমাচল প্রদেশে দল কী কৌশল নেবে, তা নিয়ে আলোচনা করতেই এই বৈঠক। তবে বিকেলের দিকে সংবাদসংস্থা এএনআই সূত্রে খবর, কিছুক্ষণের মধ্যে রাজ্য়পালের কাছে পদত্যাগপত্র জমা দিতে পারেন জয়রাম ঠাকুর। তা হলে কি হার মেনে নিচ্ছে গেরুয়া শিবির নাকি অন্য কোনও পথ ভাবতে শুরু করেছেন তাঁরা? বলবে সময়।
আরও পড়ুন:মোদির রাজ্যে অনেক এগিয়ে বিজেপি, কোথায় দাঁড়িয়ে কংগ্রেস-আপের গ্রাফ ?





















