(Source: Poll of Polls)
Dilip Ghosh : "SIR-এ বাদ পড়ারা দেশদ্রোহী, দেশবিরোধী" বিস্ফোরক দিলীপ, ৫৭ লক্ষ হিন্দুরাও রোহিঙ্গা? পাল্টা তৃণমূল
বাদ পড়া ভোটারদের ‘দেশদ্রোহী’ ও ‘দেশবিরোধী’ বলে আক্রমণ করলেন তিনি। এই মন্তব্য ঘিরে ইতিমধ্যেই তীব্র রাজনৈতিক তরজা শুরু হয়েছে রাজ্যে।

বিশ্বজিৎ দাস, খড়গপুর: খড়গপুরে নির্বাচনী প্রচারে বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন বিজেপি প্রার্থী দিলীপ ঘোষ ( Dilip Ghosh )। SIR এ নাম বাদ পড়াদের নিয়ে করলেন বিতর্কত মন্তব্য। SIR-এ (Special Intensive Revision) বাদ পড়া ভোটারদের ‘দেশদ্রোহী’ ও ‘দেশবিরোধী’ বলে আক্রমণ করলেন তিনি। এই মন্তব্য ঘিরে ইতিমধ্যেই তীব্র রাজনৈতিক তরজা শুরু হয়েছে রাজ্যে।
প্রচারে দিলীপ কী বললেন
বৃহস্পতিবার খড়গপুর সদরের তালিবাগিচায় প্রচারে গিয়ে দিলীপ ঘোষ বলেন, “যারা যাওয়ার জন্য তৈরি, তাদের অন্তিম বিদায়ঘণ্টা বাজছে। ৯০ লাখ গেছে, আরও ১০-১২-১৫ লাখ যাবে। এই যে দেশদ্রোহী, দেশবিরোধীদের বিদায় হয়েছে।” তিনি আরও দাবি করেন, এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ‘পরিবর্তনের ঢেউ’ এবং ‘উন্নয়নের ঢেউ’ পশ্চিমবঙ্গে প্রবেশ করবে।
SIR ইস্যুতে নতুন বিতর্ক
নির্বাচনের আগে ভোটার তালিকা সংশোধন প্রক্রিয়া (SIR)-র শুরুথেকেই রাজনৈতিক চাপানউতোর চলছিল। সেই প্রেক্ষিতেই দিলীপ ঘোষের এই মন্তব্য আরও উত্তাপ বাড়িয়েছে। বিরোধীদের দাবি, ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ পড়া নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ রয়েছে, তার মধ্যেই এই ধরনের মন্তব্য পরিস্থিতিকে আরও জটিল করছে।
তৃণমূলের পাল্টা আক্রমণ
দিলীপ ঘোষের বক্তব্যকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করেছে তৃণমূল ( Trinamool Congress ) । তৃণমূলের দাবি, আগে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ( Amit Shah ) আশ্বাস দিয়েছিলেন, SIR প্রক্রিয়ায় কোনও হিন্দুর নাম বাদ যাবে না। তাদের অভিযোগ, বাস্তবে যে ৯০ লক্ষ ভোটারের নাম বাদ পড়েছে, তার মধ্যে প্রায় ৫৭ লক্ষই হিন্দু। সেই প্রেক্ষিতে তৃণমূলের প্রশ্ন, তাহলে কি এই বিপুল সংখ্যক মানুষকেই ‘দেশদ্রোহী’ বা ‘দেশবিরোধী’ বলা হচ্ছে?
কী বলছে তৃণমূল ?
তৃণমূলের প্রশ্ন, "SIR শুরু হলে অমিত শাহ বলেছিলেন কোনও হিন্দুর নাম বাদ যাবে না। আর এখন দেখা যাচ্ছে, বাদ যাওয়া ৯০ লক্ষ ভোটারদের মধ্যে ৫৭ লক্ষই হিন্দু। তবে কি দিলীপ ঘোষ ৫৭ লক্ষ হিন্দুদের দেশদ্রোহী, দেশবিরোধী, রোহিঙ্গা বললেন?"
নির্বাচনের আগে রাজনৈতিক উত্তাপ বৃদ্ধি
এই মন্তব্য ঘিরে রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। শাসক ও বিরোধী দুই পক্ষই একে অপরের বিরুদ্ধে আক্রমণ শানাচ্ছে। ভোটের আগে এই ইস্যু আরও বড় রাজনৈতিক বিতর্কে পরিণত হতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
সেরা শিরোনাম




















