Jadavpur BJP: "যাদবপুর আমরা জিতব, মানুষ শিক্ষিত সচেতন, ভাতা দিয়ে কেনা যাবে না", বলছেন বিজেপি প্রার্থী শর্বরী মুখোপাধ্যায়!
BJP in West Bengal Election 2026: যাদবপুরের মানুষকে শিক্ষিত সচেতন মানুষ বলেও অভিহিত করেন বিজেপি প্রার্থী শর্বরী মুখোপাধ্যায়। তিনি বলেন, এখানের মানুষকে ভাতা দিয়ে কেন যাবে না।

এবারের বিধানসভা নির্বাচনে যাদবপুরে বিজেপির প্রার্থী হয়েছেন অভিনেত্রী শর্বরী মুখোপাধ্যায়। প্রার্থী হয়ে প্রথম প্রতিক্রিয়ায় তিনি ধন্যবাদ জানালেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যকে ও বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বকে। তিনি বলেন, "প্রথমেই অশেষ কৃতজ্ঞতা আমার রাজ্য সভাপতি ও সাংসদ, আমার দাদা মাননীয় শমীক ভট্টাচার্য মহাশয়কে। এবং তাঁর সঙ্গে যাঁরা এই সিদ্ধান্তে ছিলেন, কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব, সুনীল বনসল জি, বিপ্লব দেব দাদা; মানে সবাই, যাঁরা এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তাঁদের প্রত্যেককে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা।"
জয় নিয়ে তাঁর গলায় আত্মবিশ্বাসের কোনও কমতি নেই। যাদবপুরে এবারে যে বিজেপি জিতবে, এই বিষয়ে একপ্রকাশ নিশ্চিত তিনি। শর্বরী বলেন, "আমি শুধু এই টুকুই জানি যে বিজেপির নেতৃত্ব জানেন যাদবপুর আমরা জিতব। তাই প্রার্থী নির্বাচনের সময় এটা নিশ্চয় তাঁদের হৃদয়ের কোথাও ছিল, যে শর্বরী যাদবপুর জিতবে।"
প্রতিপক্ষকে সরাসরি আক্রমণ নয়। বরং তাঁকে পূর্বসূরী বলে কিছুটা কটাক্ষ যেন ছুঁড়ে দিলেন শর্বরী। তাঁর সূক্ষ খোঁচা, "উনি যে পতাকা ছেড়ে দিয়েছিলেন, সেই পতাকাই আমি নিয়ে দৌড়ে চলেছি। সুতরাং আমি জানি যে উনি জানবেন ওঁর উত্তরসূরী আমি। লড়াই থাকবে। মতাদর্শের লড়াই।"
এবারের লড়াইয়ে যাদবপুর ন্যায়ের লড়াই, ধর্মের লড়াই লড়বে বলেও জানান এই বিধানসভার বিজেপি প্রার্থী। তাঁর কোথায়, "এবারের লড়াইয়ে যে লড়াই যাদবপুর লড়বে সেটা হল ন্যায়ের লড়াই। ধর্মের লড়াই লড়বে যাদবপুর। ভয় মুক্ত রাজনীতির লড়াই লড়বে যাদবপুর। সিন্ডিকেট মুক্ত যাদবপুর এই লড়াই লড়বে। যাদবপুরে দীর্ঘদিন ধরে হাসপাতাল নেই। বাম আমলেও চেষ্টা ছিল, কিন্তু তা হয়ে ওঠেনি। কখন যেন পুঁজিবাদের বিরুদ্ধে লড়তে লড়তে পুঁজিপতিদের হাতেই দেওয়া হয়ে গিয়েছিল সরকারি খাস জমি। সরকারি হাসপাতাল হয়নি। যাদবপুরের মানুষের কাছে আমার অঙ্গীকার যাদবপুরে প্রকৃত পরিকাঠামো সমেত সরকারি হাসপাতাল হবে। যাতে যাদবপুরের মানুষকে আর ভাঙড়ে গিয়ে ২ হাজার মানুষের পিছনে লাইন দিতে হবে না। যাদবপুরে খেলার জায়গা রয়েছে। স্টেডিয়াম রয়েছে। তাকে ন্যাশনাল মানের তৈরি করতে হবে।"
যাদবপুরের মানুষকে শিক্ষিত সচেতন মানুষ বলেও অভিহিত করেন তিনি। তিনি বলেন, এখানের মানুষকে ভাতা দিয়ে কেন যাবে না। শর্বরীর কথায়, "যাদবপুরের মানুষ পরিবর্তনকামী। তাঁরা বারে বারে যাদবপুরের পরিবর্তন দেখেছেন। পরিবর্তন এনেছেন। যাদবপুরের মাতৃশক্তির প্রতি আমার এই আস্থা ও বিশ্বাস রয়েছে যে যাদবপুরকে ভাতা দিয়ে কেনা যাবে না।"





















