West Bengal Election : বড় খবর! বিকেল ৪ টের পরই এই ৩ জেলায় ভয়ঙ্কর অশান্তির আশঙ্কা, হাই অ্যালার্ট কেন্দ্রীয় বাহিনীকে
সূত্রের খবর, বিকেল ৪ টের পরই রাজ্যের তিনটি জেলায় সক্রিয় হয়ে উঠতে পারে দুষ্কৃতীরা। মাথাচাড়া দিতে পারে দৌরাত্ম্য।

রুমা পাল, কলকাতা : প্রথম দফার ভোটের অধিকাংশ সময়ই অতিক্রান্ত। ধীরে ধীরে শেষের দিকে এগোচ্ছে ভোটগ্রহণের সময়। ঠিক এমন সময়ই কমিশন মারফৎ জানা যাচ্ছে মারাত্মক খবর। সূত্রের খবর, বিকেল ৪ টের পরই রাজ্যের তিনটি জেলায় সক্রিয় হয়ে উঠতে পারে দুষ্কৃতীরা। মাথাচাড়া দিতে পারে দৌরাত্ম্য। হতে পারে বুথ জ্যাম সহ নানা অনৈতিক কাজ। খবর পেয়েই সতর্ক করল কমিশন।
দৌরাত্ম্য আটকাতে তৈরি বাহিনীও
কমিশন সূত্রে খবর, মুর্শিদাবাদ, কোচবিহার, বীরভূম, এই তিন জেলায়, বিকেল চারটের পর ঝামেলার আশঙ্কা বাড়ছে। মনে করা হচ্ছে, এলাকার দুষ্কৃতীরা বুথ জ্যামিং করতে এলাকা দখল নিতে পারে। খবর পেয়ে এখন থেকে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে তৈরি থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিশেষভাবে সতর্ক থাকার নির্দেশ দিয়েছে কমিশন। ভোটের শেষ লগ্নে পরিস্থিতি যাতে হাতের বাইরে না-চলে যায়, বারবার সতর্ক করছে কমিশন। যে কোনও রকম দৌরাত্ম্য আটকাতে তৈরি বাহিনীও।
কোচবিহারে সকালে কী ঘটেছে
মাথাভাঙার বিজেপি প্রার্থী নিশীথ প্রামাণিকের বিরুদ্ধে টাকা বিলির অভিযোগ তোলে তৃণমূল। তৃণমূল প্রার্থী সাবলু বর্মনের অভিযোগ, সকাল থেকে কোচবিহার টি এস্টেটের বাসিন্দাদের টাকা বিলি করছিলেন নিশীথ প্রামাণিক। পরবর্তীকালে তৃণমূল প্রার্থীর নেতৃত্বে নিশীথ প্রামাণিককে ঘিরে বিক্ষোভ দেখানো হয়। অন্যদিকে সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করে পাল্টা তৃণমূলের বিরুদ্ধে ভোটারদের প্রভাবিত করার অভিযোগ তুললেন নিশীথ প্রামাণিক।
অন্যদিকে, তুফানগঞ্জ ২ নম্বর ব্লকের ২৩৭ নম্বর ও ২৩৮ নম্বর বুথের কিছুটা দূরে রাস্তা জ্যামিং করার অভিযোগ ওঠে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। অভিযোগ পেয়েই শুরু হল পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর অভিযান। কার্যত লাঠি উঁচিয়ে তাড়া করেন কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানেরা।
মুর্শিদাবাদ সকালে কী ঘটেছে
প্রথম দফায় মুর্শিদাবাদ আগাগোড়াই ছিল উত্তপ্ত। ভোটের আগের রাতে নওদার তৃণমূল প্রার্থী সাহিনা মুমতাজকে লক্ষ্য করে বোমা ছোড়ার অভিযোগ ওঠে হুমায়ুন কবীরের দল আম জনতা উন্নয়ন পার্টির বিরুদ্ধে। প্রথম দফার ভোটে কেন্দ্রীয় বাহিনীর সামনেই রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় মুর্শিদাবাদের নওদা। কেন্দ্রীয় বাহিনীর সামনে লাঠি নিয়ে ভাঙচুর করা হয় হুমায়ুন কবীরের কনভয়ের গাড়ির কাচ। আক্রান্ত হন আমজনতা উন্নয়ন পার্টির এক কর্মী। পাল্টা তৃণমূল কর্মীদের উদ্দেশে লাঠি হাতে তেড়ে যান হুমায়ুন কবীরের অনুগামীরা। চলে ইটবৃষ্টি। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে লাঠিচার্জ করতে হয় কেন্দ্রীয় বাহিনীকে।
বীরভূমে সকাল থেকে কী ঘটেছে
রামপুরহাটের দেখুরিয়া গ্রামে, কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে অতিসক্রিয়তার অভিযোগ তোলে তৃণমূল। রামপুরহাটের তৃণমূল প্রার্থী আশিস বন্দ্য়োপাধ্য়ায়ের অভিযোগ, ১০০ মিটারের বাইরে থাকা সত্ত্বও, ভোটারদের তাড়িয়ে দেন কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানেরা।
অন্যদিকে, রামপুরহাটের গোপালপুর মোড়ে বেআইনি জমায়েত সরিয়ে দিয়ে কাজে লেগে পড়ে কেন্দ্রীয় বাহিনী। ভোটদান প্রক্রিয়া শুরু হতেই, বীরভূমের একাধিক বুথে খারাপ হয়ে যায় EVM মেশিন। যার জেরে বেশ কিছুক্ষণের জন্য বন্ধ হয়ে যায় ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়া। সিউড়ির ১৩৫ নম্বর ও ১৫৯ নম্বর বুথে খারাপ হয়ে যায় EVM মেশিন। সেইসঙ্গে বোলপুর বিধানসভার ১৬১ নম্বর বুথেও দীর্ঘক্ষণ EVM মেশিন খারাপ হয়ে যাওয়ায় বেশ কিছুক্ষণের জন্য বন্ধ থাকে ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়া। ভোটারদের মধ্যে উত্তেজনা তৈরি হলে, SDPO রিকি আগরওয়ালের নেতৃত্বে বিশাল পুলিশবাহিনী আসে ঘটনাস্থলে।
সেরা শিরোনাম




















