(Source: ECI/ABP News)
I-PAC Director Arrested: ভোটের আগে গ্রেফতার আইপ্যাক কর্তা, এরপরে তাহলে কে? কী জানাচ্ছে বিজেপি ও CPM ?
ED arrests Vinesh Chandel: I-PAC কর্তা গ্রেফতার। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, ''এটি গণতন্ত্র নয়—এটি স্রেফ ভীতিপ্রদর্শন।'' দেবাংশু, দেবজিৎ সরকার ও CPM নেতা শতরূপ ঘোষ কী জানান?

কলকাতা: ভোটের ঠিক ১০ দিন আগে ফের সক্রিয় কেন্দ্রীয় সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ED)। কয়লা কেলেঙ্কারি মামলার তদন্তে নেমে I-PAC-এর অন্যতম পরিচালক ও সহ-প্রতিষ্ঠাতা বিনেশ চান্দেলকে গ্রেফতার করল ইডি। দিল্লি থেকে তাঁকে সোমবার রাতে গ্রেফতার করা হয়েছে। পিটিআই সূত্রে খবর, 'বেআইনি আর্থিক লেনদেন প্রতিরোধ আইন’ (পিএমএলএ)-এ চান্দেলকে হেফাজতে নিয়েছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট।
I-PAC কর্তা গ্রেফতার হওয়ার পর শোরগোল পড়ে যায় রাজ্য রাজনীতিতে। গ্রেফতারি নিয়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় কড়া ভাষায় প্রক্রিয়া জানান। তাঁর এক্স হ্যান্ডেলে পোস্টে বলেন, ''এটি গণতন্ত্র নয়—এটি স্রেফ ভীতিপ্রদর্শন।'' অভিষেকের পাশাপাশি এই ঘটনা নিয়ে তৃণমূলের সোশ্যাল মিডিয়া সেলের ইনচার্জ দেবাংশু ভট্টাচার্য, রাজ্য বিজেপির প্রধান মুখপাত্র দেবজিৎ সরকার ও CPM নেতা শতরূপ ঘোষও প্রতিক্রয়া জানান।
রাজ্য বিজেপির প্রধান মুখপাত্র দেবজিৎ সরকার জানান, ''এতো ল্যাপটপ, সবুজ ফাইল সবকিছু লুট করে আনা, তারপর দফতরের সামনে দাঁড়িয়ে থাকল একটা গাড়ি। তিনটে ৫ নিয়ে বেরিয়ে এল, ঢুকলো চারটে ৫ নিয়ে।'' '' কি আস্ফালন, এই করে নেবো, সেই করে নেবো। সকালবেলা সব জায়গাতে তিনি দৌড়ে গেলেন। তিনি ল্যাপটপ ও ফাইল নিয়ে বেরিয়ে এলেন বীর দর্পে। দেখে নেবো দেখে নেবো একটা ভাব। তারপরও এরকম হল? দেখা যাক, আইন আইনের পথে চলা উচিত।''
তৃণমূলের সোশ্যাল মিডিয়া সেলের ইনচার্জ ও চুঁচুড়ার প্রার্থী দেবাংশু ভট্টাচার্য জানান, ''মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তো আগেই বলে দিয়েছিলেন, নির্বাচন যত এগিয়ে আসবে, মধ্যরাত থেকে তাদের কাজ শুরু হবে। এটাই হয়েছে। শুধু এটা কেন, আমাদের পূর্ব মেদিনীপুরের কত নেতাকে NIA-এর নোটিশ দেওয়া হয়েছে দেখছেন না। আমি নিজে যখন তমলুকে নির্বাচন লড়তে গিয়েছিলাম, ময়না নন্দীগ্রাম সহ একাধিক জায়গায় NIA-এর নোটিশ দেওয়া শুরু হয়েছিল। শুধু তাই নয়, সুজিত বসু, দেবাশীষ কুমার এদেরকে হঠাৎ করে ED নোটিশ দিতে শুরু করল। এগুলো দেখার পর কি কারোর সন্দেহ কিছু থাকে, যে এই কেন্দ্রীয় সংস্থাগুলোকে বিজেপি কীভাবে ব্যবহার করছে। দিল্লি বিধানসভা নির্বাচনের আগে কেজরিওয়ালকে গ্রেফতার। সেই কেজরিওয়াল বেকসুর খালাস হয়ে গেলেন। ঝাড়খণ্ডেও এক। এই জিনিসগুলো আমরা দেখছি। বাংলার ক্ষেত্রে চোখের সামনে দেখা যাচ্ছে। ''
CPM নেতা শতরূপ ঘোষ জানান, '' যাবতীয় দুর্নীতিতে গোটা পৃথিবীর সবাই গ্রেফতার হবে, একমাত্র মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ছাড়া। কোনদিন কয়লা পাচার কাণ্ডে আমাকেও গ্রেফতার করে নেবে। খালি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় গ্রেফতার হবেন না, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় গ্রেফতার হবেন না। এর আগে আমরা এই ম্যাজিক দেখেছি যে একটা কোম্পানি ‘লিপ্স অ্যান্ড বাউন্ডস’ তাদের মাধ্যমে চাকরি চুরির টাকা খেটেছে, এটা ঘোষণা হওয়ার পর লিপ্স অ্যান্ড বাউন্ডস-এর একজন ডিরেক্টর কালীঘাটের কাকু গ্রেফতার হলেন কিন্তু আরেকজন ডিরেক্টর অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় গ্রেফতার হলেন না। এর পেছনে কী বিজ্ঞান আছে? কী দর্শন আছে? তা একমাত্র নরেন্দ্র মোদি বলতে পারবেন। এক্ষেত্রেও আমরা দেখলাম, একজন ডিরেক্টরকে দিল্লি থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে। প্রতীক জৈন নাম যে ব্যক্তি, যার কাছে তৃণমূলের প্রাণ ভোমরা আছে। যাকে বাঁচানোর জন্য ED রেডের সময় ফাইল ছিনতাই করেন, সেই প্রতীক জৈনকে গ্রেফতার করা হল না।''
সেরা শিরোনাম




















