Mothabari Incident Update : মোথাবাড়িকাণ্ডে আদালতে চাঞ্চল্যকর দাবি NIA-র, 'বিক্ষোভ চালানোর জন্য আনা হয়েছিল...'
Malda News : মালদার মোথাবাড়িতে বিচারকদের ওপর হামলার ঘটনায় এখনও অবধি ৪৯ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

কলকাতা : মোথাবাড়িকাণ্ডে (Mothabari Incident) আদালতে চাঞ্চল্যকর দাবি করল NIA (NIA Investigation)। কলকাতায় বিশেষ NIA আদালতে ন্যাশনাল ইনভেস্টিগেশন এজেন্সি দাবি করেছে, 'পরিকল্পনা করেই BDO অফিস থেকে বেরনোর রাস্তা বন্ধ করে রাখা হয়েছিল। রাত ১১.৩০টার পর বাহিনী-সহ পুলিশ যায় বিচারকদের বের করতে। বিক্ষোভ চালিয়ে যাওয়ার জন্য আনা হয়েছিল কয়েকজন ডিলিটেড ভোটারকে। এলাকার বেশ কয়েকজন BLO-কেও আনা হয়েছিল বিক্ষোভের জন্য। হুমকি দিয়ে তাঁদের নিয়ে আসে ISF পঞ্চায়েত সদস্য গোলাম রব্বানি।' এমনই দাবি করল NIA। পাশাপাশি তাদের তরফে আরও দাবি করা হয়েছে, 'BDO অফিসের সামনে দাঁড়িয়ে থেকে বেরনোর পথ আটকান ধৃত কংগ্রেস কর্মী আসিফ শেখ। কংগ্রেস প্রার্থী সায়েম চৌধুরীর নেতৃত্বে একটি দলও বিক্ষোভে যোগ দিয়েছিল।'
মালদার মোথাবাড়িতে বিচারকদের ওপর হামলার ঘটনায় এখনও অবধি ৪৯ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তার মধ্য়ে তৃণমূল-ISF সমর্থক রয়েছে। রয়েছে কংগ্রেসের নেতাও। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে তদন্তে নেমে, ৩ জনকে গ্রেফতার করেছে NIA। রবিবার ISF নেতার পর এবার মোথাবাড়িকাণ্ডে কংগ্রেসের ২ নেতাকে গ্রেফতার করেছে তারা। সোমবার NIA-এর হাতে গ্রেফতার ৩ জনকে আদালতে পেশ করা হলে, ধৃত কংগ্রেস নেতা শাহদাত হোসেন দাবি করেন তিনি কিছু করেননি। তাঁর কাছে রাত ১২টা নাগাদ ফোন আসে। তখনই তিনি শোনেন বিচারকদের ওপর হামলা করা হয়েছে। তিনি BDO অফিসের কর্মীদের উদ্ধার করতে যান। আরেক কংগ্রেস নেতা আসিফ শেখ দাবি, মোথাবাড়িকাণ্ডের দিন তিনি সেখানে ছিলেনই না। ISF নেতা গোলাম রব্বানির দাবি, তিনি ১ এপ্রিল ঘটনার দিন দুপুর ১২টা থেকে ২ টো পর্যন্ত ঘটনাস্থলে থাকলেও পরে বাড়ি চলে যান। সব দিক খতিয়ে দেখে ৩ জনকেই ১৮ এপ্রিল পর্যন্ত NIA হেফাজতের নির্দেশ দেওয়া হয়।
এই ঘটনা প্রসঙ্গে ভবানীপুর ও নন্দীগ্রামের বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী বলেছেন, "ভিডিও ফুটেজ দেখে চিহ্নিতদের গ্রেফতার করুক। আপনারা এদের বলুন রাষ্ট্র বিরোধী। আপনারা দল, ধর্ম দেখবেন না। এরা সমাজ বিরোধী। এরা রাষ্ট্র বিরোধী কাজ করেছে।"
রবিবারই ১১ ঘণ্টা ধরে মোথাবাড়ির কংগ্রেস প্রার্থী সায়েম চৌধুরীকে জিজ্ঞাসাবাদ করে কেন্দ্রীয় এজেন্সি।
সায়েম চৌধুরী বলেছেন, "বিজেপি এবং তৃণমূল টাকার এপিঠ ওপিঠ এবং RSS একটা সংগঠন দ্বারা পরিচালিত। কেন্দ্রীয় যতগুলো এজেন্সি, সবগুলো পরিচালনা করে বিজেপি। কিন্তু কাল আমার মনে হয়েছে, এই পুরোটা চক্রান্ত, তৃণমূলের প্রার্থী এবং তৃণমূলের নেতৃত্বের জন্যই এই ঘটনাটা ঘটেছে।"





















