West Bengal Assembly Election: জঙ্গিপুরে স্ট্রং রুমের ক্যামেরা কেন দফায় দফায় বন্ধ? ছুটে গেলেন তৃণমূল প্রার্থী
শুক্রবার গভীর রাতে জঙ্গিপুর পলিটেকনিক কলেজের ভোট গণনা কেন্দ্রের সিসিটিভি ক্যামেরা বন্ধ হয়ে রয়েছে, এই খবর পেয়ে বায়রন বিশ্বাস সেখানে সদলে পৌঁছে যান
মুর্শিদাবাদ: মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) জঙ্গিপুরে, স্ট্রং রুমের ক্যামেরা দফায় দফায় বন্ধের অভিযোগ। খবর পেয়ে ভোররাতে জঙ্গিপুর পলিটেকনিক কলেজে ছুটে গেলেন সাগরদিঘির বিদায়ী বিধায়ক ও তৃণমূল প্রার্থী (TMC Candidate) বায়রন বিশ্বাস (Bayron Biswas)। স্ট্রং রুমের দায়িত্বপ্রাপ্ত অফিসারদের ভূমিকা নিয়েও তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি। তাঁর অভিযোগ, তৃণমূল প্রার্থীদের হারানোর জন্যই এক ধরনের চক্রান্ত করা হচ্ছে।
শুক্রবার গভীর রাতে জঙ্গিপুর পলিটেকনিক কলেজের ভোট গণনা কেন্দ্রের সিসিটিভি ক্যামেরা বন্ধ হয়ে রয়েছে, এই খবর পেয়ে বায়রন বিশ্বাস সেখানে সদলে পৌঁছে যান। এরপরই সেখানে তাঁর সঙ্গে স্ট্রং রুমের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা রাজ্য সরকার এবং কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা বাহিনীর কয়েকজন আধিকারিকের ‘মৃদু’ বচসা বেধে যায়।
এরপরই সংবাদ মাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে বায়রন বিশ্বাস দাবি করেন, শুধু সাগরদিঘি কেন্দ্রে তিনি হারছেন না, জঙ্গিপুর কেন্দ্রে তৃণমূলের বিদায়ী বিধায়ক জাকির হোসেন, ফরাক্কার তৃণমূল প্রার্থী আমিরুল ইসলাম এবং সামশেরগঞ্জ বিধানসভার তৃণমূল প্রার্থী নুর আলমও আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে হেরে যাবেন। তবে জঙ্গিপুর মহকুমার অন্তর্গত চারটি বিধানসভার সম্ভাব্য ফলাফল নিয়ে বায়রন ‘ভবিষ্যদ্বাণী’ করলেও রঘুনাথগঞ্জ এবং সুতি বিধানসভায় ফলাফল কী হতে চলেছে তা নিয়ে তিনি কিছু বলেননি।
মুর্শিদাবাদের সাগরদিঘি বিধানসভার ভোট গণনা কেন্দ্র অর্থাৎ জঙ্গিপুর পলিটেকনিক কলেজের সামনে দাঁড়িয়ে সাগরদিঘির বিদায়ী বিধায়ক বায়রন বিশ্বাস দাবি করলেন তিনি ভোটে হেরে গিয়েছেন।
মুর্শিদাবাদে ভোট পরিস্থিতি
প্রথম দফার ভোটে অশান্তি এড়ানো গেল না মুর্শিদাবাদের নওদায়। কেন্দ্রীয় বাহিনীর সামনে লাঠি নিয়ে ভাঙচুর করা হল হুমায়ুন কবীরের কনভয়ের গাড়ির কাচ। আক্রান্ত হলেন তাঁর দলের এক কর্মী। পাল্টা তৃণমূল কর্মীদের উদ্দেশে লাঠি হাতে তেড়ে গেলেন হুমায়ুন কবীরের অনুগামীরা। চলল ইটবৃষ্টিও। তৃণমূল ও আমজনতা উন্নয়ন পার্টির সমর্থকরা একে উপরের দিকে লাঠি বাঁশ নিয়ে হামলা চালায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে লাঠিচার্জ করে কেন্দ্রীয় বাহিনী। শেষ কেন্দ্রীয় নিরাপত্তাবাহিনীর ঘেরাটোপে এলাকা ছাড়েন হুমায়ুন কবীর।




















