Humayun Kabir: তেড়ে গেলেন হুমায়ুন, হাতাহাতি-ধস্তাধস্তি-গালিগালাজ, তুলকালাম নওদায়
West Bengal Assembly Election 2026: নওদা বিধানসভা কেন্দ্রে বুথের সামনেই হুমায়ুন কবীর সঙ্গে ধস্তাধস্তি ত্ররণোমূল কর্মীদের। কেন্দ্রীয় বাহিনীর সামনেই শুরু হয় হাতাহাতি।

নওদা, মুর্শিদাবাদ, পার্থ প্রতিম ঘোষ : মুর্শিদাবাদের নওদায় তুলকালাম। হুমায়ুন কবীরের সঙ্গে তৃণমূল কর্মীদের চরম ধস্তাধস্তি-হাতাহাতি। কেন্দ্রীয় বাহিনীর সঙ্গেও শুরু হাতাহাতি-ধস্তাধস্তি। মুখোমুখি হুমায়ুন কবীর এবং তৃণমূল কর্মীরা। চূড়ান্ত বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি। ধাক্কাধাক্কি চলছে উভয় পক্ষেই। চরম উত্তেজনার পরিস্থিতি। যে রাস্তা দিয়ে হুমায়ুন কবীরের কনভয় যাওয়ার কথা সেখানে বসে পড়েছেন তৃণমূল কর্মীরা। স্লোগান পাল্টা স্লোগান চলছে। ভোটকেন্দ্রের কাছেই, বুথের কাছে আচমকাই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। কেন্দ্রীয় বাহিনীর লাঠি কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা হয়েছে। কেন্দ্রীয় বাহিনীর সামনেই আঙুল উঁচিয়ে শাসানি দিতে দেখা গিয়েছে হুমায়ুন কবীরকে। কেন্দ্রীয় বাহিনীর সঙ্গেও একপ্রস্ত হাতাহাতি-ধস্তাধস্তি হয়েছে। পুলিশ লাঠি উঁচিয়ে তাড়া করেছে তৃণমূল কর্মীদের। পরিস্থিতি একপ্রকার নিয়ন্ত্রণের বাইরে। পরিস্থিতি সামাল দিতে হিমশিম খাচ্ছে পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী। মাঝরাস্তায় লরির সামনে চেয়ার পেতে বসে পড়েছেন হুমায়ুন কবীর।
ভোট শুরুর আগের রাতে নওদায় বোমাবাজি হয়েছে। তৃণমূল প্রার্থী অভিযোগ করেছেন, হুমায়ুন কবীরের বিরুদ্ধে। মহিলা প্রার্থীর অভিযোগ তাঁকে নিশানা করেই বোমা মারা হয়েছিল। এই ঘটনায় হুমায়ুন কবীর বলেছেন, 'আমায় কেউ ইট-পাটকেল ছুড়লে তো আর রসগোল্লা ছুড়ব না।' এবার ভোটের আগে থেকেই নজরে হুমায়ুন কবীর। ভোটের আগে আগেই নতুন দল 'আম জনতা উন্নয়ন পার্টি' গঠন করেন হুমায়ুন কবীর। এবার তিনি ভোটে লড়ছেনও। প্রথম দফার ভোটের দিন সকাল থেকেই সংবাদ শিরোনামে হুমায়ুন কবীর। নির্বাচন কমিশন যে কেন্দ্রীয় বাহিনীর ভরসায় এবার পশ্চিমবঙ্গে নিরাপদে সুষ্ঠু ভোট করতে বদ্ধপরিকর, সেই কেন্দ্রীয় বাহিনীর সামনেই কার্যত মারমুখী অবস্থায় দেখা গেল হুমায়ুন কবীরকে। এদিকে হুমায়ুন কবীরকে দেখেই 'চোর চোর' বলে স্লোগান দিতে থাকেন তৃণমূলকর্মীরা। অন্যদিকে, আম জনতা পার্টির সদস্যের বাড়িতে হামলার অভিযোগ করেছেন হুমায়ুন কবীর।
তৃণমূলকর্মীদের অভিযোগ, তাঁদের প্রার্থীকে টার্গেট করে বোমা ছুড়েছে হুমায়ুন কবীর। অন্যদিকে, হুমায়ুন কবীরের অভিযোগ, তাঁর দলের প্রার্থীর বাড়িতে তৃণমূল হামলা করেছে। এদিন আচমকাই নওদায় মুখোমুখি হয় দু'পক্ষ। হুমায়ুনকে দেখে তেড়ে আসতে থাকেন তৃণমূলকর্মীরা। পাল্টা তেড়ে যান হুমায়ুন কবীরও। অশ্রাব্য ভাষায় চলতে থাকে গালিগালাজ। পুলিশ এবং কেন্দ্রীয় বাহিনী উভয় পক্ষকেই থামানোর চেষ্টা করে। যদিও নাস্তানাবুদ হতে হয় তাদের। নানা ভাবে ঝামেলা সামাল দেওয়ার চেষ্টা করতে থাকে পুলিশ এবং কেন্দ্রীয় বাহিনী।




















