Mamata Banerjee : রাজ্যের মানুষ যাতে গ্যাস-সঙ্কটে না ভোগে, বড় নির্দেশ মুখ্যমন্ত্রীর, এখন থেকে আর চলবে না...
Mamata Banerjee On LPG : রাজ্যের মানুষ যাতে গ্যাস সঙ্কটে না ভোগেন, তার জন্য কী নির্দেশ দিলেন মুখ্যমন্ত্রী?

কলকাতা : দেশ জুড়ে গ্যাসের আকাল। আর কতদিনের জ্বালানী হাতে আছে ? এই নিয়ে নানরকম জল্পনা। একের পর এক বন্ধ হচ্ছে স্ট্রিট ফুডের স্টল। হোম ডেলিভারির ব্যবসা চালানোও দায় ! সিলিন্ডার নেই। এই পরিস্থিতিতে ছড়াচ্ছে 'এনার্জি লকডাউন'-এর গুঞ্জনও। কেন্দ্র একের পর এক জরুরি বৈঠক করছে। ক্রমাগত কথাবার্তা চলছে আন্তর্জাতিক স্তরেও। বারবার দেশের মানুষকে অযথা আতঙ্ক না-করার পরামর্শ দিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী ও অন্য কেন্দ্রীয় মন্ত্রীরা। কিন্তু বিরোধীরা একেবারে এককাট্টা হয়ে দুষছে মোদি-সরকারকে। ভোটমুখী পশ্চিমবঙ্গে প্রচারের মঞ্চে দাঁড়িয়ে লকডাউনের আশঙ্কা পর্যন্ত প্রকাশ করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রাজ্যের মানুষের জন্য এবার তিনি দিলেন বড় বার্তা। রাজ্যের মানুষ যাতে গ্যাস সঙ্কটে না ভোগেন, তার জন্য কী নির্দেশ দিলেন মুখ্যমন্ত্রী?
মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় শুক্রবার ফের একবার জ্বালানি-সঙ্কটের অভিযোগ তুলে কেন্দ্রকে নিশানা করেন। বলেন, শুক্রবার কলকাতা বিমানবন্দরের সামনে দাঁড়িয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, রাজ্যে যে রান্নার গ্যাস উৎপাদিত হয়, তা যেন বাইরে না যায় ! মুখ্যমন্ত্রীর হুঁশিয়ারি, পশ্চিমবঙ্গে ভোটের কাজে ভিন্রাজ্য থেকে সরকারি কর্মীরা আসছেন। ইতিমধ্যেই দলে দলে কেন্দ্রীয় বাহিনী এসে পৌঁছেছেন। তাঁদের রান্নার হচ্ছে । তার জন্য এ রাজ্যের মানুষের গ্যাসের জোগান হাহাকার হলে চলবে না। তিনি আরও বলেন, রাজ্য সরকার কেরোসিনের বরাদ্দ বাড়িয়েছে কিছুটা। মানুষ কেরোসিন রেশনের মাধ্যমে পাবেন। কিন্তু বেশির ভাগ মানুষ এখন গ্যাসে রান্না করেন। সেটাই সমস্যা।
প্রসঙ্গত, পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধের আবহে পেট্রোপণ্যের দামে লাগাম টানতে অন্তঃশুল্ক কমিয়েছে কেন্দ্র। পেট্রোলে লিটার প্রতি এক্সাইজ ডিউটি ১৩ টাকা থেকে কমিয়ে করা হয়েছে ৩ টাকা । ডিজেলে অন্তঃশুল্ক ১০ টাকা থেকে কমে করা হয়েছে শূন্য। কিন্তু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রশ্ন , 'শুল্ক কমালে কী দাম কমবে ?'
এদিন সাপ্লিমেন্টারি ভোটার তালিকা নিয়েও কেন্দ্রীয় সরকারের উদ্দেশে আক্রমণ শানিয়েছেন মমতা। , 'প্রথম সাপ্লিমেন্টারি তালিকা আমরা পাইনি। ২৮ ফেব্রুয়ারি শেষ তালিকা বেরোয়, এতদিন হিয়ারিংয়ের পর ৫০ শতাংশ নাম দেখে দেখে বাদ দেওয়া হয়েছে। সুতিতে একটি বুথে ৪০০ নাম বাদ, বসিরহাটে একটি বুথে ৬০০ জনের মধ্যে ৪০০ নাম বাদ গিয়েছে। ' কমিশন ও কেন্দ্রীয় সরকারকে এক হাত নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, 'বুকের পাটা থাকলে তালিকা বার করুন। যা চলছে সুপার হিটলারকেও ছাড়িয়ে যাবে, মানুষের অধিকার ভ্যানিশ করে দিচ্ছে। অনেক কমিউনিটি দেখে নাম বাদ দেওয়া হয়েছে। মানুষের ভোটাধিকার কেটে ভোট করবে, ধর্মের কল বাতাসে নড়ে'।





















