Bhangar Election: এবার ভাঙড়ে 'আক্রান্ত' তৃণমূল, পঞ্চায়েত সদস্যার বাড়িতে হামলার অভিযোগ
West Bengal Assembly Election 2026: নির্বাচনের আগে তপ্ত ভাঙড়। চাঁদপুরে তৃণমূল পঞ্চায়েত সদস্যার বাড়িতে হামলার অভিযোগ আইএসএফ নেতা আরাবুল ইসলাম ও তাঁর অনুগামীদের বিরুদ্ধে।

ভাঙড়: ফের উত্তপ্ত ভাঙড়। এবার সেখানে আক্রান্ত তৃণমূল। অভিযোগ, হামলা চালানো হয় তৃণমূল পঞ্চায়েত সদস্যার বাড়িতে। চাঁদপুরে তৃণমূল পঞ্চায়েত সদস্যার বাড়িতে হামলার অভিযোগ আরাবুল ইসলাম ও তাঁর অনুগামীদের বিরুদ্ধে। চাঁদপুরে মিছিলের সময় তৃণমূল পঞ্চায়েত সদস্যা ফিরোজা বিবি ও তাঁর পরিবারের ওপর হামলার অভিযোগ। বাড়ি, বাইক, সিসিটিভি ভাঙচুরের অভিযোগ। (West Bengal Assembly Election 2026)
খবর পাওয়া যাচ্ছে, ভাঙড়ের ISF নেতা আরবুল ইসলাম ও তাঁর অনুগামীরা একটা র্যালি করে যাচ্ছিল। আর সেই সময়ই এই ঘটনা ঘটেছে বলেই খবর। জানা যাচ্ছে, তৃণমূল পঞ্চায়েত সদস্যর বাড়িতে এই হামলা হয়েছে। হামলায় একটি গাড়িতে হামলা হয়েছে ও ওই পঞ্চায়েত সদস্যর বাড়িতে ঢুকেও নাকি ভাঙচুর করা হয়েছে, এমনই অভিযোগ করেছে তৃণমূল। ঘটনায় অভিযোগের তির ISF -এর দিকে। যদিও এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে আইএসএফ। তারা জানিয়েছে, র্যালি করে যাওয়ার সময় তৃণমূল কর্মীরা তাদের উদ্দেশ্যে গালিগালাজ করে। কিন্তু এই হামলার ঘটনা অস্বীকার করেছে আইএসএফ।
পরবর্তীতে, ভাঙড়ের তৃণমূল প্রার্থী সওকত মোল্লা ও ক্যানিং পূর্বের তৃণমূল প্রার্থী বাহারুল ইসলাম ঘটনাস্থলে যান। সেখানে পৌঁছে যায় ভাঙড় থানার পুলিশও। তারপর এই ঘটনার তদন্ত শুরু করে ভাঙড় থানার পুলিশ।
ঘটনায় ভাঙড়ের তৃণমূল প্রার্থী সওকত মোল্লা বলছেন, "এই হচ্ছে আইএসএফ। খড়গাছি ও দেউলিতেও এর তাণ্ডবলীলা চালিয়েছে। সেখানে আহতদের মধ্যে বেশ কিছু মহিলাও রয়েছে। এমনকি ২ জন পুরুষও আহত হয়েছেন। এখানে আমাদের পঞ্চায়ের সদস্যা তো মরেই যেত। যে ভাবে আক্রমণ করেছে। আসলে কমিশন বিজেপির দালালি করছে। এখানে রয়েছেন অ্যাডিশনাল ওসি। সব থেকে বড় দালাল। যার মদতে এই সব ঘটনা ঘটছে। আমরা সকালে তথ্য দিয়েছি, সে পুলিশকে ওদের জন্য গাড়ি করে রড সহ সব কিছু নিয়ে যাচ্ছে। মেশিন নিয়ে যাচ্ছে। আমাদের প্রার্থীর গাড়ি চেক করছে। কিন্তু যেখানে অস্ত্র রয়েছে, গুলি রয়েছে সেই গাড়ি চেক করতে পারছে না।"
উল্লেখ্য, আগামিকাল ২৩ এপ্রিল পশ্চিমবঙ্গের ১৬ জেলার ১৫২ বিধানসভা কেন্দ্রে নির্বাচন (West Bengal Assembly Election 2026)। আর তার আগে প্রতিটা জেলার DCRC -তে চূড়ান্ত ব্যস্ততা। ব্যস্ত নির্বাচন কমিশনের কর্মীরা। EVM সহ ভোটের প্রয়োজনীয় সব কিছু নিয়ে বুথে যাওয়ার তোড়জোড় ভোট কর্মীদের।




















