Bengal Election 2026 : কালো পতাকা সুকান্তকে ; 'দেখলাম তো কার কত দম !' উদয়ন বললেন, 'সেদিন দম হয়নি !'
Sukanta Majumdar : প্রান্তিক বাজারে তাঁকে কালো পতাকা দেখানোর অভিযোগ উঠেছে তৃণমূলের বিরুদ্ধে।

দিনহাটা : বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রচারকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক উত্তাপ বাড়ছে দিন দিন। স্লোগান-পাল্টা স্লোগান লেগেই রয়েছে। সঙ্গে একে অপরকে লক্ষ্য করে নিশানাও। এবার দিনহাটায় বিজেপি প্রার্থীর প্রচারে সুকান্ত মজুমদারকে কালো পতাকা দেখানোকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়াল। প্রান্তিক বাজারে তাঁকে কালো পতাকা দেখানোর অভিযোগ উঠেছে তৃণমূলের বিরুদ্ধে।
এনিয়ে তৃণমূলকে নিশানা করলেন সুকান্ত। তিনি বলেন, "তৃণমূলের কয়েকটা পতাকা দেখতে পেয়েছিলাম। তৃণমূলের এমনিই কালো পতাকার দরকার হয় না। তৃণমূলের লোকেরা সামনে দাঁড়ালেই মুখ কালো তো সবার। চুরি করেছে, কেউ গোরু পাচার করেছে, কেউ কয়লা চুরি করেছে, কেউ বালি চুরি করেছে। নাহলে দু'-চারটে খুন, একটা-দু'টো ধর্ষণ। এমনিই ওঁদের মুখ কালো, কালো পতাকার দরকার হয় না। সামনে দাঁড়ালেই কালো হয়ে যায়। এরকম অনেক দাঁড়াবে। উদয়ন গুহ তো বলেছিলেন, সুকান্ত মজুমদার এখানে ঢুকুক, ওমুক করে দেব, তমুক করে দেব। ঢুকলাম, বহাল তবিয়তে দাঁড়িয়েও আছি। দেখলাম তো কার কত দম!"
পাল্টা জবাব দিয়েছেন দিনহাটার তৃণমূল প্রার্থী উদয়ন গুহ। তিনি বলেন, "একজন শিক্ষিত মানুষ, একজন অধ্যাপক...তিনি যে ভাষাগুলো ব্যবহার করছেন, কোনও ভদ্রলোক সেই ভাষা এভাবে প্রকাশ্যে ব্যবহার করেন না। আর দ্বিতীয় কথা হচ্ছে, আমি যেদিন আসার জন্য বলেছিলাম দিনহাটায় ...আমন্ত্রণ জানিয়েছিলাম, সেদিন আসার দম হয়নি। এখন কেন্দ্রীয়বাহিনী, অমুক-তমুক, নির্বাচন কমিশন সব নিয়ে তারপরে আসছেন। আসুক না। তারপরে পিছনে যে ক'টা লোক ছিল গুনতে পেরেছিলেন ? একহাতের বাইরে যাবে না...যা লোক ছিল। এই ধরনের কথাবার্তা বলে মানুষকে আরও উত্তেজিত করেন। তারপরে যখন একটা সমস্যা হয়, যারা ওঁকে কালো পতাকা দেখিয়েছেন, তাঁরা কেউ তৃণমূলের নন।"
পশ্চিমবঙ্গে ২ দফায় ভোট হবে এবার। ২৩ এপ্রিল প্রথম দফা এবং ২৯ এপ্রিল দ্বিতীয় দফায় ভোটগ্রহণ হবে পশ্চিমবঙ্গে। প্রথম দফায় ১৫২টি আসনে এবং দ্বিতীয় দফায় ১৪২টি আসনে ভোট হতে চলেছে। আর ৪ মে হবে ভোটগণনা। আর ভোটের দিন ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গেই রক্তাক্ত হয় উত্তরবঙ্গের জেলা কোচবিহার। দিনহাটায় তৃণমূল যুব নেতাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাতের অভিযোগ ওঠে বিজেপির বিরুদ্ধে। ২৭৭ নম্বর বুথের যুব তৃণমূল সভাপতি সায়ন চক্রবর্তীকে ছুরি দিয়ে আঘাতের অভিযোগ তোলা হয়। কোমরে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করা হয়েছে বলে অভিযোগ। আহত যুব তৃণমূল সভাপতিকে ভর্তি করা হয় দিনহাটা হাসপাতালে। যদিও এই হামলার অভিযোগ অস্বীকার করে বিজেপি।





















