(Source: ECI/ABP News)
Exit Poll News Update: ৫০ শতাংশ ভোটই পাবেন মমতা! কী অবস্থা বিজেপির? 'জনমত পোলস' দিচ্ছে চমকে দেওয়ার মতো তথ্য!
Janmat Polls Exit Poll: জনমত পোলস-এর exit poll যে সম্ভাব্য আসনের হিসেব দিচ্ছে, সেখানে দেখা যাচ্ছে, তৃণমূল পেতে পারে, ১৯৫ থেকে ২০৫টি আসন

- নির্বাচনের ফলাফল ৪ মে জানা যাবে, কে বসবে মসনদে।
- বেশ কয়েকটি সমীক্ষায় বিজেপির এগিয়ে থাকার ইঙ্গিত।
- জনমত পোলস-এর এক্সিট পোল তৃণমূলকে এগিয়ে রাখছে।
- জনমত পোলস-এর হিসেব অনুযায়ী তৃণমূল ৫০% ভোট পেতে পারে।
কলকাতা: কী ফলাফল হবে এবারের নির্বাচনে? এই জল্পনাতেই এবার সরগরম রাজ্য রাজনীতি। ইতিমধ্যেই কার্যত শেষ ভোটদান। এবার প্রত্যেকেই তাকিয়ে রয়েছে, ৪ তারিখের দিকে। ৪ মে, চূড়ান্ত হবে নির্বাচনের ফলাফল। সেদিনই জানা যাবে, কে বসবেন বাংলার মসনদে। তবে নির্বাচন শেষ হওয়ার পরেই, সমীক্ষা করতে শুরু করে দিয়েছে, বিভিন্ন সমীক্ষক সংস্থা। উল্লেখযোগ্যভাবে, বেশ অনেকগুলি সমীক্ষক সংস্থাই ইঙ্গিত দিচ্ছে, এবার পশ্চিমবঙ্গে আসবে গেরুয়া ঝড়। বেশ অনেকগুলি আসনে এগিয়ে থাকবে বিজেপি, এমনই ইঙ্গিত দেওয়া হচ্ছে। তবে বেশ অন্যরকম তথ্য তুলে ধরছে, জনমত পোলস-এর exit poll। কী বলছে এই জনমত সমীক্ষা? দেখা যাক...
কী বলছে জনমত পোলস-এর Exit Poll?
জনমত পোলস-এর exit poll যে সম্ভাব্য আসনের হিসেব দিচ্ছে, সেখানে দেখা যাচ্ছে, তৃণমূল পেতে পারে, ১৯৫ থেকে ২০৫টি আসন। বিজেপি পেতে পারে, ৮০ থেকে ৯০টি আসন। কংগ্রেস পেতে পারে, ১ থেকে ৩টি আসন। বামফ্রন্ট পেতে পারে, শূন্য থেকে ১টি আসন। অন্যান্যরা পেতে পারে, ৩ থেকে ৫টি আসন। যদি শতাংশের হিসেব ধরা যায়, তাহলে দেখা যাবে, এই সংস্থার দেওয়া হিসেব অনুযায়ী, পশ্চিমবঙ্গে এবার ৫০ শতাংশ ভোটই পাবে তৃণমূল! ৪১ শতাংশ ভোট পেতে পারে বিজেপি। কংগ্রেস পেতে পারে ৩ শতাংশ আসন। বামফ্রন্ট পেতে পারে ৩ শতাংশ ভোট। অন্যান্যরা পেতে পারে ৩ শতাংশ ভোট। যেখানে অন্যান্য সংস্থা এগিয়ে রাখছে বিজেপিকে, সেখানে জনমত পোলস-এর exit poll বেশ অনেকটাই এগিয়ে রাখছে তৃণমূলকে।
Disclaimer: রাজ্যে দু’দফায় বিধানসভা নির্বাচন হয়ে গেল। জনতা জনার্দন কী রায় দিয়েছে? পরিবর্তন নাকি প্রত্যাবর্তন, কী ভাবছেন ভোটাররা? সেই সব উত্তর আর প্রার্থীদের ভাগ্য এখন EVM বন্দি। তবে, তা নিয়ে বুথ ফেরত সমীক্ষা করেছে দেশের বিভিন্ন মিডিয়া। সেই দুহাজার পাঁচ সাল থেকে এবিপি আনন্দে প্রতিটি নির্বাচনে ওপিনিয়ন পোল বা এক্সিট পোল আপনাদের সামনে তুলে ধরা হচ্ছে। তার মধ্যে কিছু মিলেছে, আবার কিছু মেলেনি। মেনে নিতে এতটুকুও দ্বিধা নেই যে, এইসব সমীক্ষার accuracy কিন্তু ক্রমশ কমছে। এর কারণ, শুধুমাত্র সমীক্ষার Sample Size ছোট হওয়া নয়, ইদানিং এর বড় কারণ চ্যাটবট বা বিভিন্ন AI সফটওয়্যারের ব্যবহার। Field-Survey যত কমবে, মোবাইল বা AI সফটওয়্যারের ব্যবহার যত বাড়বে, বাস্তবের সঙ্গে সমীক্ষার ফারাক তত বাড়বে। তবুও, প্রতিষ্ঠিত সমীক্ষক সংস্থাগুলো বাংলার ভোট নিয়ে যে-সব সমীক্ষা করবে, তাদের সবার সমীক্ষাই আমরা তুলে ধরব। কিন্তু এই সমীক্ষার সঙ্গে আমাদের জার্নালিস্টিক জাজমেন্ট বা এডিটোরিয়াল পলিসির কোনও সম্পর্ক নেই। সমীক্ষক সংস্থার দেওয়া সংখ্যাগুলো হুবহু আপনাদের সামনে তুলে ধরা হচ্ছে মাত্র। আরও স্পষ্ট করে জানানো হচ্ছে, এবিপি আনন্দ নিজস্ব কোনও সমীক্ষা করেনি। রাজ্যের মসনদে কে, তা জানা যাবে একমাত্র ৪ মে-ই।
সেরা শিরোনাম




















